সেরা শিশু বিশেষজ্ঞ - কক্সবাজার
রাতে চুলকানি, ঘুম উধাও
নয় মাসের মেয়ে ঘুমের মধ্যেও চুলকায়। ছোট ছোট আঙুল গালে ওঠে, হাঁটুর ভাঁজে ওঠে। সকালে উঠে দেখেন গালে নতুন আঁচড়ের দাগ। মেয়েও ঘুমাতে পারেনি ঠিকমতো, আপনিও না।
জায়গাগুলো চেনা। দুই গালে লালচে, খসখসে ছোপ। কনুই আর হাঁটুর ভাঁজে শুকনো, পুরু হয়ে যাওয়া চামড়া। কোনোদিন দেখতে একটু শান্ত, পরের দিন আবার বেড়ে গিয়ে চুলকানি শুরু।
মনে প্রশ্ন জমে আছে অনেক। খাবার থেকে হচ্ছে নাকি? সাবান থেকে? গরম থেকে, নাকি পোশাক থেকে? শুধু আন্দাজে এসবের উত্তর মেলে না। দেখতে একরকম ছোপের পেছনে কারণ থাকতে পারে একাধিক।
প্রথম দিকে হয়তো ভেবেছিলেন, গরমের জন্যই এমন হচ্ছে। কিন্তু দিন যায়, ছোপ কমে না। রাতের ঘুম ভাঙতে ভাঙতে এখন সবারই ক্লান্ত লাগে। তখন বোঝা যায়, আন্দাজের ওপর ছেড়ে না দিয়ে একবার দেখিয়ে নেওয়াই ভালো।
কক্সবাজারে শিশু বিশেষজ্ঞ প্রথমে চামড়াটা নিজে দেখবেন, তারপর এসব প্রশ্ন একে একে গুছিয়ে নেবেন। ছোপ কখন বাড়ে, তার আগে আশপাশে কী বদলেছিল, এমন ছোট্ট একটা হিসাব লিখে আনলে কাজ অনেক এগিয়ে যায়।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
পরীক্ষায় যা যা দেখা হয়
চামড়াটা পুরোপুরি দেখা হয়, শুধু সবচেয়ে খারাপ জায়গাটাই নয়। ছোপগুলো কোথায় কোথায় আছে, সেটা গুরুত্বপূর্ণ। এই বয়সে গাল, কনুইয়ের ভাঁজ আর হাঁটুর ভাঁজের ছোপ এক ধরনের গল্প বলে। সম্পূর্ণ অন্য জায়গায় ছোপ থাকলে ডাক্তারকে হয়তো অন্য কারণ খুঁজতে হয়।
তারপর আসে ধরন বোঝার প্রশ্ন। গরমের দিনে বাড়ে কিনা, ঘামলে বাড়ে কিনা। নতুন সাবান বা তেল ব্যবহার শুরুর পর থেকে খারাপ হলো কিনা। এখন কী খাচ্ছে, খাবারে নতুন কিছু যোগ হয়েছে কিনা। এগুলোর কোনোটাই দোষ ধরা নয়। প্রতিটা উত্তর শুধু বুঝতে সাহায্য করে, চামড়া আসলে কীসে বিরক্ত হচ্ছে।
এই পর্যায়ে অনেক বাবা-মা একটা শব্দ শোনেন, একজিমা। শিশুদের শুকনো, চুলকানিযুক্ত ছোপের এই ধরনটার জন্য ডাক্তাররা প্রায়ই এই শব্দটা ব্যবহার করেন। আপনার মেয়ের ক্ষেত্রে শব্দটা সত্যিই খাটে কিনা, সেই সিদ্ধান্ত ডাক্তার নেবেন তাকে দেখে। শুধু বর্ণনা শুনে কেউ সেটা ঠিক করে দিতে পারে না।
রোজকার যত্ন, সহজভাবে
কারণ খুঁজে বের করার পাশাপাশি নরম যত্ন চামড়াকে আরও শুকিয়ে যাওয়া থেকে বাঁচায়। গোসল সাধারণত ছোট করে, কুসুম গরম পানিতে করানো ভালো, সাবানও হালকা ধরনের আর কম করে। গরম পানি আর তীব্র সুগন্ধির জিনিস শিশুর চামড়া আরও শুকনো করে দেয়।
গোসলের পর চামড়া সামান্য ভেজা থাকতেই সাধারণ ময়েশ্চারাইজার লাগিয়ে দিলে আর্দ্রতা ধরে রাখতে সুবিধা হয়। এটাকে চিকিৎসা না ভেবে রোজকার যত্ন হিসেবেই দেখুন। ছোপের ওপর নরম, ঢিলেঢালা পোশাক পরালে খসখসে কাপড়ের চেয়ে ঘষা কম লাগে।
