সেরা নিউরোসার্জন - কক্সবাজার
মাথাব্যথার সঙ্গে এক চোখ ঝাপসা হয়ে আসে
আমার বয়স পঁয়তাল্লিশ, আমি সমুদ্রসৈকতের পাশের রাস্তায় আমাদের পারিবারিক দোকানের হিসাব রাখি। মাথাব্যথাগুলো বলে কয়ে আসে না। কোনো মাসে দুইবার হয়, কোনো মাসে চারবার। মাঝপথে এসে ডান চোখের দৃষ্টি ম্লান হয়ে আসে, মনে হয় ধূসর একটা পর্দা অর্ধেক নেমে গেছে। কয়েক মিনিট থেকে তারপর আবার সরে যায়। শহরের এক ডাক্তার আমার মাথার রিপোর্ট দেখে বলেছেন, একজন সার্জনের নিজে সেগুলো পড়ে দেখা দরকার। তাই কক্সবাজারে একজন নিউরোসার্জন খুঁজছি। কিছুতে রাজি হওয়ার আগে তাঁর নিজের বিচারটা আমি শুনতে চাই।
প্রথম দশ মিনিটেই তিনি অপারেশনের কথা দেবেন কিংবা একেবারে বাদ দিয়ে দেবেন, এমন আশা আমি করি না। তিনি রিপোর্টগুলো নিজের চোখে দেখুন, আমার দৃষ্টি আর হাতের জোর পরীক্ষা করুন, এই অবস্থা আমার কীভাবে চলে তা জিজ্ঞেস করুন। যা পাবেন তাতে অপারেশন মানালে তিনি কারণগুলো ধীরে ধীরে বুঝিয়ে বলতে পারেন। সাবধানে অপেক্ষা করাটা ভালো পথ হলে আমি সেটাই শুনতে চাই। অপারেশন আমার ক্ষেত্রে একদমই না লাগলে মন হালকা করে বাড়ি ফিরব। আর নিউরোলজিস্টই আমার জন্য সঠিক ডাক্তার হলে তিনি সেটা সোজাসুজি বলে দিন।
কক্সবাজারে যেসব নিউরোসার্জন বসেন, তাঁদের তালিকা চেম্বারের বিবরণসহ এই পাতার নিচে দেওয়া আছে। শহরের অন্য সব ধরনের ডাক্তারের জন্য এই সাইটে কক্সবাজারের ডাক্তারদের পূর্ণ তালিকাটাও রাখা আছে, যেখানে সব বিভাগ একসঙ্গে পাওয়া যায়।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
মাথাব্যথার সঙ্গে এক চোখ ঝাপসা হয়ে আসে
যে কয়েক মিনিট পর্দা নেমে থাকে
মাথাব্যথাটা সাধারণত একদিক থেকে শুরু হয়, যে চোখটা পরে ঝাপসা হয় ঠিক তার পেছন দিকটায়। তারপর হিসাবের খাতার অঙ্কগুলো ধীরে ধীরে ঝাপসাতে থাকে। তখন কলমটা রেখে দিই। ক্রেতারা হয়তো ভাবেন আমি চোখকে বিশ্রাম দিচ্ছি। দৃষ্টি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত বসেই থাকি, কারণ ওই অবস্থায় গুদামঘরে হেঁটে যাওয়া ঝুঁকির মনে হয়। ঝাপসা ভাব চলে গেলেও মাথাব্যথা আরও কয়েক ঘণ্টা থাকে। সন্ধ্যা নাগাদ এমন ক্লান্ত লাগে, যেটা ঘুমেও যেন সারে না। এটা এতবার ঘটেছে যে সাধারণ ক্লান্তি বলে উড়িয়ে দেওয়া আমি ছেড়ে দিয়েছি।
আগে থেকে চলা ওষুধে কোনো বদল নয়
আমি নিয়মিত দুয়েকটা ওষুধ খাই, আর মাথাব্যথা খুব বেশি হলে ব্যথার জন্য কিছু একটা, সবই নিয়মিত ডাক্তারের নির্দেশে। সেই নির্দেশ যেমন আছে তেমনই থাকবে। সার্জনের কাছে যাওয়া হচ্ছে বলে কোনোটা নিজে থেকে বন্ধ করব না। প্রতিবেশীর পরামর্শে নতুন কিছু যোগও করব না। কখনো আমার অপারেশন ঠিক হলে সার্জনের কাছে খোলাখুলি জিজ্ঞেস করব, তার আগে কোন ওষুধগুলো বন্ধ রাখতে হবে। তিনি যা বলবেন, আমি ঠিক সেটাই মেনে চলব। প্রেসক্রিপশন বদলানোর কাজটা যিনি লিখেছেন তাঁরই, আমার নয়।
