সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট - মানিকগঞ্জ

খাবার টেবিলে সবাই শুনতে পায় এমন গুড়গুড় শব্দ

বয়স ষাট। বাড়িতে দুপুরের খাওয়াটা এখন আর আগের মতো নিশ্চিন্ত সময় নয়। খাবারটা ঠিকমতোই নামে। ঝামেলা শুরু হয় খাওয়ার পরই: পেটের ভেতর থেকে গুড়গুড়, গড়গড় শব্দ, ঘরজুড়ে শোনা যায়। নাতি-নাতনিরা হেসে ওঠে। তিনি হাসেন না। মনে মনে শুধু চান, কেউ যেন খেয়াল না করে। যদিও জানেন, সবাই ঠিকই খেয়াল করেছে।

ব্যথা বলতে গেলে নেই বললেই চলে। পেটটা ভরা ভরা লাগে, একটু চাপ ধরে, আর সেই শব্দ বারবার। একা বাড়িতে থাকলে দিনগুলো কোনোমতে কাটে। কিন্তু আত্মীয় এলে বা শুক্রবারে সবাই একসঙ্গে খেতে বসলে তিনি অজুহাত খুঁজে প্লেট নিয়ে রান্নাঘরে চলে যান। খাওয়ার পর আপনার পেটও যদি এত জোরে শব্দ করে, বিষয়টাকে বাড়াবাড়ি ভাববেন না। একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট, মানে পেটের ডাক্তার, পুরো ধরনটা শুনে বুঝতে পারবেন কী পরীক্ষা করা দরকার। মানিকগঞ্জে ডাক্তারদের তালিকা থেকে পরিপাক বিশেষজ্ঞ দেখে নিতে পারেন। শব্দটা কখন আসে আর কোন খাবারে বাড়ে, সেসব তিনি মন দিয়ে শুনবেন। বারবার ফিরে আসা উপসর্গ চেপে রাখার সবচেয়ে বড় কারণ যেন লজ্জা না হয়।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

খাবার টেবিলে সবাই শুনতে পায় এমন গুড়গুড় শব্দ

শব্দটা শুরু হয় খাওয়ার এক ঘণ্টার মধ্যে। কোনোদিন বিশ মিনিট গুড়গুড় করে থেমে যায়। কোনোদিন চলে বিকেল পর্যন্ত, সঙ্গে পেট ফাঁপা আর টান টান ভাব। দুপুরের ভারী খাবারেই সবচেয়ে বেশি বাড়ে। হালকা নাশতায় শব্দ প্রায় হয়ই না। মাসের পর মাস তিনি এই হিসাব মাথায় রেখেছেন। তবু নিজে এর মানে বুঝে উঠতে পারেননি।

শব্দের বাইরে বিশেষজ্ঞ যা খেয়াল করবেন

খাওয়ার পর পেটে জোরে শব্দ হওয়া সাধারণ ব্যাপার, অনেক সময় ক্ষতিকরও নয়। বিশেষজ্ঞের প্রথম কাজ কোন ধরনটা স্বাভাবিক আর কোনটা ভালো করে দেখা দরকার, তা আলাদা করা। তিনি জানতে চাইবেন শব্দ কখন শুরু হয়, কতক্ষণ থাকে, কোন খাবারে বাড়ে। সঙ্গে আর কী থাকে তাও: পেট ভরা ভাব, ঢেকুর, পায়খানার ধরনে বদল। বাসায় পুরোনো রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিয়ে যান।

তবে কয়েকটা লক্ষণ কখনোই নিয়মিত সাক্ষাতের অপেক্ষায় রাখা যায় না। বমিতে রক্ত এলে, অথবা কফির গুঁড়োর মতো কিছু উঠলে সেদিনই চিকিৎসা নিন। কালো, আলকাতরার মতো পায়খানা হলেও দেরি না করে দেখান। খাবার গলায় আটকে যাওয়া, কিংবা গিলতে কষ্ট হওয়াও দেরি করার বিষয় নয়। চেষ্টা ছাড়া ওজন ঝরতে থাকা আর পেটে তীব্র ব্যথাও একই তালিকায় পড়ে। আগে থেকে কোনো ওষুধ চলমান থাকলে সেটা ঠিক আগের নিয়মেই চালিয়ে যান। কয়েকদিন শব্দ কম বলেই নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ বা বদল করবেন না। এই সিদ্ধান্ত নেবেন শুধু আপনার চিকিৎসারত ডাক্তার।

