সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - মানিকগঞ্জ

সন্ধ্যা হলেই চোখের পাতা নেমে আসে

আমার বয়স চৌত্রিশ। বাম চোখের পাতাটা যেন নিজের মতো করে চলতে শুরু করেছে। সকালবেলা দুই চোখই সমান খোলা থাকে, কেউ কিছু বুঝতেই পারে না। সন্ধ্যা নামলেই পাতাটা আস্তে আস্তে নেমে এসে চোখের অর্ধেকটা ঢেকে ফেলে। ছবিতে আমাকে দেখায় অর্ধেক ঘুমন্ত মানুষের মতো। খাওয়ার সময়ও একই কাণ্ড। খাবার শেষ দিকে চোয়াল ক্লান্ত হয়ে পড়ে, মনে হয় অনেকক্ষণ ধরে খাচ্ছি। আসলে কী হচ্ছে, কেউ আমাকে বলেনি। মানিকগঞ্জে একজন নিউরোলজিস্ট খুঁজছি, যিনি শুনবেন দিন গড়ালে অবস্থাটা কীভাবে বদলায়।

দেখা করতে গেলে আমি প্রথমে সময়ের কথাটাই বলব। কারণ এখানে সময়টাই আসল গল্প। সকালে সব স্বাভাবিক। বেলা বাড়লে ঝামেলাটা বাড়ে। রাতে ঘুমিয়ে সকালে আবার ঠিক, তারপর আবার সেই একই ধারা। নিউরোলজিস্ট প্রথমে এই পুরো ধরনটা শুনবেন। কতদিন ধরে চলছে, মুখের আর কোথাও এমন ক্লান্তি আসে কিনা, সেসব জিজ্ঞেস করবেন। আমার কাছে আগের রিপোর্ট থাকলে কোনো সিদ্ধান্তের আগেই সেগুলো পড়ে দেখবেন। চোখের পলক ফেলা কিংবা ওপরের দিকে তাকিয়ে থাকা, এসব তিনি নিজে দেখতেও পারেন। আর যদি মনে করেন এটা অন্য ধরনের ডাক্তারের বিষয়, সেটা যেন তিনি খোলাখুলি বলেন।

মানিকগঞ্জে যেসব নিউরোলজিস্ট বসেন, তাঁদের তালিকা এই পাতার নিচেই আছে। প্রতিটা প্রোফাইলে চেম্বারের ঠিকানা আর বসার সময় দেওয়া। আগে পুরো ছবিটা দেখতে চাইলে এই সাইটে মানিকগঞ্জের ডাক্তারদের পুরো তালিকাটাও পাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

সন্ধ্যা হলেই চোখের পাতা নেমে আসে

আরেকটা তালিকা ফোনে সেভ করে রেখেছি

বোন বারবার জিজ্ঞেস করে, শেষে যদি ব্যাপারটা সার্জনের হাতে যায় তাহলে কী হবে। উত্তর আমার জানা নেই, আগ বাড়িয়ে ভাবতেও চাই না। তবে জানা আছে, এই সাইটে মানিকগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকা আছে। কোনো বিশেষজ্ঞ কোনোদিন সেদিকে পাঠালে তালিকাটা কাজে লাগবে। আপাতত আমার পরিকল্পনা সোজা। একজন নিউরোলজিস্ট আমার মুখে শুনুন সারাদিনে চোখের পাতা কীভাবে বদলায়, আর চিবানোর ক্লান্তিটার কথাও। সেই শোনাটাই এখন দরকার।

চলতি ওষুধটা যেভাবে চলছে, সেভাবেই

আলাদা একটা কারণে আমার একটা ওষুধ নিয়মিত খেতে হয়। ওষুধটা অন্য রোগের জন্য, এই চোখের সমস্যার সঙ্গে তার কোনো লেনদেন নেই। চোখের পাতা নেমে আসাটা সেই ওষুধ নিয়ে নাড়াচাড়া করার কোনো কারণ নয়। একই ওষুধ, একই সময়ে, চোখ সেদিন যেমনই থাকুক। সকালবেলা ভালো লাগা মানেই ওষুধের কোর্স শেষ, তা নয়। সন্ধ্যায় চোখ ভারী লাগলেই নিজে থেকে একটু বাড়িয়ে খাওয়াও ঠিক নয়। বদল দরকার হলে যিনি ওষুধটা লিখেছেন, তিনিই আমাকে সামনে বসিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। বাড়িতে একা বসে আন্দাজে আমি কিছু করব না।

