সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - সাভার

মাথাব্যথা উঠলেই অন্ধকার ঘরে শুয়ে পড়ি

আমার বয়স আঠাশ। আমার মাথাব্যথাটা আসার আগেই আমি টের পেয়ে যাই। মাথার একপাশে ব্যথা বসে যায়, তারপর ধুকধুক করতে থাকে, মনে হয় হৃদস্পন্দনের সঙ্গেই তাল মিলিয়ে। আলো তখন চোখে সইতে পারি না, পর্দা টেনে দিয়ে সবচেয়ে অন্ধকার ঘরটায় শুয়ে পড়ি। বেশিরভাগ সময় এক-দুবার বমি হওয়ার পর ব্যথাটা হালকা হতে থাকে। তারপর ঘণ্টার পর ঘণ্টা চুপচাপ শুয়ে থাকি, যতক্ষণ না ধুকধুকানি ছেড়ে যায়। এই দিনগুলো আসলে কীভাবে কাটে, সেটা একজন নিউরোলজিস্টকে নিজে শোনাতে চাই।

দেখা করতে গেলে আমি চাই গল্পটা ধারাবাহিকভাবে শোনা হোক। শেষ কবে ব্যথা উঠেছিল? মাসে কতদিন এভাবে নষ্ট হয়? বমি কি প্রতিবারই হয়, নাকি শুধু বেশি ব্যথার দিনগুলোতে? দুই বছর আগের একটা দেখানোর রিপোর্ট আমার কাছে আছে, সেগুলো সঙ্গে নেব, তিনি যেন আগে পড়ে নেন। তারপর তিনি আমাকে পরীক্ষা করবেন, যা জানা দরকার জিজ্ঞেস করবেন। সেদিনই সিদ্ধান্ত না দিলে আমার সমস্যা নেই। আর এই সমস্যা অন্য বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত মনে হলে তিনি যেন সরাসরি বলে দেন।

সাভারে যেসব নিউরোলজিস্ট চেম্বার করেন, এই পাতার নিচে তাঁদের তালিকা আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর বসার সময়সহ। আরও বিস্তৃত খোঁজের জন্য সাভারের ডাক্তারদের সাধারণ তালিকায় এলাকার সব ধরনের ডাক্তার পাবেন।

8 available specialists found

ডা. উজ্জ্বল মিয়া

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোমেডিসিন), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমআরসিপি (ইউকে), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমএসিপি (আমেরিকা), রিউমাটোলজিতে ইউলার সার্টিফাইড (সুইজারল্যান্ড), ডি-অ্যাজমা (লন্ডন), সিসিডি (বার্ডেম)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Sayeed Uddin Helal

Qualifications MBBS, MPH, MS (Neurosurgery)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Md. Ashrafuzzaman Khan

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology), CCD (BIRDEM), FCPS (Medicine, FP), and MACP (USA).
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Md. Bakhtiar Azam

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Md. Momenuzzaman Khan

Qualifications MBBS, MD (Neurology), MACP (USA)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Syeda Sabnam Malik

Qualifications MBBS (Dhaka), MD (Neurology)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Dr. Md. Habibur Rahman

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান সাভার, ঢাকা

Prof. Dr. Md. Towhidul Islam Chowdhury

Qualifications Neurology & Chest Specialist
অবস্থান সাভার, ঢাকা

মাথাব্যথা উঠলেই অন্ধকার ঘরে শুয়ে পড়ি

ব্যথা ওঠার সকালটা যেমন কাটে

একেকটা পর্ব আমার পুরো দিনটা দখল করে নেয়, ধাপে ধাপে। প্রথমে সতর্কতার ঘণ্টা: মাথার একপাশ শক্ত হয়ে ওঠে, ঘরের আলো তীক্ষ্ণ লাগতে থাকে। তারপর ধুকধুকানি বসে যায়, ফোন ধরাও বন্ধ করে দিই। মাঝখানে বমি এসে যায়। ব্যথা ছাড়ার পরও আমি স্বাভাবিক হই না। শরীর ঝিমিয়ে থাকে, অদ্ভুত ক্ষুধা পায়। পরের দিন সকালে আবার আমি আগের মানুষ, সব কাজ করি, যতদিন না এই চক্র আবার ফেরে। আজ ভালো, কাল বিছানায়, এই ফাঁকটাই মানুষকে বোঝানো সবচেয়ে কঠিন।

চেনা ব্যথা এক জিনিস, এই লক্ষণগুলো আরেক

আমার এই মাথাব্যথা আমার চেনা, এর ছন্দ আমি জানি, যতই অপছন্দ করি। কিন্তু কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো অচেনা, আর অচেনা লক্ষণ নিয়ে বাসায় বসে থাকব না। দেহের একদিক হঠাৎ শক্তি হারানো। মুখ একদিকে ঝুলে পড়া। কথা অদ্ভুত বের হওয়া। পূর্ণ জোরে নামা মাথাব্যথা, আমার সব ব্যথার চেয়ে তীব্র। থামতে না চাওয়া খিঁচুনি। হঠাৎ চোখে দেখতে না পাওয়া, কিংবা হঠাৎ সব গুলিয়ে যাওয়া। এর একটা ঘটলেই সেদিন আর বাসায় থাকা নয়, হাসপাতাল নয়তো নিয়মিত ডাক্তার।

