সেরা জেনারেল ফিজিশিয়ান - মানিকগঞ্জ
সকালের প্রথম পা ফেলতেই ব্যথা
বয়স পঁয়তাল্লিশ। মানিকগঞ্জে নিজের জমিতে চাষবাস করেন, ভোর হওয়ার আগেই ওঠা তার বহুদিনের অভ্যাস। ইদানীং সকালটা শুরু হয় অন্যরকম যন্ত্রণা দিয়ে। বিছানা থেকে নেমে প্রথম পা ফেললেই গোড়ালিতে চিনচিনে ব্যথা ওঠে। দরজা পর্যন্ত হাঁটতে হয় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। অথচ ঘুম থেকে ওঠার আগপর্যন্ত পা একদম স্বাভাবিক থাকে।
মাঠে দু-চার পাক হাঁটার পর গোড়ালিটা ছেড়ে আসে। দিনটা প্রায় স্বাভাবিকই কাটে তখন। সমস্যা ফিরে আসে সন্ধ্যায়। ভেজা মাটিতে দাঁড়িয়ে আর আল বেয়ে হেঁটে দিন গেলে পায়ের পেছনের পেশি টান টান হয়ে ওঠে। বাড়ি ফেরার পথটা তখন সকালের চেয়ে লম্বা মনে হয়।
দিনের দুই মাথার দুই ব্যথা একসঙ্গে শোনা দরকার, আলাদা আলাদা নয়। এই কাজটার জন্যই জেনারেল ফিজিশিয়ান। একজন সাধারণ চিকিৎসক এক বসায় সকাল আর সন্ধ্যার দুই গল্পই শুনবেন, পা ভালো করে পরীক্ষা করবেন, প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো সেরে নেবেন। মানিকগঞ্জে ডাক্তারদের তালিকা থেকে মাঠের কাজের সঙ্গে মেলে এমন সময়ে বসেন, এমন একজনকে বেছে নিন। কোন কোন সকালে ব্যথাটা বেশি থাকে, খেয়াল করে গেলে কথা বলা সহজ হবে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
সকালের প্রথম পা ফেলতেই ব্যথা
এখন তিনি বিছানা ছাড়ার আগে মনে মনে প্রস্তুতি নেন। প্রথমে বসে থাকেন বিছানার কিনারায়। তারপর দরজার চৌকাঠ ধরে ধীরে ধীরে হাঁটেন। সারাজীবন মাঠে খাটা মানুষের পক্ষে নিজের পায়ের সঙ্গে এই বোঝাপড়া মেনে নেওয়া সহজ নয়।
দিনের দুই প্রান্তের দুই রকম ব্যথা
সকালের ব্যথাটা ধারালো, জায়গাটাও নির্দিষ্ট। গোড়ালির তলায় বিঁধে থাকে, পা ফেললেই জানান দেয়। হাঁটতে হাঁটতে শরীর গরম হলে সেটা ছেড়ে আসে। সন্ধ্যার ব্যথাটা অন্য চরিত্রের। দুই পায়ের পেছন দিক জুড়ে ছড়িয়ে থাকে, টান ধরা ভাব নিয়ে আসে ক্লান্তির সঙ্গে।
রাতের বিশ্রামে পেছনের পেশির টানটা কমে। কিন্তু সকালের সেই প্রথম ব্যথাটা তাতেও যায় না। নরম স্যান্ডেল পরে দেখেছেন। একদিন কাজ বন্ধ রেখেছেন। রাতে গরম পানিতে পা ডুবিয়েছেন। সবই সামান্য কাজ করেছে। দিনের ছবিটা বদলায়নি কোনোটিতেই।
যে ব্যথাকে আর স্বাভাবিক ধরা যাবে না
খাটুনির ব্যথা সাধারণত তারিখ নিয়ে দেখালেও চলে। কিন্তু কয়েকটা লক্ষণ মাঠে ফেলে রাখার জিনিস নয়। বুকে ব্যথা চেপে বসলে সেদিনই ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। হঠাৎ শ্বাস নেওয়া কষ্টের হয়ে উঠলেও অপেক্ষা নয়। অজ্ঞান হয়ে যাওয়াকে ক্লান্তি বলে চালিয়ে দেওয়া যাবে না। জ্বর উঠে নামতে না চাইলেও সেদিনই যেতে হবে। এর সঙ্গে হঠাৎ দুর্বলতা কিংবা হঠাৎ চিন্তা এলোমেলো হয়ে যাওয়াও আছে।
