সেরা মূত্ররোগ বিশেষজ্ঞ - চট্টগ্রাম

দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, ধারা মাঝপথে থেমে যায়

আমার বয়স ছেষট্টি, পঁয়ত্রিশ বছর প্রাইমারি স্কুলে পড়িয়ে এখন অবসরে আছি। আজকাল প্রস্রাব করতে হাত-মুখ ধোয়ার চেয়ে বেশি সময় লেগে যায়। দাঁড়িয়ে থাকি, কিছুই আসে না। শেষে যখন ধারা শুরু হয়, পাতলা আসে, মাঝপথে থেমে যায়, আবার অপেক্ষা করতে হয়। বেশির ভাগ রাতে দুইবার উঠতে হয়, অন্ধকারে দাঁড়িয়ে বাকিটা শেষ হওয়ার আশায় থাকি।

মেয়ে বেড়াতে এসে খেয়াল করল, বাথরুমে আমার সময় দিন দিন বাড়ছে। সে আমাকে আমাদের নিজের ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। তিনি সব কথা শুনলেন, আগের রিপোর্টগুলো ঘেঁটে দেখলেন। তারপর বললেন, ইউরোলজিস্টের কাছে যাওয়া দরকার। তিনি বুঝিয়ে বললেন, প্রস্রাব যে পথ বেয়ে শরীর থেকে বেরিয়ে আসে, সেই পথের যত্নের ডাক্তারই ইউরোলজিস্ট।

শুক্রবার বিকেলে মেয়ে পাশে বসে তাঁর ফোনে DoctorBD24 খুলল। আমরা চট্টগ্রামের ডাক্তারদের তালিকা খুললাম, সে নামগুলো জোরে জোরে পড়ে শোনাল, আমি কান পেতে শুনলাম। তাঁর বাড়ির কাছের একটা চেম্বার ঠিক হলো, যাতে সে সঙ্গে থাকতে পারে। পরের সপ্তাহে আমি ইউরোলজিস্টের মুখোমুখি বসলাম।

8 available specialists found

Dr. Hashmot Ali Mia

Qualifications MBBS, BCS (Health), MS (Urology), and FCPS (Surgery, C)
অবস্থান Chittagong, চট্টগ্রাম

Dr. Ujjal Barua (Apu)

Qualifications MBBS, BCS (Health), FCPS (Urology) Gold Medalist
অবস্থান Chittagong, চট্টগ্রাম

Dr. Anirban Ghose

Qualifications MBBS, MS (Urology)
অবস্থান Chittagong, চট্টগ্রাম

Dr. Md. Tanvir Rahman

Qualifications MBBS, MS (Urology), FMAS (India), DMAS (India)
অবস্থান ,

Prof. Dr. G. M. Zakir Hossain

Qualifications MBBS, FCPS (Surgery), FCPS (Urology), FRCS (Glassgow)
অবস্থান পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম

Prof. Dr. Kazi Md. Monwarul Karim Babor

Qualifications MBBS, MS (Urology)
অবস্থান পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম

Dr. Shiba Prasad Nandy (Emon)

Qualifications MBBS, BCS (Health), MS (Urology)
অবস্থান Chawk Bazar, চট্টগ্রাম

Prof. Dr. Md Saifuddin Ahmed Siddique (Suza)

Qualifications MBBS, MS (Urology), FACS (USA)
অবস্থান Chittagong, চট্টগ্রাম

দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, ধারা মাঝপথে থেমে যায়

ফাইল খোলার আগে শুধু প্রশ্ন

তিনি ফাইল দিয়ে শুরু করেননি, প্রশ্ন দিয়ে শুরু করলেন। ধারা শুরু হতে কতক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হয়? মাঝখানে কতবার থামে? রাতে কতবার উঠতে হয়, চাপ দিতে হয় কিনা? আমি ধীরে ধীরে উত্তর দিলাম, গত এক বছরের কথা মনে করে। বাড়িতে মেয়ে যা যা খেয়াল করেছে, সেগুলো সে যোগ করে দিল।