অতিথিদের থেকে আলাদা বসে খাওয়া

সরে যাওয়াটা ঘটেছে চুপচাপই। প্রথমে তিনি নিজে বসার আগে সবাইকে বেড়ে দিতে শুরু করলেন। তারপর প্লেট শেষ করা শুরু হলো রান্নাঘরে, চুলার পাশে দাঁড়িয়ে। ভিড়ের খাবারে তার অনুপস্থিতিতে পরিবার অভ্যস্ত হয়ে গেছে, তিনিও অভ্যস্ত গল্প-আড্ডা মিস করতে। যে উপসর্গ খাবার টেবিলে আপনার জায়গাটাই বদলে দেয়, সে ইতিমধ্যে অনেকটা কেড়ে নিয়েছে। বিশেষজ্ঞের কাছে তা পরিষ্কার করে বলা, একা একা বছরের পর বছর খাওয়ার তুলনায় অনেক ছোট পদক্ষেপ।

মানিকগঞ্জে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বেছে নেওয়া

এমন কাউকে বেছে নিন যার কাছে পরিবারের একটা দুপুরের খাওয়ার কথা তাড়াহুড়ো ছাড়া বলা যায়। বুক করার আগে প্রোফাইলে যোগ্যতা, চেম্বারের ঠিকানা আর দেখার সময় দেখে নিন। সাক্ষাতে সত্যি করে বলুন, এই শব্দটাই আপনাকে এনেছে, আর খাওয়ার কতক্ষণ পর শুরু হয়। জিজ্ঞেস করুন, প্রথমে কী দেখা হবে আর কোন বদল দেখলে দ্রুত আসতে হবে। কখনো অপারেশনের মতামত লাগলে ডাক্তার হয়তো মানিকগঞ্জে জেনারেল সার্জনের কথা বলতে পারেন। আপাতত পরিষ্কার করে একবার কথা বলাই আসল কাজ।

রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন

প্রতিবার খাওয়ার পর পেটে জোরে শব্দ হয়। এটা কি সত্যিই ডাক্তার দেখানোর কারণ?

কারণ, সপ্তাহের পর সপ্তাহ রোজই এমন হলে আর খাওয়া বা মেশার ধরন বদলাতে হলে। সহ্য করার বদলে একবার দেখিয়ে নেওয়া ভালো।

এই শব্দ মানেই কি বড় কোনো সমস্যা আছে?

শুধু শব্দে তা বলা যায় না। খাওয়ার পর শব্দ প্রায়ই স্বাভাবিকই হয়। পুরো ইতিহাস শুনেই বিশেষজ্ঞ ঠিক করবেন আর কিছু দেখা লাগবে কি না।

যাওয়ার আগে কী কী মনে করে রাখব?

কোন খাবারে শব্দ সবচেয়ে বাড়ে, খাওয়ার কতক্ষণ পর শুরু হয়, আর সঙ্গে পেট ভরা ভাব বা পায়খানার বদলের মতো আর কী থাকে।

কয়েকটা খাবারে বাড়ে। সেগুলো একদম বাদ দিয়ে দেব?

নোট করে রাখলে ডাক্তারের কাজে লাগে। অনুমানে বাদ দিতে গেলে আসল ধরনটা আড়ালে চলে যেতে পারে। আগে গুছিয়ে বলুন, পরামর্শ ডাক্তারই দেবেন।

প্রথম সাক্ষাতেই কি পরীক্ষা করতে হবে?

সবসময় নয়। ডাক্তার আগে আপনার কথা শুনবেন, পরীক্ষা করবেন। তারপর আপনার ইতিহাস বুঝে ঠিক করেন পরীক্ষা আদৌ লাগবে কি না।

কোন লক্ষণ দেখলে বুক করা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব না?

রক্তবমি, কালো আলকাতরার মতো পায়খানা, খাবার আটকে যাওয়া, কারণ ছাড়া ওজন কমা বা তীব্র পেটব্যথা। এর যেকোনো একটা দেখলে সেদিনই চিকিৎসা নিন।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.