চোখের পাতা অপেক্ষা করতে পারে, এই চিহ্নগুলো পারে না

আমার প্রতিদিনের ধীর সমস্যাটা আর যেসব লক্ষণ অপেক্ষা করতে পারে না, দুটোকে আলাদা করে চিনতে শিখেছি। শরীরের একপাশ হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া। মুখের একপাশ হঠাৎ ঝুলে পড়া। কথা হঠাৎ এলোমেলো হয়ে যাওয়া, কিংবা কথা একদম বের না হওয়া। আগে কখনো হয়নি এমন ভয়ংকর মাথাব্যথা হঠাৎ আঘাতের মতো নেমে আসা। কাঁপুনি শুরু হয়ে কিছুতেই না থামা। দৃষ্টি হঠাৎ চলে যাওয়া, এক চোখে হোক বা দুই চোখেই। মাথার ভেতরটা হঠাৎ ঘোলাটে লাগা, কিছু ধরতে না পারা। এর যেকোনো একটা দেখা দিলে বুক করা তারিখের অপেক্ষা নয়, সোজা হাসপাতালে, নয়তো নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যাব।

মনে মনে ঘুরতে থাকা প্রশ্ন

পাতাটা সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করে কেন?

নিউরোলজিস্টের কাছে এটাই আমার প্রথম প্রশ্ন। সকালটা একদম স্বাভাবিক, সন্ধ্যায় আরেক রকম। এই ধরনটার মানে যিনি বোঝেন, তাঁর কাছ থেকে সহজ করে শুনতে চাই। নিজে নিজে আন্দাজ করে বসে থাকতে চাই না। প্রতিদিন একই সময়ে একই ছবি, এটা এমনি এমনি হচ্ছে বলে মনে হয় না।

কোন দিন পাতা সবচেয়ে বেশি নামে, লিখে রাখব?

ফোনে মোটামুটি লিখে রাখতে শুরু করেছি। কাজের চাপ বেশি যেদিন, ঘুম কম যেদিন, অনেকক্ষণ পড়াশোনা যেদিন। এর কোনটা আসলে গুরুত্ব পায়, সেটা আমার নোট দেখে নিউরোলজিস্টই ঠিক করবেন।

দুই বছর আগের চোখের রিপোর্ট আছে। সঙ্গে নেব?

নিয়ে যাবই। কোনো মত দেওয়ার আগে হাতে যা আছে তা দেখে নেওয়া ডাক্তারদের পছন্দ। পুরনো রিপোর্ট নিয়ে যেতে খরচ নেই, কোনো কোনো পরীক্ষা আবার করার ঝামেলাও বাঁচতে পারে।

তিনি কি দেখা করার সময় আমার চোখটা দেখবেন?

দেখতে পারেন। পলক ফেলা, কিছুক্ষণ তাকিয়ে থাকা, জোরে জোরে পড়া, এসব সহজ কাজের মধ্য দিয়েই ক্লান্তিটা কীভাবে বাড়ে তা ধরা পড়তে পারে। শুনতে ভয়ের কিছু মনে হয় না। বরং মনে হয় যত্ন করে দেখা হচ্ছে।

চিবানোর ক্লান্তি শুধু খাওয়ার শেষ দিকে আসে। এটা বলার মতো?

সময়ের ধরন নিয়ে কোনো তথ্যই ছোট নয়। চোখের পাতা আর চোয়াল, দুটোই দিন কিংবা খাবার এগোলে ক্লান্ত হয়। এই মিলটাই তো আমার চোখে পড়েছে, আর এটাই আমি বলতে চাই।

শরীরের একপাশ হঠাৎ দুর্বল হয়ে গেলে আর কথা এলোমেলো হলে কী করব?

তখন চোখের পাতার কথা পরে। একপাশ দুর্বল হওয়া, মুখ ঝুলে পড়া, কথা এলোমেলো হওয়া, এগুলো সেদিনেরই চিহ্ন। সেদিনই সোজা হাসপাতালে যাব, নয়তো নিয়মিত ডাক্তারের কাছে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.