সেরা জেনারেল সার্জন - কক্সবাজার

শার্টের ঘষায় প্রথম ধরা পড়ে

বয়স পঞ্চাশ, কক্সবাজারের দিকে লবণের ভেড়িতে কাজ করেন তিনি। গোটাটা তার পিঠের ওপরের দিকে, ঘাড় থেকে এক বিঘত নিচে। শুরুটা ছিল, যতদূর মনে পড়ে, আঙুলের ডগা দিয়ে ঢেকে ফেলা যায় এমন ছোট একটা ফোলা। সেটা বহু বছর আগের কথা। এরপর মৌসুমের পর মৌসুম ধরে ধীরে ধীরে বেড়েছে, তেমন কোনো ব্যথা ছাড়াই।

বদলটা ব্যথায় নয়। বদল ঘষায়। বোঝা ভরা ঝুড়ির ওপর ঝুঁকলেই শার্টটা দিনে শতবার গোটাটার গা ঘেঁষে যায়। সন্ধ্যা নাগাদ ওপরের চামড়া টনটন করে, লাল হয়ে ওঠে। বাড়ি এসে ছেলে একদিন চেপে দেখে সোজা বলল, গত বছরের চেয়ে বড়, তার আগের বছরের চেয়েও বড়।

ধীরে বাড়া জিনিস অকারণে অনেক ধৈর্য পেয়ে যায়। যে গোটা এখন প্রতিটা কাজের দিনে শার্টের সঙ্গে ঝগড়া করে, তাকে একবার সামনাসামনি দেখিয়ে নেওয়া দরকার। জেনারেল সার্জনের কাছে চামড়ার গোটা রোজকার কাজ। পরীক্ষা করে তিনি সাধারণত বলতে পারবেন, এটা রেখে দিলে চলবে নাকি বের করে ফেলা ভালো। কক্সবাজারে ডাক্তারদের তালিকায় জেনারেল সার্জন খুঁজুন। সঙ্গে নিয়ে যান পুরো হিসাবটা: কবে শুরু, কীভাবে বদলেছে, ঘষা লাগা শুরু কবে থেকে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

শার্টের ঘষায় প্রথম ধরা পড়ে

বছরের পর বছর বেড়ে চলাটা তাকে নাড়াতে পারেনি। নাড়িয়েছে নতুন বদল: সন্ধ্যায় চামড়া টনটনে হয়ে ওঠা, লবণের মৌসুমে ঘামে ভেজা শার্টের নিচে।

আঙুলের ডগার ফোলা থেকে পোশাক বেছে পরা পর্যন্ত

একসময় মৌসুমে গোটাটার কথা তিনি ভুলেই যেতেন। এখন সকালে শার্ট বাছাই করেন ওটা মাথায় রেখে, ভারী কাজের দিনে নরম কাপড়। ঘুমের সময়ও অল্প একদিকে কাত হয়ে শুতে শুরু করেছেন। কোনোটাই সিদ্ধান্ত হিসাবে নেননি তিনি। গোটার মতোই ব্যবস্থাগুলোও ধীরে ঢুকে পড়েছে জীবনে।

একবারের পরীক্ষায় সার্জন যা জেনে নেন

দেখাটা তাড়াহুড়োর নয়, মূলত হাতের কাজ। কত দিন ধরে আছে? সার্জন গোটাটার আকার ছুঁয়ে দেখবেন, নরম না শক্ত, চামড়ার নিচে নড়ে নাকি গভীরে আটকে আছে। ঘষা খাওয়া ওপরের চামড়াটাও দেখবেন। এই পরীক্ষা থেকেই বেশির ভাগ গোটা সোজা উত্তর পেয়ে যায়: নজরে রাখা যাবে, নাকি বের করা ভালো।

বের করতে হলে হবে পরিকল্পনা করে

বের করার পরামর্শ এলেও সেটা দৌড়ের কাজ নয়। আগে থেকে ঠিক করা, গোছানো প্রসিডিউর, ভেড়ির কাজ আর মৌসুম মাথায় রেখে। দেখানোর দিন সার্জন বলবেন গোটাটা কতটা বড়, কতটা গভীরে যেতে পারে। পরের দিনগুলোতে পরিশ্রমের মানুষের কাছে কী আশা করা যায়, তাও জানিয়ে দেবেন। সেই আলাপের আগে কিছুই চূড়ান্ত নয়।

