সেরা জেনারেল সার্জন - মানিকগঞ্জ

শাড়ির ভাঁজের নিচে লুকানো ফোলাটা

বয়স ছত্রিশ। মানিকগঞ্জে গৃহিণী তিনি, ফোলাটা তার উরুর সামনের দিকে, ঠিক যেখানে শাড়ির ভাঁজ পড়ে। প্রায় বছরখানেক আগে স্নানের সময় প্রথম টের পেয়েছিলেন, চামড়ার নিচে শক্ত মতো একটা জায়গা। ব্যথা ছিল না। নিজেকে বুঝিয়েছিলেন কিছু না, তারপর দিনের কাজে ফিরে গিয়েছিলেন।

বছরখানেক সেভাবেই কেটে গেছে, কিন্তু হিসাব বদলে গেছে। ফোলাটা এখন আগের চেয়ে বড়, ধীরে হলেও পরিষ্কারভাবে, গত বছরের স্মৃতির সঙ্গে মেলালেই বোঝা যায়। ভাঁজ এখনও সবার চোখ থেকে ওটা লুকিয়ে রাখে। লুকাতে পারে না শুধু ছাদে ওঠার সিঁড়িতে সেই পাশে টান লাগাটা, যেখানে কাপড় শুকায় আর পানির ট্যাংক বসানো।

বছর ধরে বেড়ে চলা ফোলা স্মৃতির সঙ্গে মেপে বোঝার বিষয় নয়, অভিজ্ঞ হাতে পরীক্ষা করানোর বিষয়। একজন জেনারেল সার্জন একবারের দেখায় এর আকার, ধার আর গভীরতা ঠিকমতো বিচার করতে পারবেন। মানিকগঞ্জে ডাক্তারদের তালিকা থেকে সংসার থেকে সময় বের করা যায় এমন ঘণ্টায় সার্জারি বিশেষজ্ঞের সময় নিন। প্রথম কবে টের পেয়েছিলেন তা বলবেন। সিঁড়িতে টান লাগা কবে থেকে শুরু হলো, তাও জানাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

শাড়ির ভাঁজের নিচে লুকানো ফোলাটা

বাড়ির আর কেউ জানে না ওটা ওখানে আছে।

বছরখানেক চোখের সামনেই লুকিয়ে

লুকিয়ে রাখাটা কখনো পরিকল্পনা ছিল না। ভাঁজ যেখানে পড়ার সেখানেই পড়ে, আর গৃহিণীর দিনে নিজের জন্য নিরিবিলি মিনিট কমই মেলে।

চুপচাপ থাকা মানেই থিতু হওয়া নয়। এখন তিনি ওটা আগের চেয়ে বেশি টের পান। মেঝেতে আসন পেতে বসলে চাপ লাগে।

সিঁড়িই প্রথম তাকে কিছু জানাল

ছাদের সিঁড়িই সেই জায়গা যেখানে তিনি তর্ক করতে পারেন না। ভেজা কাপড়ের ঝুড়ি নিয়ে অর্ধেক উঠলেই ফোলার পাশটায় টান আসে, প্রতিবার। তীব্র ব্যথা নয় এটা। এটা এমন এক মনে করিয়ে দেওয়া, যার হিসাব করে তিনি এখন মাঝে মাঝে ঝুড়িটা ল্যান্ডিংয়ে রেখে জিরিয়ে নেন।

যে লক্ষণ নিজের বাড়িতেই চলাফেরার ধরন বদলে দেয়, তা অপেক্ষার পর্ব পেরিয়ে গেছে। ফোলাটায় এখনও ব্যথা না থাকলেও এই কথা খাটে।

আন্দাজের চেয়ে হাতে অনুভব করা ভালো

দেখানোর সময় সার্জন ফোলাটা যত্নে অনুভব করবেন, দাঁড় করিয়ে আবার শুইয়েও পরীক্ষা করতে বলতে পারেন। আকার, ধার, শক্তভাব আর নিচের পেশির সঙ্গে নড়াচড়া, সব মিলিয়েই তার বিচার তৈরি হয়।

সেই ঘরে কল্পনা থেকে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। অনেক ফোলার ক্ষেত্রে শুধু মাঝে মাঝে নজরে রাখলেই চলে। সৎ সার্জন অপারেশন উত্তর না হলে তাও সরাসরি বলে দেবেন।

