সেরা জেনারেল ফিজিশিয়ান - কক্সবাজার

বারো ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর পিঠ ব্যথা

বয়স চুয়াল্লিশ। কক্সবাজারের একটা হোটেলে কাজ করেন, সকালের ভিড় থেকে রাতের শেষ অতিথি পর্যন্ত পুরো সময়টাই কাটে পায়ের ওপর দাঁড়িয়ে। শিফটের দশম ঘণ্টা আসতে আসতে কোমরের নিচের দিকে একটা ভোঁতা ব্যথা বসে যায়। তীক্ষ্ণ কিছু নয়, কিন্তু থেকে যায়, আর বাড়ি পর্যন্ত সঙ্গেই আসে।

ঘুমের সময়টাতেই কষ্টটা তিনি সবচেয়ে বেশি টের পান। এপাশ-ওপাশ করে একটা আরামের ভঙ্গি খুঁজে নেন, ঘণ্টাখানেক পর ব্যথা নিয়েই ঘুম ভেঙে যায়। কোনো কোনো রাতে উঠে ছোট ঘরটায় হাঁটাহাঁটি করেন, যতক্ষণ না একটু হালকা লাগে। সকালে নিজেকে বয়সের চেয়ে বেশি বুড়ো মনে হয়, আর ক্লান্তি ছাড়ার আগেই শুরু হয়ে যায় পরের শিফট।

নিজেকে তিনি বোঝান, কাজটাই এমন, সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকলে ব্যথা হবেই। হতে পারে। কিন্তু যে ব্যথা প্রায় প্রতি রাতেই ঘুম ভাঙায়, সেটা আরও এক মাস আন্দাজের ওপর ছেড়ে দেওয়ার বিষয় নয়। একজন জেনারেল ফিজিশিয়ানের কাছে যাওয়াটাই হতে পারে ঠিক প্রথম পদক্ষেপ। তিনি পুরো গল্পটা শুনবেন, প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো করবেন। পরিষ্কার করে বলবেন শুধু বিশ্রামেই চলবে কিনা। কক্সবাজারে জেনারেল ফিজিশিয়ানদের তালিকা থেকে এমন একজনকে বেছে নিন, যার চেম্বারের সময় আপনার শিফটের সঙ্গে মেলে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

বারো ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর পিঠ ব্যথা

অনেকেই সারাদিন দাঁড়িয়ে কাজ করেন, তবু রাতে দিব্যি ঘুমান। তার দুশ্চিন্তাটা আরও নির্দিষ্ট। জুতা খোলার কয়েক ঘণ্টা পর, রাত তিনটায়ও ব্যথা থাকে কেন? শিফট শেষ হওয়া আর ব্যথা থেকে যাওয়ার এই ফাঁকটাই তিনি কোনোভাবে মেলাতে পারেন না।

শুধু দাঁড়িয়ে থাকাটাই পুরো গল্প নয়

তার কাজ মানে শুধু এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা নয়। লিফট ব্যস্ত থাকলে সিঁড়ি বেয়ে স্যুটকেস টানতে হয়। লবি ফাঁকা হলেই বিরতি মেলে, ব্যস্ত দিনে সেটা জোটেই না। এর সঙ্গে বাড়ির পাতলা তোশক আর বছরের পর বছর একই রুটিন মিললে চাপটা শুধু শিফটের চেয়ে অনেক বেশি হয়।

সহজ উপায়গুলো তিনি চেষ্টা করে দেখেছেন। ডেস্কে বসলে পেছনে একটা কুশন রাখা। অন্য জুতা পরে দেখা। করিডরে দাঁড়িয়ে হাত-পা টানাটানি। প্রতিটাই কিছুদিন অল্প করে কাজ করেছে। কোনোটাই রাতগুলো ঠিক করতে পারেনি।

প্রথম পরীক্ষায় যা যা হয়

সাধারণ চিকিৎসক শুরু করেন গল্প শুনে, কোনো স্ক্যান দিয়ে নয়। ব্যথাটা কবে থেকে? ঠিক কোথায় বসে, পা বেয়ে নামে কিনা? কিসে বাড়ে, কিসে কমে? তারপর প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো হয় ওই ঘরেই, আপনি শিফটের কথা বলতে বলতেই। এসব থেকে ডাক্তার ঠিক করেন কোন বিষয়টায় আগে নজর দিতে হবে। আরও কাছ থেকে দেখার প্রয়োজন হলে তিনি সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছেই পাঠাবেন, কোন দরজায় যাবেন সেটা আন্দাজ করতে হবে না।

