সেরা অর্থোপেডিক সার্জন - মানিকগঞ্জ

দাঁড়াতে গেলেই হাঁটুটা মাঝপথে আটকে যায়

বয়স আমার বাষট্টি। খাওয়া-দাওয়া এখনো মেঝেতে বসেই হয়, ছোটবেলা থেকে এই অভ্যাস। বসতে কোনো অসুবিধা নেই। বিপত্তি হয় ওঠার সময়। অর্ধেকটা ওঠার পর ডান হাঁটুটা হঠাৎ আটকে যায়, যেন ভেতরে কিছু একটা জায়গা থেকে নড়ে গেছে। তখন দুই হাতে হাঁটু ধরে ধীরে ধীরে সোজা করে নিতে হয়, তারপর পুরোপুরি দাঁড়াতে পারি। নাতি-নাতনিরা দেখে হাসে। আমার হাসি পায় না।

বহু বছর ধরে যে ডাক্তারের কাছে যাই, তিনি রিপোর্টগুলো দেখলেন, হাঁটুটা আস্তে আস্তে নেড়েচেড়ে পরীক্ষাও করলেন। তারপর বললেন, কোনো পরিকল্পনার আগে হাড় ও জয়েন্টের কাজ করেন এমন একজন সার্জন নিজে এই রিপোর্টগুলো পড়ে দেখুন। অপারেশন হয়তো লাগতে পারে, আবার নাও পারে। আমি আগেই ধরে নিইনি যে শেষে অপারেশনই হবে। নিজের হাঁটুর ব্যাপারে সার্জনের নিজের মতামতটাই শুনতে চাই, সিদ্ধান্ত হবে সেটা শোনার পরে।

মানিকগঞ্জ জেলার অর্থোপেডিক সার্জনদের তালিকা এই লেখার আরও নিচের অংশে রাখা আছে। অন্য কোনো বিভাগের ডাক্তার দরকার হলে মানিকগঞ্জের সব ডাক্তারের তালিকা থেকে জেলার সব বিভাগের ডাক্তার এক জায়গায় পেয়ে যাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

দাঁড়াতে গেলেই হাঁটুটা মাঝপথে আটকে যায়

আগের প্রেসক্রিপশন আগের মতোই চলবে

আমি যেসব ওষুধ এমনিতেই খাই, সেগুলো আগের ডাক্তারের দেওয়া নিয়মেই চলছে। হাঁটুর একটা সমস্যা এসে আরেকজন ডাক্তারের লিখে দেওয়া নিয়ম বদলে দেয় না। সার্জন যদি পরে কখনো মনে করেন অপারেশনই ঠিক পথ, তখন তাঁকে জিজ্ঞেস করব। ওই দিনের আগে কোন ওষুধগুলো কতদিন থামিয়ে রাখতে হবে, সেটা পরিষ্কার করে জানতে চাইব। তিনি না বলা পর্যন্ত নিজে থেকে কিছু বন্ধও করব না, বদলাবোও না। কোনো ওষুধ বদলানোর সিদ্ধান্ত যিনি তা লিখে দিয়েছেন, কেবল তাঁরই।

সব সমস্যা এই সার্জনের টেবিলে আসে না

হাঁটুর টানে আমি হাড় ও জয়েন্টের সার্জনের কাছে এসেছি, কিন্তু একটা পরিবারের সব সমস্যা তাঁর দেখার বিষয় নয়। পেটের গভীরে ব্যথা, কিংবা চামড়ার নিচে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকা গোটা, এসব দেখেন জেনারেল সার্জন। আমার সার্জন হাঁটু পরীক্ষা করে যদি বোঝেন এটা তাঁর বিষয়ই নয়, তিনি যেন সেটা খোলাখুলি বলে দেন। এই সাইটে জেনারেল সার্জনদের তালিকা আলাদা জায়গায় রাখা আছে: মানিকগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইল। দরকারের দিনে খোঁজাখুঁজি বাঁচাতে জায়গাটা আগে থেকে জানা ভালো।

