সেরা স্ত্রীরোগ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ - কক্সবাজার

যে সামান্য রক্ত দেখলেই তিনি নিজেকে বোঝান, কিছু না

প্রথমবার তিনি খেয়াল করলেন স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরের সকালে হালকা একটু রক্তের দাগ। সামান্যই, এর বেশি কিছু না। মনে মনে বোঝালেন নিজেকে, হয়তো বয়সের জন্য, হয়তো কোথাও টান লেগেছে। কয়েক সপ্তাহ কেটে গেল, প্রায় ভুলেই গিয়েছিলেন। তারপর আবার একই ঘটনা, ঠিক একইভাবে। দ্বিতীয় দাগটা সারাদিন মাথা থেকে গেল না। রান্নাবান্না, ঘরের কাজ, সবার সামনে হাসিমুখ, ভেতরে শুধু একটাই ভাবনা।

কাউকে বলেননি তিনি। বোনকেও না, স্বামীকেও না। বললেই তিনি চিন্তায় পড়ে যাবেন, এমন সব প্রশ্ন করবেন যার জবাব তাঁর কাছেও নেই। একদিকে লজ্জা, আরেকদিকে আশা, চুপ করে থাকলেই হয়তো ব্যাপারটা নিজে নিজে মিলিয়ে যাবে। কিন্তু সুস্থ একজন মানুষের, বয়স চুয়াল্লিশ, এমনি এমনি দুইবার রক্ত যাওয়ার কথা না। শেষে এক রাতে ফোন হাতে চুপিচুপি খুঁজে একটা নাম ঠিক করলেন, যেটা পেয়েছিলেন কক্সবাজারের ডাক্তারদের তালিকা দেখতে গিয়ে।

মনের একটা অংশ এখনো বলে, দেখি আরেকটু অপেক্ষা করে। আর না ঘটলেই তো তিনি শুধু শুধু ভেবেছেন। কিন্তু আবার ঘটলে একই ভয়ে আরও কয়েক সপ্তাহ যাবে। তাঁর কাছে দুইবার আর কাকতালীয় ব্যাপার না। এটা একটা প্রশ্ন, আর এমন প্রশ্নের উত্তর অনুমানে হয় না। ডাক্তার যা-ই বলুন, জানাটা এই অপেক্ষার চেয়ে সহজ হবে বলেই মনে হয় তাঁর।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

যে সামান্য রক্ত দেখলেই তিনি নিজেকে বোঝান, কিছু না

দুইবার মানে কাকতালীয় নয়

ভিজিটে গিয়ে সোজা কথাগুলোই আগে বলুন। কবে কবে ঘটেছে, আর দুটোই যে স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরে, সেটা পরিষ্কার করে বলুন। গুছিয়ে বলার দরকার নেই। এমন কথা তিনি প্রায়ই শোনেন, সাজানো বক্তৃতার চেয়ে সত্যি কথাটাই তাঁর কাজে লাগে বেশি।

শোনার পর তিনি আপনাকে পরীক্ষা করবেন। সাধারণত তলপেটে আলতো হাতে দেখেন, দরকার হলে ভেতরের পরীক্ষাও করেন। প্রতিটি ধাপ আগেই বুঝিয়ে বলেন তিনি। আনা রিপোর্টগুলোও তিনি দেখবেন। প্রথম দিনেই কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। এই ভিজিট শোনা আর দেখার জন্য।

ক্যালেন্ডারে লিখে রাখা তারিখ দুটো

রান্নাঘরের ক্যালেন্ডারে পেন্সিল দিয়ে তারিখ দুটো দাগ দিয়ে রেখেছিলেন তিনি, ছোট্ট দাগ, কারো চোখে পড়ার মতো না। সেই তারিখ সঙ্গে নিয়ে যান, কাগজে হোক বা ফোনে। দুটো ঘটনার মধ্যেকার ব্যবধানটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবার কতটা রক্ত গেছে, মোটামুটি সেটাও।

নিয়মিত যেসব ওষুধ খান, প্যাকেট দেখে নামগুলো লিখে নিন। প্রতিটা ওষুধ ঠিক যেভাবে প্রেসক্রিপশনে আছে সেভাবেই খেতে থাকুন। যিনি ওষুধটা দিয়েছেন, শুধু তিনিই সেটা বদলাতে বা বন্ধ করতে পারবেন। পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও নিন। পুরনো রক্ত পরীক্ষার কাগজও নতুন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

