সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ - কক্সবাজার

বাদ পড়া মাস, তারপর ভারী সেই দিনগুলো

স্টাফ রুমের দেয়ালে শিফটের রোটা ঝুলছে, আর তিনি সেটার দিকে তাকান সবার চেয়ে বেশি। তাঁর বয়স চৌত্রিশ, কক্সবাজারের সমুদ্রপাড়ের এক হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্কে তিনি কাজ করেন। তাঁর পিরিয়ড একটা অদ্ভুত ধারায় আটকে গেছে। দুই মাস কেটে যায়, নিজের ক্যালেন্ডারে কোনো দাগই পড়ে না। কখনো তিন মাসও। তারপর হঠাৎ একটা আসে, ভারী আর ব্যথাময়, আর সেই সপ্তাহটা হয় তাঁর মৌসুমের সবচেয়ে কঠিন সপ্তাহ।

সহকর্মীরা মনে করেন তিনি পারিবারিক কারণে শিফট বদলান। আসল কারণটা মুখে আসে না। ভারী সপ্তাহে তিনি ডেস্কে দাঁড়িয়ে অতিথিদের দিকে হাসেন, অথচ পা ব্যথা করে আর মন শুধু বিরতির মিনিট গোনে। একজন গাইনোকোলজিস্ট পুরো ধারাটা শুনতে পারেন, পরীক্ষা করতে পারেন, পুরনো রিপোর্টও দেখতে পারেন। শুরু করার ভালো জায়গা হলো কক্সবাজারের ডাক্তারদের তালিকা, যেখানে বাড়ির কাছের কাউকে বেছে নিতে পারবেন।

অনুমান অনেক দিন চলেছে। মাসের পর মাস নীরবতা, তারপর একটা ভারী আর ব্যথার সপ্তাহ, এই ধারাটার কিছু বলার আছে। একটা খোলামেলা কথা আর ঠিকমতো একটা পরীক্ষা দিয়েই আরেক মৌসুমের ভাবনার চেয়ে বেশি জানা যাবে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

বাদ পড়া মাস, তারপর ভারী সেই দিনগুলো

ফাঁকগুলো, তারপর ভারী সপ্তাহটা

ধারাটা বলা সহজ, বয়ে বেড়ানো কঠিন। লম্বা ফাঁকগুলোতে তিনি প্রায় ভুলেই যান। তারপর রক্তপাতটা আসে মনে থাকার চেয়ে ভারী হয়ে, ব্যথা এমন যে কোমর বেঁকে যায়। তিনি জীবনটা সাজান এমন এক ক্যালেন্ডার ঘিরে যার হিসাব মেলে না।

প্রথম ভিজিটে দুই বছরের সাইকেল নিয়ে প্রশ্ন আশা করুন। ফাঁকগুলো, ভারী মাসগুলো আর সঙ্গের ব্যথা, সবই তিনি জানতে চাইবেন। তারপর তিনি পরীক্ষা করবেন আর সঙ্গে আনা রিপোর্টগুলো দেখবেন। এসবের পরই তিনি বলবেন পরের ধাপে কী লাগতে পারে।

শিফট জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা

ফ্রন্ট ডেস্কের কাজ মানে দাঁড়িয়ে থাকা, হাসা, আর ইচ্ছে হলেই বসতে না পারা। ভারী সপ্তাহে তিনি প্রতিটা বিরতিতে প্রোটেকশন বদলান আর আশা করেন রোটায় শান্ত কাউন্টারটাই জুটবে। দুবার তিনি সহকর্মীর সঙ্গে শিফট বদলে নিয়েছেন, ব্যাখ্যা হিসেবে বানিয়েছেন পারিবারিক জরুরি অবস্থা।

তৃতীয় ভারী দিনের মধ্যে সন্ধ্যা নামলেই তাঁর মাথা হালকা লাগে, আর সেটা তিনি ডেস্কের পেছনে লুকিয়ে রাখেন। সেই ক্লান্তিটাও গল্পের অংশ। শুধু তারিখ নয়, দাঁড়িয়ে থাকা আর শিফটের কথাও গাইনোকোলজিস্টকে বলুন। তাতে আপনার মাসগুলো সম্পর্কে তাঁর ধারণাই বদলে যাবে।