আমার ওষুধ, আমার ইচ্ছায় নয়

অন্য একটা সমস্যার জন্য প্রতিদিন সকালে আমি একটা নিয়মিত ওষুধ খাই। এই মাথাব্যথা আমাকে সেই ওষুধ ওলটপালট করার অধিকার দেয় না। খারাপ দিনে বমি বমি লাগলেও ওষুধটা বাদ দিই না, ভালো দিন পরপর গেলেও নিজেকে সেরে গেছি ভেবে বন্ধ করি না। কোনোদিন ওষুধটা বদলাতে হলে যিনি লিখে দিয়েছেন, তিনিই আমাকে দেখে বদলাবেন। ততদিন ওটা যেমন আছে তেমনই থাকবে, আর নিউরোলজিস্টকে জানিয়ে দেব আমি কী খাই।

দরকার হলে সার্জন খোঁজার জায়গাটাও চেনা

আমার প্রথম গন্তব্য নিউরোলজিস্ট, আপাতত ভাবনা এখানেই শেষ। তবে খুঁজতে গিয়ে খেয়াল করেছি, এই ওয়েবসাইটেই সাভারের জেনারেল সার্জনদের আরেকটা তালিকা আছে। সেটা ব্যবহারের পরিকল্পনা আমার নেই। শুধু মাথায় রেখে দিয়েছি, রোজকার রাস্তার পাশের গেটের মতো। বিশেষজ্ঞ কোনোদিন অপারেশনের দিকে ইশারা করলে তালিকাটা কোথায় আছে, অন্তত সেটা জানা থাকবে।

ছোট ছোট প্রশ্ন, সোজা ভাষায়

ব্যথা সবসময় একপাশেই বসে। কোন পাশ, আর পাশ বদলায় কিনা, এটাও কি বলব?

বলব বলে ঠিক করেছি। ডান না বাম, একই পাশে থাকা না বদলে যাওয়া, এসব একসময় খুব ছোট বিবরণ মনে হতো। ধরনটা যদি গুরুত্ব পায়, তার খুঁটিনাটিও নিশ্চয়ই পায়।

প্রায় প্রতিবারই বমি হয়। এটা কি গল্পের অংশ, নাকি শুধু কষ্টের ব্যাপার?

আমি এটাকে গল্পের অংশই ধরব। কখন হয়, কতবার হয়, বমির পর ধুকধুকানি কমে কিনা। এর মানে তিনি বুঝবেন। আমার কাজ তাঁর শোনার আগেই পর্বটা কাটছাঁট না করা।

শব্দের চেয়ে আলো আমাকে অনেক বেশি কষ্ট দেয়। এমন বিবরণে কি কাজ হয়?

আমার ধারণা হয়, কারণ এতেই আমার ব্যথা সাধারণ ক্লান্তির মাথাব্যথা থেকে আলাদা হয়। পর্দা টানা, অন্ধকার ঘর, ফোন না ধরা, এগুলোই সেদিনের চেহারা।

ব্যথা গেলেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঝিমুনি থাকে। এই অংশটাও কি দেখানোর মধ্যে পড়বে?

অবশ্যই, ঝিমুনির সময়টুকু ধরনেরই অংশ। ব্যথার দিনটা তো যায়ই, তার পরের দিনের অর্ধেকটা যায় ক্লান্তিতে। পুরো হিসাব বলতে হলে সেরে ওঠার অংশটাও বলতে হবে।

বোন আমার দুটো পর্ব কাছ থেকে দেখেছে। তাঁর বর্ণনা কি কাজে লাগবে?

সে দেখেছে যা আমি পাই না: আমার মুখ, ছটফটানি, কতক্ষণ শুয়ে থাকি। ধরনটা আরেকজোড়া চোখে দেখা দরকার হলে তাঁর চোখ সৎ। সে ভেতরে বসতে পারবে কিনা, জিজ্ঞেস করে নেব।

ব্যথা ছাড়া আর কোন বদল দেখলে দেরি করা যাবে না?

যে বদল হঠাৎ আসে আর আমার চেনা ব্যথার মতো নয়। শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া, মুখ ঝুলে পড়া, কথা অদ্ভুত হয়ে যাওয়া। আগের যেকোনো ব্যথার চেয়ে তীব্র মাথাব্যথা, থামতে না চাওয়া খিঁচুনি, হঠাৎ দৃষ্টি উধাও, হঠাৎ সব গুলিয়ে যাওয়া। তখন অপেক্ষা শেষ: সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.