যখন আরেকজনের চোখ দরকার হয়

এমন বেশিরভাগ ভিজিট শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই বিশেষজ্ঞের কাছেই থাকে। তবে কখনো কখনো পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন ওঠে যেটা সার্জারির বিষয়। তখন তিনি হয়তো একজন জেনারেল সার্জনকেও দেখাতে বলবেন। নামগুলো আগেভাগে দেখতে চাইলে কক্সবাজারের জেনারেল সার্জনদের তালিকা আছে। সেই ধাপ আদৌ আসবে কিনা, তা ঠিক হবে আপনার নিজের পরীক্ষার ফল দেখেই।

যে ছোট ছোট বিষয়গুলো ভিজিটটা সহজ করে দিল

বিশ্বস্ত কাউকে সঙ্গে নিন, তিনি বাইরে অপেক্ষা করলেও হবে। প্রশ্নগুলো আগে থেকে লিখে রাখুন, ডাক্তারের সামনে বসলেই সেগুলো মাথা থেকে উড়ে যায়। কাগজ ভোলে না।

বের হওয়ার আগে জেনে নিন এরপর কী হবে। কোনো রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা, নাকি নির্দিষ্ট তারিখে আবার আসতে হবে? কোন পরিবর্তন দেখলে আগেই ফোন করবেন, সেটাও জিজ্ঞেস করুন। পরিষ্কার উত্তর নিয়ে বের হলে মন অনেকটা শান্ত থাকে।

তৃতীয়বারের অপেক্ষা করবেন না

কিছু রক্ত যাওয়া বুক করা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে না। রক্ত যদি দ্রুত এসে প্যাড বা কাপড় ভিজিয়ে দেয়, সেদিনই চিকিৎসা নিন। মাথা ঘোরা, অজ্ঞান অজ্ঞান ভাব, কিংবা তলপেটে তীব্র ব্যথা যেটা কমছে না, এসব থাকলেও একই কথা। কাছের হাসপাতাল বা যেখানে তাড়াতাড়ি ডাক্তার পাবেন সেখানে যান, পারলে কাউকে সঙ্গে নিন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

মাত্র দুইবার রক্ত দেখেছি, তাও কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে। এতেই কি আসা দরকার?

হ্যাঁ। একদিনের অদ্ভুত ঘটনার পেছনে ছোটখাটো কারণ থাকতে পারে, কিন্তু দ্বিতীয়বার ঘটলে একবার পরীক্ষা করানো উচিত। অনুমানের বদলে তথ্য নিয়ে ফিরবেন।

প্রথম দিনই কি বিশেষজ্ঞ আমাকে পরীক্ষা করবেন?

সাধারণত হ্যাঁ, তবে আগে আপনার কথা শুনে নেবেন। প্রতিটি ধাপ তিনি বুঝিয়ে বলেন, অস্বস্তি লাগলে বললেই তিনি থামবেন।

ঘটনাটা স্বামীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার পরে ঘটেছে, এটা কি তাঁকে বলব?

অবশ্যই, সোজা ভাষায় বলুন। এই তথ্যটা তাঁর সিদ্ধান্তে কাজে লাগে, আর আপনার কথা ঘরের বাইরে যাবে না।

কথা বলার সময় স্বামী কি পাশে থাকতে পারবেন?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হ্যাঁ, আপনি চাইলে। অনেকেই স্বামী বা বোনকে সঙ্গে আনেন। পৌঁছে স্টাফদের জানিয়ে দিলেই হবে।

আমি প্রতিদিন সকালে একটা নিয়মিত ওষুধ খাই। সেটা কি খেতেই থাকব?

হ্যাঁ, ঠিক যেভাবে ডাক্তার বলেছেন সেভাবেই খেতে থাকুন। এই ভিজিটের কারণে নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না।

কোন ধরনের রক্ত গেলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা না করে আজই যেতে হবে?

রক্ত যদি দ্রুত এসে প্যাড ভিজিয়ে দেয়, অথবা সঙ্গে মাথা ঘোরা বা তলপেটে তীব্র ব্যথা থাকে। এমন দিনে তারিখের অপেক্ষা না করে সেদিনই যান।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.