এর বাইরে ডাক্তার কিছু বললে সেই অনুযায়ীই চলুন। বাড়িতে থাকা কোনো ক্রিম তার চামড়ায় চলবে কিনা, ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করে নিন। দোকান থেকে আন্দাজে ক্রিম এনে ঘষলে ব্যথা চামড়া অনেক সময় আরও বিগড়ে যায়।
যেসব বদলে আবার দেখানো দরকার
কিছু বদল দেখলে দেরি না করে আবার দেখানো উচিত। ছোপ থেকে পানি বা রস ঝরলে, ওপরে খোসা জমলে, দেখিয়ে নিন। জ্বরের সঙ্গে চামড়ায় ব্যথা থাকলে সেটা আরও বেশি ভাবনার বিষয়। নরম যত্ন নিয়মিত করার পরও ছোপ ছড়িয়ে যেতেই থাকলেও আরেকবার দেখানো দরকার। কোনো জায়গা হঠাৎ গরম, ফোলা আর স্পর্শে ব্যথা হয়ে উঠলে পরের নিয়মিত ভিজিট পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না।
চামড়া ছাড়া মেয়ের বেড়ে ওঠা বা আচরণ নিয়ে আলাদা প্রশ্ন থাকলে সে দিকটা দেখেন কক্সবাজারে শিশু স্নায়ু বিশেষজ্ঞ।
বাবা-মায়ের সাধারণ প্রশ্ন
এটা কি একজিমা?
হতে পারে। শিশুদের এমন শুকনো, চুলকানিযুক্ত ছোপের জন্য ডাক্তাররা প্রায়ই একজিমা শব্দটা বলেন। তবে দেখতে একই রকম ছোপ অন্য কারণেও হয়। ডাক্তার চামড়া নিজে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।
আমার খাওয়ানো কোনো খাবার থেকে হয়নি তো?
না-ও হতে পারে, আর আন্দাজে খাবার বাদ দিতে যাবেন না। খাবারের ইতিহাস ডাক্তার অনেকগুলো বিষয়ের একটা হিসেবে দেখেন। না বুঝে খাবার বাদ দিলে বাড়ন্ত শিশু দরকারি পুষ্টি থেকে বঞ্চিত হতে পারে।
গোসলটা কীভাবে করাব?
শুরুতে ছোট করে, কুসুম গরম পানিতে গোসল রাখুন। হালকা সাবান অল্প করে ব্যবহার করুন, গায়ে ঘষে না মুছে আলতো করে চাপড়ে শুকান।
কোন ময়েশ্চারাইজার কিনব?
সাধারণত সাধারণ, সুগন্ধি ছাড়া ময়েশ্চারাইজারের দিকেই ইঙ্গিত থাকে। গোসলের পর আর দরকারমতো দিনে লাগাতে হয়। বাড়িতে যেটা আছে সেটা চলবে কিনা, ডাক্তারের কাছে জিজ্ঞেস করুন। নিয়মিত ব্যবহারটাই ব্র্যান্ডের নামের চেয়ে বড় কথা।
রাতে চুলকানি বাড়ে কেন?
গরম বিছানা আর আশপাশে মন ভোলানোর কিছু না থাকলে চুলকানি টের পাওয়া যায় বেশি। ঘুমের মধ্যে বাচ্চা নিজের অজান্তেই চুলকায়। নখ ছোট রাখলে আঁচড়ের ক্ষতি কমে। ঘুম ভাঙাটা নিয়মিত হয়ে গেলে ডাক্তারকে বলুন।
বড় হলে কি সেরে যাবে?
অনেক শিশুর চামড়া বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শান্ত হয়ে আসে। তবে নির্দিষ্ট কোনো বাচ্চার জন্য কথা দিয়ে বলা যায় না। এখন যা করা যায়, তা হলো ধরনটা বোঝা, নরম যত্ন চালিয়ে যাওয়া, আর বদল অনুযায়ী আবার দেখানো।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.