সার্জন দেখানো বড় ধাপ মনে হলে

অন্য কেউ দেখতে পায় না এমন কিছুর জন্য বিশেষজ্ঞের সময় নেওয়া নাটকীয় মনে হতে পারে। কিন্তু সেটাই আপনার প্রথম পদক্ষেপ হতে হবে, এমন নয়। একজন মানিকগঞ্জে জেনারেল ফিজিশিয়ান ফোলাটা অনুভব করে আকার লিখে রাখতে পারবেন, প্রথম পরীক্ষায় প্রশ্ন উঠলে সার্জনের কাছে পাঠিয়েও দেবেন।

তার বাকি প্রেসক্রিপশন যেমন ছিল তেমনই চলবে

অন্য কোনো কারণে কোনো ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ আপনি আগেই খেয়ে থাকলে এই ফোলার জন্য সেই ডোজের কিছু বদলাবে না। প্রতিটা ওষুধ ঠিক যেভাবে দেওয়া হয়েছিল সেভাবেই খেয়ে যান। সেই পরিকল্পনা নতুন করে ভাবার অধিকার শুধু চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তারের, আর কারও নয়।

যে বদল দেখানোর তারিখ আজকেই নিয়ে আসে

মাসের বদলে দিনের মধ্যে ফোলা দ্রুত বেড়ে যাওয়া মানে সেদিনই দেখানো। ওপরের চামড়া গরম, লাল বা ফেটে যাওয়াও তাই। সেই চামড়া থেকে রক্ত বেরিয়ে থামতে না চাইলেও সেদিনের কারণ। জ্বরের সঙ্গে দ্রুত বাড়া ব্যথা, বারবার বমি বা মাথা ঘুরে যাওয়ার মতো হলেও আজই আসা উচিত।

কাপড় ভাঁজ করতে করতে গুছিয়ে রাখা প্রশ্ন

কখনো ব্যথা হয়নি। ব্যথাহীন ফোলা নিয়ে ভাবব কেন?

ব্যথা এক ধরনের সংকেত মাত্র, আর এই ফোলা আরও সংকেত পাঠাচ্ছে। বছর ধরে বাড়া আর সিঁড়িতে টান, একবার ঠিকমতো পরীক্ষার জন্য এটুকুই যথেষ্ট কারণ।

সিঁড়িতেই প্রথম টের পেলাম কেন?

সিঁড়ি ভাঙলে উরুর পেশিতে জোর চাপ পড়ে, তাই ভেতরে বা আশপাশে থাকা যেকোনো কিছু চাপে আর টানে পড়ে। টান লাগা ঠিক কবে থেকে শুরু, তা সার্জনকে বলবেন, কারণ সময়টা তার কাজে লাগে।

প্রথম দেখাতেই তিনি এটা ফেলে দেওয়ার কথা বলবেন?

কিছু বলার আগে তিনি পরীক্ষা করবেন। অনেক ফোলা শুধু নজরে রাখলেই চলে। ফেলে দেওয়ার আলোচনা তখনই ওঠে, যখন পরীক্ষার ফল তা সমর্থন করে।

বছরখানেক লুকিয়ে রাখলাম। তিনি কি আমাকে অবহেলাপ্রবণ ভাববেন?

সার্জনরা প্রতি সপ্তাহে দেরি করে আসা রোগী দেখেন, তারা ফোলা বিচার করেন, মানুষ নয়। ধীরে বাড়ার বছরখানেকের কথা সৎভাবে বলা উপকারী তথ্য, স্বীকারোক্তি নয়।

তিনি আসলে হাত দিয়ে কী করবেন?

ফোলাটায় আলতো চাপ দিয়ে ঘুরিয়ে দেখবেন, দাঁড়ানো আর শোয়া অবস্থা মেলাবেন, আকার আর ধার লিখে রাখবেন। সময় লাগে কম, আর চাইলে প্রতিটি ধাপ মুখে বলতেও বলতে পারেন।

কী ঘটলে এই ধীর অপেক্ষা আজই শেষ করতে হবে?

ফোলা মাসের বদলে দিনে দিনে দ্রুত বেড়ে গেলে। ওপরের চামড়া গরম, লাল হয়ে গেলে বা ফেটে গেলে। রক্ত বেরিয়ে থামতে না চাইলে। এর যেকোনো একটা দেখা দিলে আজই আসুন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.