সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - কক্সবাজার

পা শান্ত না হওয়া পর্যন্ত বারান্দায় হাঁটি

আমার বয়স পঞ্চান্ন। রাতে বিছানায় শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পরেই দুই পায়ে জ্বালা শুরু হয়, ঝিনঝিন করে ওঠে। মনে হয় পা দুটো অবশ হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে, জাগছেই না। উঠে বসলে একটু কমে। হাঁটলে আরও কমে। তাই প্রায় রাতেই আমাকে বারান্দায় উঠে যেতে হয়। অন্ধকারে পায়চারি করি যতক্ষণ না জ্বালাটা থামে। তারপর আবার ঘুমের চেষ্টা করি। ঘুম ভাঙা রাতের পর দিনেও শরীর টানে না। বাড়ির লোকে প্রথমে ভাবত, এ শুধু বয়সের ক্লান্তি।

পাশের বাড়ির একজন একদিন বললেন, আমাকে এত ক্লান্ত দেখায় কেন। তখনই নিউরোলজিস্টের কথা উঠল। যতটুকু বুঝেছি, প্রথম দেখায় তিনি আগে গল্পটাই শুনবেন। কবে থেকে জ্বালা, কোন কোন রাতে আসে, এতে কোন কাজগুলো আটকে যায়, সব জানতে চাইবেন। আগের রিপোর্ট থাকলে সেগুলো আগে দেখবেন। পায়ের শক্তি পরখ করবেন, হাঁটার সময় পা কীভাবে ফেলি সেটাও দেখবেন। তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না। সমস্যাটা অন্য ধরনের ডাক্তারের হলে ঘুরিয়ে না বলে সরাসরি জানিয়ে দেবেন।

কক্সবাজারের নিউরোলজিস্টদের তালিকা এই পাতার নিচের দিকেই আছে, প্রোফাইলগুলো নিজের সুবিধামতো সময়ে পড়ে দেখতে পারেন। অন্য ধরনের ডাক্তার দরকার হলে কক্সবাজারের ডাক্তারদের তালিকা থেকে পুরো শহরের তালিকা এক জায়গায় পাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

পা শান্ত না হওয়া পর্যন্ত বারান্দায় হাঁটি

হঠাৎ বদল মানেই অপেক্ষা শেষ

পায়ের জ্বালা ধীরে ধীরে বাড়ে, এমন ধীর জিনিস অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু হঠাৎ বদল অন্য ব্যাপার। হঠাৎ শরীরের বা মুখের একপাশ দুর্বল হয়ে পড়লে ঘরে বসে ভাবার সময় নেই। সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিজের নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

কথা হঠাৎ অদ্ভুত বা জড়িয়ে গেলে, কিংবা জীবনে কখনো হয়নি এমন তীব্র মাথাব্যথা হঠাৎ এলেও একই কথা। কাঁপুনি থামছে না, থেমে গিয়ে আবার শুরু হচ্ছে, এমন হলেও তাই। এক চোখে বা দুই চোখেই হঠাৎ দেখা চলে যাওয়া আর হঠাৎ বিভ্রান্ত হয়ে যাওয়াও এই তালিকায়। আমার স্ত্রীও লক্ষণগুলো জেনে রেখেছেন, কারণ যাঁর হয়, তিনি নিজে সবসময় ব্যবস্থা নিতে পারেন না।

আগের ওষুধে আমি হাত দিই না

পায়ের এই সমস্যার অনেক আগে থেকে অন্য ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ আমি রোজ খাই। সেই ওষুধ এই জ্বালার প্রশ্নের অংশ নয়, অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষায় সেগুলো আমি নাড়াচাড়া করব না। এক সপ্তাহ ভালো গেলেই ডোজ কমানো যায় না, খারাপ রাত গেলেই বাড়ানোও যায় না।

সব চলবে ঠিক যেভাবে লেখা আছে, যে সময়ে লেখা আছে সেভাবেই। কখনো বদল দরকার হলে সিদ্ধান্ত নেবেন যিনি প্রেসক্রিপশন লিখেছিলেন, আমাকে আর রিপোর্ট দেখে। নিউরোলজিস্টকেও আমি পুরো তালিকা জানিয়ে দেব, যাতে কোনো ওষুধ আড়ালে না থাকে।

সব সমস্যা এক তালিকায় থাকে না

সব সমস্যা নিউরোলজিস্টের কাছে যাওয়ার নয়। সেলাই লাগবে এমন কাটা, কিংবা অন্য ধরনের যত্ন লাগে এমন ফোলা, সেগুলোর জায়গা অন্য ডাক্তারের কাছে। ঘরে এমন কিছু হলে একই ডিরেক্টরিতে কক্সবাজারের জেনারেল সার্জনদের তালিকা আছে, দেখে নেওয়া যায়। সমস্যাটা আসলে কার কাছে যাবে, সেটা বুঝতে আরেকটা তালিকা পড়ে দেখতে খরচ হয় না।

বারান্দায় হাঁটতে হাঁটতে যা ভাবি

পা জ্বলে শুধু রাতেই। এতেই কি ডাক্তার দেখানো দরকার?

হ্যাঁ। রাতের পর রাত ফিরে আসা একটা ছাঁচ নিজেই একটা তথ্য, দিনে আপনি স্বাভাবিক থাকলেও। বিশেষজ্ঞরা এমন ছাঁচ ধরেই কাজ করেন।

দেখা করার আগে কী কী লিখে রাখব?

কোন কোন রাতে আসে, জ্বালাটা কতক্ষণ থাকে, কী করলে কমে। আমার ক্ষেত্রে হাঁটা। আগের রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও সঙ্গে রাখুন।

প্রথম দেখাতেই কি কারণটা জানা যাবে?

যেতেও পারে, নাও পারে। আগে গল্প আর পরীক্ষা। রিপোর্ট দেখা শেষ হওয়ার আগে পাকা কথা নাও মিলতে পারে।

টান হয়ে শুলে বাড়ে। এমন ছোটখাটো বিবরণও কি বলা দরকার?

এগুলো বলার জন্যই তো যাওয়া। কোন ভঙ্গিতে, কোন সময়ে, কীসে কমে, এই বিবরণগুলোই বিশেষজ্ঞের পড়া ছাঁচ।

প্রতিবেশী একই জ্বালার ওষুধ খায়। তারটা খেয়ে দেখতে পারি?

না। তার ওষুধ তার ডাক্তার তার শরীর বুঝে দিয়েছেন। অন্যের ওষুধ খাওয়া সহজ পথ নয়, ঝুঁকি। নিজের প্রশ্ন নিয়ে নিজে যাওয়াই ভালো।

জ্বালা নয়, হঠাৎ কিছু: হঠাৎ বদল ঘটলে আজই হাসপাতালে যাওয়ার সংকেত কোনগুলো?

শরীরের বা মুখের একপাশ হঠাৎ দুর্বল হলে, কথা অদ্ভুত হয়ে গেলে, অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা করবেন না। চোখে দেখা চলে গেলে কিংবা কাঁপুনি না থামলেও তাই। সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিজের নিয়মিত ডাক্তার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.