যা ঘটলে সোজা হাসপাতালের দিকে যাব
আমার এই অবস্থা একটা পরিচিত ছকে চলে, আর এতদিন প্রতিবারই ছকটা শেষ হয়েছে। ছকের বাইরে কিছু ঘটলে সেটা আমাকে অনেক বেশি ভয় পাওয়াবে। ঝাপসা ভাব কোনোদিন না সেরে থেকে গেলে ঘরে বসে অপেক্ষা করব না। শরীরের একদিক জুড়ে দুর্বলতা নেমে আসা, মুখ একদিকে টেনে যাওয়া, কথা ভুল বের হওয়া, এগুলো হাসপাতালের লক্ষণ। আগের সব মাথাব্যথার চেয়ে তীব্র কোনো ব্যথাও সেই দলে পড়ে। থামতে না চাওয়া কাঁপুনি কিংবা মাথায় হঠাৎ কুয়াশা নামলেও একই ব্যবস্থা। এর যেকোনো একটা ঘটলে সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত ডাক্তার। সার্জনের মতামত নিরাপদ কোনো দিনের জন্য তোলা থাকতে পারে।
তিনি যদি অন্য ধরনের ডাক্তারের কাছে পাঠান
তিনি সব পড়ে সৎভাবে বলতে পারেন, অপারেশন আমার জন্য পথ নয়। তখন পরের ধাপ হবে এমন ডাক্তার, যিনি মাথার সমস্যা ওষুধ আর নিয়মিত ফলো-আপ দিয়ে দেখেন। এই সাইটে কক্সবাজারের নিউরোলজিস্টদের নিজস্ব তালিকা আছে, তাঁর কাছে যাওয়া শেষ হলে আমি সেখানেই খুঁজব। আন্দাজে ঘোরার চেয়ে সার্জনের মুখে পথ বদলের কথা শোনা ভালো।
সঙ্গে নিয়ে যাওয়া প্রশ্নের খাতা
আরেকজন ডাক্তার এই রিপোর্ট দিয়েই আমাকে পাঠিয়েছেন। তিনি আলাদা কী করবেন?
অপারেশনটা তিনিই করতেন, তাই তাঁর পড়ে দেখার ওজন আলাদা। তিনি রিপোর্টগুলো নিজে পড়ে নিজের পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন।
ঝাপসা চোখ আর মাথাব্যথা কি দুটো আলাদা সমস্যা হতে পারে?
পড়া আর পরীক্ষার পর সেটা তাঁরই বিচার করার কথা। কোনটার পর কোনটা ঘটে, প্রতিবারই আমি ক্রমটা বলব। দুটো একসঙ্গে চলে কিনা তিনি ঠিক করুন।
দেখা করার আগে প্রতিটা ঘটনা লিখে রাখা কি উচিত হবে?
হ্যাঁ, আমি সেটাই করব ভাবছি। তারিখ, ঝাপসা ভাব কতক্ষণ ছিল, শুরু হওয়ার সময় আমি কী করছিলাম। শুধু স্মৃতির চেয়ে লিখে রাখা হিসাব তাঁকে বেশি কিছু বলবে।
তিনি অপেক্ষা করার পরামর্শ দিলে কী কী নজরে রাখতে বলবেন?
তিনি বলবেন কোন বদল দেখলে ঠিক করা দিনের আগেই ফিরে আসতে হবে। আমি তাঁকে নির্দিষ্ট করে বলতে বলব, যাতে কোনটা ফোন করার মতো তা আমি ঠিকঠাক বুঝি।
স্বামী কি পরামর্শের সময় পাশে বসতে পারেন?
আমি চাই তিনি থাকুন। একই ব্যাখ্যা দুজন শুনলে পরে বাড়িতে তা নিয়ে তর্ক কম হয়। রিপোর্ট আর আমার প্রশ্নের তালিকাটাও তিনি ধরে রাখতে পারবেন।
কোনোদিন ঝাপসা ভাব না সরলে তবু তাঁর চেম্বারের দিনের অপেক্ষা করব?
না। দৃষ্টি থেকে গেলে সেটা সেদিনই হাসপাতালে যাওয়ার ব্যাপার। একদিক হঠাৎ দুর্বল হওয়া আর কথা এলোমেলো হওয়াও তাই। তাঁর চেম্বারের দিন বদলানো যায়। এটা যায় না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.