হাঁটু যেদিন হাত দিয়েও সোজা হবে না

যে হাঁটু হাত দিয়ে আলতো করে সোজা করে নেওয়া যায়, সেটা ধীরগতির সমস্যা। কিন্তু কিছু বদল অন্য রকম। হাঁটু যদি শক্তভাবে আটকে যায় আর কোনোভাবে সোজা না হয়, সঙ্গে ব্যথা তীব্র হতে থাকে, সেটা সেদিনের হাসপাতালের বিষয়। হঠাৎ পা ভর নিতে না পারলেও তাই। আঘাতের পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ফোলা বাড়তে থাকলেও তাই। পায়ের অনুভূতি কমে গেলে কিংবা জ্বরসহ কোনো জয়েন্ট গরম হয়ে ফুলে উঠলেও একই কথা। তেমন দিনে নির্ধারিত তারিখের অপেক্ষা না করে হাসপাতালে যাবো, কাছাকাছি হলে নিজের পুরনো ডাক্তারের কাছেই যাবো।

মনে মনে যেসব প্রশ্ন ঘোরে

প্রতিবার ওঠার সময় একই জায়গায় হাঁটু আটকায় কেন?

কোন জায়গায় আটকায় আর হাত দিয়ে কী করে ছাড়ান, হুবহু সেভাবে বলুন। একই বিন্দুতে বারবার আটকানো থেকে তিনি ভেতরের অবস্থা সম্পর্কে অনেকটা আন্দাজ পান। নিজে নেড়ে পরীক্ষা করে তিনি সেটা রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন।

সারাদিন পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে কাজ করি। কাজটা চালিয়ে যাওয়া যাবে তো?

কাজের ধরনটা খুলে বলুন: কতটা ভার, কত ঘণ্টা দাঁড়ানো, কোথায় বসা যায়। তিনি তখন বলতে পারবেন কোন অংশ এখন চালানো যায়, কোন অংশে হাঁটুকে ছাড় দেওয়া দরকার। ঘরে বসে নিজে নিজে আন্দাজ করলে সেই হিসাব মেলে না।

মেঝেতে বসা চালিয়ে যাবো, নাকি চেয়ারে উঠে যাবো?

এটাও তাঁকেই জিজ্ঞেস করুন। প্রতিদিন কীভাবে বসেন আর ওঠেন, সেটাই তাঁর বিচারের অংশ। সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি অভ্যাস বদলাতে বলতে পারেন, আবার ছেড়েও দিতে পারেন।

রিপোর্ট পড়ে তিনি যদি বলেন অপারেশন লাগবে না?

তাহলে সেটাই তাঁর মতামত, আর সেটার ওজন আছে। পরীক্ষা করে অপারেশনের বদলে বিশ্রাম আর লক্ষ রাখার কথা যিনি বলেন, তিনিও তাঁর কাজটাই করেছেন। সব সৎ উত্তরেই অপারেশনের তারিখ থাকে না।

আমার রিপোর্ট কয়েক মাস আগের। তিনি কি দেখতেই চাইবেন না?

অবশ্যই সঙ্গে নিন। পুরনো রিপোর্টে দেখা যায় হাঁটুটা তখন কেমন ছিল, তারপর থেকে কতটা বদলেছে তিনি সেটা মিলিয়ে বুঝতে পারবেন। নতুন কিছু লাগলে পরীক্ষার পরে তিনিই বলবেন।

আজ সন্ধ্যায় হাঁটুটা একদম আটকে গেছে, হাত দিয়েও ছাড়ছে না। ব্যথাও প্রচণ্ড। আজ রাতেই কী করব?

জোর করে সোজা করতে যাবেন না, নির্ধারিত দিনের অপেক্ষাও করবেন না। তীব্র ব্যথাসহ আটকে যাওয়া হাঁটু, কিংবা হঠাৎ ভর নিতে না পারা পা, আজ রাতেই হাসপাতালের বিষয়। কাছাকাছি হলে নিজের নিয়মিত ডাক্তারও সেদিনের আরেকটা পথ। দেখা করার তারিখ পরে বদলানো যায়, এই রাতটা যায় না।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.