প্রথম দেখায় ডাক্তার যা যা করবেন
শুধু গল্প শুনে শেষ হবে না। ডাক্তার হয়তো হাঁটিয়ে দেখতে চাইবেন। কোন ব্যথা কবে থেকে, কীসে কমে, কীসে বাড়ে, এসব জানতে চাইবেন। কতটা পথ হাঁটলে থামতে হয়, সেটাও জিজ্ঞেস করবেন। পা আর গোড়ালি হাতে পরীক্ষা হবে।
আপনি কী পরে মাঠে যান, সেটাও এই আলোচনার অংশ। সঙ্গে সাধারণ পরীক্ষাগুলো হয়ে যাবে। তারপর ঠিক হবে কোনটা আগে দেখা দরকার। কোনটা নজরে রাখলেই চলবে। আর কোনো অংশ বিশেষজ্ঞের বিষয় কি না, তাও তখন বোঝা যাবে।
আগে থেকে ওষুধ চললে যা করবেন না
ব্যথা কমলেই ওষুধ ছেড়ে দেওয়ার অভ্যাসটা এখানে চলবে না। কোনো ডাক্তার ওষুধ দিয়ে থাকলে তা বলা নিয়মেই খেয়ে যেতে হবে। ভালো সকাল গেল বলে বাদ দেওয়া যাবে না। খারাপ দিন গেছে বলে বাড়িয়ে খাওয়াও যাবে না। ওষুধের পরিকল্পনা বদলানোর হলে বদলাবেন শুধু যিনি আপনার চিকিৎসা করছেন, তিনি।
মাঠের কাজের ফাঁকে ডাক্তার বেছে নেওয়া
আপনার ফাঁকা সময় ভোরে আর সন্ধ্যায়, তাই চেম্বারের সময়টাই আসল। বুক করার আগে প্রোফাইলে যোগ্যতা আর বসার সময় দেখে নিন। দেখা করার দিন কাজের একটা সকাল যেন নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন। সাক্ষাতে দুই ব্যথার কথাই বলুন। সকালের গোড়ালি আর সন্ধ্যার পেশির টান। একটা বাদ পড়লে ডাক্তার অর্ধেক ছবি নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কখনো অপারেশনের মতামত দরকার হলে ডাক্তার মানিকগঞ্জে জেনারেল সার্জনের কাছে পাঠাতে পারেন।
মাঠের কিনার থেকে ওঠা প্রশ্ন
প্রথম পা ফেললেই ব্যথা, হাঁটলেই কমে যায় কেন?
এই ধরনটাই একটা ইঙ্গিত। কখন ওঠে আর কখন ছাড়ে, সেটা জানলেই ডাক্তার বুঝবেন আগে কোনটা পরীক্ষা করবেন।
গোড়ালি আর পেছনের পেশির ব্যথা কি একই সমস্যা?
হতেও পারে, আবার দুটো আলাদা বিষয়ও হতে পারে। প্রথম দেখার কাজটাই হলো এটা আলাদা করে নেওয়া।
মাঠের খাটুনিতে এমন ব্যথা কি স্বাভাবিক নয়?
খাটুনির ছাপ শরীরে থাকেই। কিন্তু প্রতিদিন সকালে হাঁটার ভঙ্গি বদলে দেওয়া ব্যথা একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়া উচিত।
যাওয়ার আগে কী খেয়াল করে রাখব?
কোন সকালে ব্যথা বেশি, থামার আগে কতটা হাঁটা যায়, আর কোনটায় কোন ব্যথা কমে। কয়েকদিন খেয়াল করলেই হবে।
প্রথমবারেই কি অনেক পরীক্ষা লাগবে?
আগে পরীক্ষা করে দেখা। তার বাইরে কিছু লাগবে কি না, তা নির্ভর করবে ডাক্তার যা দেখবেন তার ওপর।
কোন লক্ষণে ফসলের অপেক্ষা না করে সেদিনই যাব?
বুকে ব্যথা, শ্বাস নেওয়া কষ্ট হয়ে যাওয়া, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, না-নামা জ্বর, কিংবা হঠাৎ দুর্বলতা বা মাথা গুলিয়ে গেলে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.