চলমান ওষুধের সঙ্গে এই গোটার কোনো লেনদেন নেই

যে কারণেই হোক, ডাক্তার যে ওষুধ আপনাকে দিয়ে রেখেছেন, এই গোটা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সেই ওষুধ চলবে নিজের নিয়মেই। পরিমাণও ঠিক, সময়ও ঠিক। ধীর গোটার কারণে ওষুধ থামিয়ে দেওয়ার অনুমতি কারো নেই। যা লিখেছিলেন, বদলাতে পারেন একমাত্র সেই ডাক্তারই।

আগে ফিজিশিয়ানকে দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে নেবেন?

সেটাও যুক্তিসংগত পথ। একজন কক্সবাজারে জেনারেল ফিজিশিয়ান গোটাটা পরীক্ষা করে বছরের গল্পটা শুনতে পারবেন। বের করা বা দেখা দরকার মনে হলে সার্জনের কাছে পাঠিয়েও দেবেন। ওখান থেকে শুরু করলে কিছুই হারাবেন না। যা হারিয়েছেন নীরবে, তা কয়েকটা মৌসুম।

ধীর ভাবটা যখন ধীর থাকে না

পুরোনো ধীর নিয়মে চলা গোটা সাধারণ তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। স্বভাব বদলালে পারে না। হঠাৎ দ্রুত বাড়তে শুরু করলে চলতি সপ্তাহেই দেখানো দরকার। চামড়া ফেটে রক্ত বন্ধ না হলে সেদিনই। জায়গাটা গরম আর ব্যথা হয়ে উঠলেও তাই। সঙ্গে জ্বর এলে, কিংবা ভেতর থেকে কিছু বের হলে তারিখের অপেক্ষা নয়।

লবণের ভেড়ির ধারে দাঁড়িয়ে করা প্রশ্ন

বছরের পর বছর কোনো ঝামেলা ছাড়াই বাড়ল। এখন এত ভাবনা কেন?

কারণ বদলেছে আকার নয়, আচরণ। বড় হওয়া, ঘষা খাওয়া, সন্ধ্যায় টনটন করা: বদলটাই কারণ। চুপচাপ গোটা ধৈর্য দাবি করেছিল। এটা আর চুপচাপ নেই।

পিঠের সব গোটাই কি কেটে বের করতে হয়?

না। অনেক গোটাই সার্জন যেখানে আছে সেখানেই রেখে দেন, নজরে রেখে। আকার, গভীরতা, নড়ে কি না আর চামড়ার হাল মিলিয়ে সিদ্ধান্ত আসে। সিদ্ধান্ত পরীক্ষার পরে, আগে নয়।

নিজে দেখতে পাই না এমন জিনিস সার্জন বিচার করবেন কী করে?

ছোঁয়া আর দেখা মিলিয়ে: আকার, কতটা শক্ত, গভীরতা, নড়ে কি না। তার হাত যা শুরু করে, আপনার সময়ের হিসাব তা পুরো করে। বেশির ভাগ গোটার উত্তর প্রথম দেখাতেই মেলে।

বের করতে হলে কি কাজের দিন নষ্ট হবে?

আকার, গভীরতা আর জায়গা অনুযায়ী বদলায়, তাই সৎ উত্তরটা যিনি পরীক্ষা করেছেন সেই সার্জনের কাছেই আছে। দেখানোর দিন তাকে জিজ্ঞেস করুন, সেই উত্তরে ভেড়ির কাজ সাজান।

ওপরের চামড়া সন্ধ্যায় টনটন করে। এটাও কি সমস্যার অংশ?

হ্যাঁ, দেখানোর সময় মুখে বলা দরকার। রোজ ঘষা খাওয়া চামড়া সার্জনের পরামর্শ বদলে দেয়। এখনকার তফাতের এটাও অংশ।

কোন বদল দেখলে তারিখ না নিয়ে সেদিনই যাব?

রক্ত বেরিয়ে বন্ধ না হলে। জায়গাটা গরম আর ব্যথা হয়ে উঠলে। জ্বর এলে, ভেতর থেকে কিছু বের হলে, কিংবা বাড়াটা ধীর স্বভাব ছেড়ে জোর পেলে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.