সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - ময়মনসিংহ
ঘুম ভাঙলেও হাত দুটো ঘুমিয়ে থাকে
আমার বয়স একষট্টি। আমার হাত দুটো আমার চেয়ে দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে। প্রতিদিন সকালে দুই হাতই মরা মরা লাগে, ভারী, যেন মোটা দস্তানা পরে আছি, খুলতেই পারছি না। প্রথম দিকে হাতে কোনো জোর থাকে না, কাপ ধরতে গেলেও বিশ্বাস হয় না। বিছানার পাশে ঝুলিয়ে ঝাঁকাই, এক হাত দিয়ে আরেক হাত ঘষি, ধীরে ধীরে অনুভূতিটা ফিরে আসে। সবচেয়ে বেশি হয় ঘুমের ঠিক পরেই। দিনের বেলা বিশ্রাম নিলে এমনটা হয় না। ময়মনসিংহে একজন নিউরোলজিস্ট খুঁজছি, যিনি বসে এই ধরনটা ঠিকমতো শুনবেন।
দেখা করতে গিয়ে আমি পুরো রুটিনটাই খুলে বলব, কারণ রুটিনটাই এখানে প্রমাণ। কখন শুরু হয়। অনুভূতিটা ফিরতে কতক্ষণ লাগে। কোনো কোনো সকালে বেশি হয় কিনা। নিউরোলজিস্ট প্রথমে এসব শুনবেন, কতদিন ধরে চলছে জানতে চাইবেন। সঙ্গে নেওয়া আগের রিপোর্টগুলো কোনো মত দেওয়ার আগে পড়ে দেখবেন। আঙুলের জোর পরীক্ষা করতে পারেন, ছোটখাটো জিনিস তুলতেও বলতে পারেন। ধরন আর কাগজপত্র একসঙ্গে না দেখে তিনি কিছু ঠিক করবেন না। আর যদি মনে করেন অন্য ধরনের ডাক্তারকে আগে শোনা উচিত, সেটা তিনি পরিষ্কার করে বলবেন।
ময়মনসিংহে যেসব নিউরোলজিস্ট বসেন, তাঁদের তালিকা এই পাতার নিচের দিকেই পাবেন। প্রতিটা প্রোফাইলে চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময় দেওয়া আছে। সব ধরনের ডাক্তার একসঙ্গে দেখতে চাইলে এই সাইটে ময়মনসিংহের ডাক্তারদের বড় তালিকাটাও রাখা আছে।
10 available specialists found
ডাঃ সত্যাধৃতি রায়
অধ্যাপক ডাঃ মানবেন্দ্র ভট্টাচার্য
অধ্যাপক ডাঃ মো. রেজাউল করিম তালুকদার (রঞ্জু)
Dr. Md. Jobayer Al Mahmud (Shimul)
Prof. Dr. Nurul Alam Bashar
Dr. Salah Uddin Ahmed
Dr. Uttam Kumar Sarker
Prof. Dr. Md. Jalal Uddin
Dr. Mohammad Kamruzzaman Swapan
ঘুম ভাঙলেও হাত দুটো ঘুমিয়ে থাকে
তাকে রাখা প্রেসক্রিপশন নিয়ে আন্দাজ চলে না
অনেক দিনের একটা সমস্যার জন্য আমার নিয়মিত ওষুধ চলে। এই মরা হাত সেই ওষুধে হাত দেওয়ার কোনো অজুহাত হতে পারে না। প্রেসক্রিপশনে যা লেখা, ডোজ ঠিক সেটাই, সকালে আর সন্ধ্যায়। হাত অবশ জাগলেই বেশি লাগবে, তা নয়। হাত পরিষ্কার থাকলেই বাদ দেওয়া যাবে, তাও নয়। বদল লাগলে যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন, তিনিই আমাকে দেখে, পুরো কথা শুনে ঠিক করবেন। আমার কাজ শুধু লেখা মতো খাওয়া, আর যা টের পাই তা ঠিকঠাক জানানো।