যে রেজিস্টারে তিনি তারিখ লেখেন

বাড়িতে তিনি রেখেছেন হোটেলের প্রথম বছরের একটা পুরনো স্টাফ রেজিস্টার। পেছনের এক পাতার এক কোনায় তিনি পেন্সিলে মাসে মাসে তারিখ লিখে রাখেন। ফাঁকগুলো সেখানেই সবচেয়ে পরিষ্কার দেখা যায়। যাওয়ার সময় সেই পাতাটা, নয়তো তার একটা কপি, সঙ্গে নিন। বাড়িতে থাকা পুরনো রিপোর্টও নিয়ে যাওয়ার মতো।

নিয়মিত কোনো ওষুধ খেলে তার নামটা তারিখের পাশে লিখে রাখুন। ওষুধটা প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হুবহু খেয়ে যান। বদলাতে বা বন্ধ করতে পারেন শুধু যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন তিনিই। নিজে থেকে ডোজ কমানো-বাড়ানো কখনোই নয়।

সার্জারির চেকের কথা উঠলে

অনেকের ক্ষেত্রেই এমন ধারা গাইনোকোলজিস্ট নিজেই সামলান। কখনো পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন ওঠে যেখানে সার্জারির মতামতও দরকার হয়। তখন সাধারণত একজন জেনারেল সার্জনের সঙ্গে পরামর্শ করা হয়। সেই ধাপের কথা কখনো উঠলে কক্সবাজারের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে কাছাকাছি বিকল্পগুলো জেনে নিতে পারবেন।

ভারী রক্তপাতের সঙ্গে এসব লক্ষণ থাকলে আজই

শুধু ভারী মাসটা এলেই ভিজিট বুক করার কারণ হয়, ভয় পাওয়ার নয়। কিছু লক্ষণ সেই হিসাব বদলে দেয়। রক্তপাত যদি দ্রুত ভিজিয়ে দেয় আর থামতে না চায়, তাহলে আজই দেখাতে হবে। মাথা ঘোরা, কিংবা সত্যিকারে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, একই জরুরি তালিকায় পড়ে। সোজা দাঁড়াতে না পারার মতো তীব্র ব্যথাও তাই। এসবের কোনো একটা এলে শান্ত দিনের অপেক্ষা করবেন না।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

দুই-তিন মাস বাদ যায়, তারপর একটা খুব ভারী আসে। এটা কি দেখানোর মতো?

হ্যাঁ। ফাঁক আর ভারী মাস মিলিয়েই যে ধারাটা তৈরি, সেটাই তাঁর দেখা দরকার।

ভারী সপ্তাহটা আমার কাজের শিফটেই পড়ে। এ কথাটাও কি বলব?

বলুন, সবটাই। ধারাটা যেখানে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়, সেটা আপনার কাজের জায়গাতেই।

আমার তারিখগুলো একটা পুরনো রেজিস্টারে আছে। পাতাটা আনব, নাকি লিখে আনব?

যেকোনোটাই চলবে। ওই পাতার পরিষ্কার একটা কপি বয়ে নেওয়া সবচেয়ে সহজ।

প্রথমবার তাঁর সামনে বসলে কী হয়?

আগে তিনি আপনার ধারাটা শোনেন, তারপর পরীক্ষা করেন, তারপর বুঝিয়ে বলেন কী পেয়েছেন।

আমার নিয়মিত ওষুধগুলো কি অপরিবর্তিত চলবে?

হ্যাঁ, অপরিবর্তিত আর প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী হুবহু। বদলাতে পারেন শুধু যিনি ওষুধগুলো লিখে দিয়েছেন তিনিই।

আজ রাতে আবার শুরু হয়েছে, দাঁড়ালেই মাথা ঘুরছে। ছুটির দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করা যাবে?

না। ভারী রক্তপাতের সঙ্গে মাথা ঘোরা মানে আজই দেখানো, অপেক্ষা নয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.