আমার পুরোনো ফাইলের প্রতিটা পাতা পড়লেন

প্রশ্ন শেষ হলে তিনি আগের রিপোর্টগুলো একটা একটা করে পুরো পড়লেন। তারপর তলপেটে আলতো হাত রেখে জিজ্ঞেস করলেন, ভরা ভরা লাগে কিনা। রিপোর্ট আর পরীক্ষা পাশাপাশি রেখে যা বোঝা যায়, আমার বোঝার মতো ভাষায় বললেন। তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না, তিনি জানিয়ে দিলেন।

তিনি যা লিখে দিলেন আমার জন্য

আগের ওষুধে তিনি হাতই দেননি, আমাদের ডাক্তার যেভাবে লিখেছেন সেভাবেই থাকবে। তাঁর নিজের ওষুধ গেল তাঁর নিজের কাগজে, আলাদা লাইনে, লেখা অনুযায়ী খেতে হবে। তিনি লিখতে লিখতে আমার মনে পড়ল, বাইরের বেঞ্চে বসে মেয়ের ফোনে চট্টগ্রামের জেনারেল সার্জনদের পাতা উল্টে দেখছিলাম অপেক্ষার ফাঁকে। কয়েক সপ্তাহ পর আবার দেখা হবে, তার আগে নতুন রিপোর্ট করিয়ে আনতে হবে। কখনো অপারেশন লাগলে তিনি স্পষ্ট করে বলবেন, আর কষ্টটা অন্য ডাক্তারের বিষয় হলে সেদিকেই পাঠিয়ে দেবেন।

মেয়ে পাশে বসে থাকতে যা জিজ্ঞেস করলাম

ধারা শুরু হতে এতক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় কেন?

তিনি বললেন, লম্বা অপেক্ষা, পাতলা ধারা আর মাঝে থেমে যাওয়া একই গল্পের অংশ। রিপোর্টে আরও পরিষ্কার হবে, তারপরই তিনি ঠিক করবেন কী বদলানো দরকার।

মাঝপথে থেমে আবার শুরু হয় কেন?

বিষয়টা তিনি যত্নে লিখে রাখলেন, কারণ এই ধরনটা তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ। কয়েক সপ্তাহ গুনে রাখতে বললেন, কতবার থামে, রাতে কতবার উঠতে হয়, সেই হিসাবটা পরের দেখায় তাঁকে জানাতে হবে।

রাতে দুইবার ওঠা কি থেকেই যাবে?

তিনি পুরোনো ঘুম ফিরে পাওয়ার আশ্বাস দেননি। নতুন রিপোর্টে কী ওঠে আর পরিকল্পনায় আমি কেমন সাড়া দিই, দেখে বুঝবেন। রাতের ঘুম একই রকম ভাঙতে থাকলে আগেই আসতে বললেন।

তিনি কি আমার আগের কোনো ওষুধ বন্ধ করে দিয়েছেন?

একটাও না। ওষুধগুলো আমাদের ডাক্তারের লেখা মতোই থাকবে, তাঁর নিজেরটা তাঁর কাগজে আলাদা। তিনি বললেন, প্রেসক্রিপশন অন্য ডাক্তারের কথা, অন্যের কথা তিনি মুছে দেন না।

নতুন রিপোর্টের পরের দেখায় কী হবে?

তিনি নতুন রিপোর্ট পুরোনোগুলোর পাশে রেখে পড়বেন, কী বদলেছে আমাকে জানাবেন। পরিকল্পনা বদলাতে হলে আমার সামনেই বদলে কারণ বুঝিয়ে দেবেন।

কখন মেয়েকে আমাকে সোজা হাসপাতালে নিতে হবে?

সারা রাত আর সকাল পেরিয়ে প্রস্রাব একদম না এলে, তলপেট টানটান হয়ে ব্যথা করলে, অপেক্ষা করা যাবে না। কাঁপুনিসহ জ্বর আর পিঠে বা পাশে গভীর ব্যথাও আরেক সতর্ক সংকেত। প্রস্রাব ঘন রক্তমেশা হয়ে এলে আর বের করতে সংগ্রাম করতে হলে সেদিনই যেতে হবে। তলপেটে বা কুঁচকিতে কড়া ব্যথা যেটা কমছে না, সেটা মানেও হাসপাতাল, বাড়ি নয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.