যেসব লক্ষণে শুধু সহ্য করে যাওয়া যাবে না

কিছু লক্ষণ থাকলে পরিকল্পনাটাই বদলে যায়। পায়ে দুর্বলতা বা না-যাওয়া অবশভাবসহ পিঠের ব্যথা থাকলে দ্রুত দেখান। পড়ে যাওয়া বা জোরে আঘাতের পর নতুন ব্যথা এলেও তাই। বুকে ব্যথা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলেও সেদিনই চিকিৎসা নিন। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, নামতে না চাওয়া বেশি জ্বর, কিংবা হঠাৎ দুর্বলতা বা বিভ্রান্তির ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। কোনো ডাক্তার আগেই ওষুধ দিয়ে থাকলে সেটা ঠিক বলা নিয়মেই খেয়ে যান। কয়েক রাত একটু ভালো কাটল বলে নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করবেন না, পরিমাণও বদলাবেন না। সেই বদল শুধু চিকিৎসারত ডাক্তারই করতে পারেন।

হোটেলের শিফটের ফাঁকে সাক্ষাতের সময় বের করা

এমন চেম্বারের সময় খুঁজুন যা কাজের সময়ের বাইরে: ভোরবেলা বা ছুটির দিনে। বুকিংয়ের আগে প্রোফাইল আর যোগ্যতা দেখে নিন, রোগী দেখার সময়টা দুবার মিলিয়ে নিন। সাক্ষাতে পুরো শিফটের কথা সত্যি করে বলুন, ভারী জিনিস তোলা আর ভাঙা ঘুমসহ। জিজ্ঞেস করুন প্রথম পরীক্ষাটা কী হবে, আর কোন বদল দেখলে দ্রুত ফিরতে হবে। কখনো প্রক্রিয়া বা অপারেশনের মতামত দরকার হলে চিকিৎসক হয়তো কক্সবাজারে জেনারেল সার্জনের কাছে যেতে বলতে পারেন।

পিঠের ব্যথা নিয়ে কর্মজীবী মানুষের প্রশ্ন

এটা কি শুধু দাঁড়িয়ে থাকার জন্যই, নাকি আরও কিছু হতে পারে?

দাঁড়িয়ে থাকা অনেকটাই ব্যাখ্যা করে, কিন্তু প্রায় প্রতি রাতে ঘুম ভাঙানো ব্যথা তাতে ব্যাখ্যা হয় না। প্রথম পরীক্ষাতেই বোঝা যাবে বিষয়টা সাধারণ, নাকি আরও দেখার আছে।

ডাক্তার দেখানোর জন্য ছুটি নেওয়া সম্ভব না। কখন যাব?

অনেক চেম্বারই ভোরে বা সন্ধ্যায় বসে। ছুটির দিনের সঙ্গে মেলে এমন সময় বেছে নিন।

ডাক্তারকে প্রথমে কী বলব?

দিনের ছকটা দিয়ে শুরু করুন: শিফট কত লম্বা, কী ধরনের ভার তোলেন, আর রাতে ব্যথাটা কী করে। এসবেই ডাক্তারের বেশি কাজ হয়।

গেলেই কি আলাদা পরীক্ষা করতে দেওয়া হবে?

সবসময় নয়। ডাক্তার আগে আপনার কথা শুনবেন, নিজে পরীক্ষা করবেন। তারপর ঠিক করবেন বাড়তি পরীক্ষায় কিছু যোগ হবে কিনা।

ছুটির দিনে ব্যথাটা কমে যায়। তাহলে কি রেখে দেওয়া যায়?

বিশ্রামের দিনে কমে যাওয়াটা কাজের তথ্য। কিন্তু প্রতি শিফটে ফিরে এসে ঘুম নষ্ট করতে থাকলে একবার ঠিকমতো দেখিয়ে নেওয়াই উচিত।

কোন লক্ষণ দেখলে আজকেই চিকিৎসা নেব?

বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, নামতে না চাওয়া বেশি জ্বর, কিংবা হঠাৎ দুর্বলতা বা বিভ্রান্তি। এর যেকোনো একটা মানেই তারিখের অপেক্ষা নয়, আজকেই চিকিৎসা।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.