অবশ হাত ধীরে আসে। এই চিহ্নগুলো আসে না
আমার সকালের অবশভাবটা আসে ধীরে ধীরে, হামলে পড়ে না। যেগুলো হামলে পড়ে, সেগুলোর তালিকা আমার আলাদা। শরীরের একপাশ হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া, হাত কিংবা পা কথা না শোনা। মুখের একপাশ হঠাৎ ঝুলে পড়া। কথা হঠাৎ জড়িয়ে যাওয়া কিংবা এলোমেলো হওয়া, মুখ দিয়ে ভুল কথা বেরিয়ে আসা। আগের সব ব্যথার চেয়ে তীব্র মাথাব্যথা, হঠাৎ করে। কাঁপুনি শুরু হয়ে না থামা। এক চোখে কিংবা দুই চোখে হঠাৎ দেখা চলে যাওয়া। মাথা হঠাৎ ঘোলাটে হয়ে সহজ কথাও ধরতে না পারা। এর যেকোনো একটা মানেই সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো আমার নিয়মিত ডাক্তার।
আরেকটা তালিকা, শুধু জেনে রাখা
ছেলে জিজ্ঞেস করছিল, এমন হাত শেষ পর্যন্ত সার্জনের বিষয় হয়ে দাঁড়ায় কিনা। বললাম, আমি জানি না। দুশ্চিন্তা ধার করে লাভ নেই। তবে জেনে রাখতে দোষ নেই, এই সাইটে ময়মনসিংহের জেনারেল সার্জনদের নিজস্ব আলাদা তালিকা আছে। কোনো বিশেষজ্ঞ কোনোদিন সেদিকে যেতে বললে নামগুলো সেখানেই পাওয়া যাবে।
জমিয়ে রাখা প্রশ্নগুলো
সবসময় ভোরবেলাতেই সবচেয়ে বেশি হয় কেন?
নিউরোলজিস্টের কাছে প্রথমে এই সময়ের কথাটাই তুলব। অবশভাবটা আসে ঘুমের পেছনে, কাজের পেছনেও না, ঠান্ডার পেছনেও না। একা আন্দাজ না করে তাঁর মুখে শোনাই ভালো।
অনুভূতি ফিরতে কতক্ষণ লাগা স্বাভাবিক?
কোনো সকালে ঝাঁকানো আর ঘষায় কয়েক মিনিটেই ফিরে আসে, কোনো সকালে টানতে থাকে। যেদিন দেরি হয় ক্যালেন্ডারে দাগ দিয়ে রাখি, যাতে কথাটা শুধু ধারণা না হয়।
গত বছরের রক্তের রিপোর্টগুলো আছে। নিয়ে গিয়ে লাভ আছে?
যা আছে সব নিয়ে যাব। মত দেওয়ার আগে হাতে থাকা কাগজ দেখে নেওয়া বিশেষজ্ঞদের অভ্যাস। পুরনো কাগজ অনেক সময় এমন উত্তর দিয়ে দেয়, যা আমি জিজ্ঞেস করতেই জানতাম না।
তিনি কি শুধু শুনবেন, নাকি হাত পরীক্ষাও করবেন?
দুটোই আশা করি। আগে শোনা, তারপর মুঠোর জোর, তারপর আঙুলের ছোট ছোট কাজ। ভোরে কাপ ধরতে না পারা হাত শুধু শুনে ছাড়ার জিনিস নয়।
দিনের বেলা বিশ্রামে যে হয় না, সেটাও কি বলার মতো?
হ্যাঁ। যা দিয়ে হয় না, সেটাও ধরনের অংশ। ঘুমে হয়, চেয়ারে বসে বিশ্রাম নিলে হয় না। এই তফাতটা তাঁর কাছে অর্থ রাখতে পারে।
দুপুরে হঠাৎ এক হাত দুর্বল হয়ে গেলে আর কথা ভুল বের হলে কী করব?
সেটা আমার সকালের ধরন নয়, সেভাবে নেবও না। হঠাৎ দুর্বলতা আর কথা গুলিয়ে যাওয়া সেদিনের তালিকার চিহ্ন। সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.