সেরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ - কুমিল্লা

শিশুর কিডনি নিয়ে কখন ভাবতে হবে

শিশুদের প্রস্রাবের ইনফেকশন বেশির ভাগ সময় অল্প ওষুধেই সেরে যায়। কিন্তু কারো কারো ক্ষেত্রে জ্বর ফিরে ফিরে আসে। সকালে ঘুম থেকে উঠে সন্তানের মুখ ফোলা দেখলে কিডনির দিকটা একবার ভালো করে পরীক্ষা করা দরকার।

শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞ শিশু ও কিশোরদের কিডনি আর প্রস্রাবের সমস্যা দেখেন। বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন আর নেফ্রোটিক সিনড্রোমে শরীর ফুলে যাওয়া তিনি দেখেন। প্রস্রাবে রক্ত আসা, বাচ্চার উচ্চ রক্তচাপ, এমনকি জন্মের আগে বা পরে স্ক্যানে ধরা পড়া কিডনির গঠনগত সমস্যাও এই চিকিৎসার আওতায় পড়ে।

কুমিল্লা ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে। এখানকার অনেক পরিবার প্রথমে এলাকার শিশু ডাক্তারের কাছেই যান। সেই প্রথম পরীক্ষাটাই জরুরি। সাধারণ প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপা আর একটা আলট্রাসনোগ্রামেই বোঝা যায়, বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া লাগবে কি না।

কুমিল্লার শিশু বিশেষজ্ঞদের তালিকা থেকে আপনার সুবিধামতো চেম্বার খুঁজে নিন। যাওয়ার সময় পুরনো সব রিপোর্ট সঙ্গে নিন, ড্রয়ারে পড়ে থাকা আলগা কাগজও। কিডনির চিকিৎসা মাসের পর মাস চলে, পুরনো রিপোর্টের সংখ্যাগুলোই অনেক সময় নতুন উপসর্গের কারণ বুঝিয়ে দেয়।

5 available specialists found

Dr. Sourav Saha

Qualifications MBBS and MD in Nephrology and currently serves as the Associate Professor and
অবস্থান কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা

Dr. Ripon Chandra Mazumder

Qualifications MBBS from Dhaka, followed by an MD in Nephrology and MACP in Medicine, reflecting his expertise in both general and kidney-related healthcare. Dr. Mazumder specializes in treating conditions such as chronic kidney disease, dialysis management, nephritis, hypertension, diabetic nephropathy, and general medicine-related illnesses. He currently serves as the Associate Professor and
অবস্থান লাকসাম, কুমিল্লা

Dr. Md. Maksud Ullah

Qualifications MBBS (SSMC), MD (Nephrology), MACP (USA)
অবস্থান লাকসাম, কুমিল্লা

Dr. Bablu Kumar Paul

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Nephrology)
অবস্থান কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা

Dr. Golam Mahabub Sikder

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Nephrology), CCD (BIRDEM), MACP (USA)
অবস্থান ,

কোন কোন সমস্যার চিকিৎসা হয় এখানে

শিশুদের কিডনির অসুখ বড়দের মতো নয়। নেফ্রোটিক সিনড্রোমে প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে যায় আর শরীর ফুলতে থাকে। গ্লোমেরুলোনেফ্রাইটিসে প্রস্রাবের রং চায়ের মতো হয়ে যায়, রক্তচাপও বেড়ে যেতে পারে। বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশন, বয়স পেরিয়ে গেলেও বিছানা ভেজানো, কিডনি ঠিকমতো কাজ না করা, এসবও এই বিশেষজ্ঞই দেখেন।

কোনো কোনো শিশুর গর্ভাবস্থার বা শৈশবের স্ক্যানে কিডনি বা প্রস্রাবের নালির গঠনে পার্থক্য ধরা পড়ে। শিশুটি তখন সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকতে পারে। তবু নিয়মিত ফলোআপ দরকার, কারণ নীরব সমস্যা ব্যথা ছাড়াই ধীরে ধীরে বাড়ে।

কখন দেখাতে যাবেন

সকালে সন্তানের মুখ, চোখ বা শরীর ফোলা দেখলে দেরি করবেন না। প্রস্রাব ফেনা ফেনা বা চায়ের রঙের হলে, কিংবা আগের চেয়ে অনেক কম প্রস্রাব হলে দ্রুত দেখান। জ্বরের সঙ্গে বারবার প্রস্রাবে জ্বালা বা ব্যথা হলেও পরীক্ষা জরুরি।

ছয়-সাত বছর পেরোনোর পরও বিছানা ভেজালে বকা না দিয়ে পরীক্ষা করান। খাওয়া ঠিক থাকার পরও বাচ্চার বাড়ন কম হলেও একবার দেখিয়ে নিন। শিশুর রক্তচাপ বেশি পাওয়া গেলে সেটা কখনোই ফেলে রাখার বিষয় নয়।

কুমিল্লায় ডাক্তার বাছাই

দেখুন, ডাক্তার নিয়মিত শিশুদের কিডনি ও প্রস্রাবের রোগী দেখেন কি না। আগে থেকে কারো অধীনে না থাকলে একজন শিশু বিশেষজ্ঞ প্রথম পরীক্ষা করে সঠিক ডাক্তারের কাছে পাঠাতে পারেন।

প্রস্রাবের পরীক্ষা আর আলট্রাসনোগ্রাম কোথায় হবে, রিপোর্ট কীভাবে ডাক্তারের হাতে পৌঁছাবে, জিজ্ঞেস করে নিন। বিদায়ের আগে পরের ফলোআপের তারিখটাও জেনে নিন। কিডনির চিকিৎসা ধাপে ধাপে চলে, তারিখ জানা থাকলে পরে দুশ্চিন্তা কমে। চাইলে ঢাকার শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞদের প্রোফাইলও একবার দেখে নিতে পারেন।

যাওয়ার আগে যা গুছিয়ে নেবেন

আগের প্রস্রাব ও রক্তের রিপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট আর পুরনো প্রেসক্রিপশন সঙ্গে নিন। শিশুর ওজন বা বাড়নের রেকর্ড থাকলে সেটাও নিন। বাচ্চা দিনে কতটা পানি খায় আর কতবার প্রস্রাব করে, খেয়াল করে লিখে রাখুন। শরীর ফুললে কোন দিন বেশি ফোলে, সেটাও লিখুন। এই ছোট তথ্যগুলো রোগের গতিপথ বুঝতে সাহায্য করে।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

সকালে শিশুর মুখ ফুলে যায়। এটা কি কিডনির সমস্যা?

হতে পারে। প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন বেরিয়ে গেলে সকালে চোখের চারপাশে ফোলা দেখা দেওয়া খুব সাধারণ লক্ষণ। তবে অ্যালার্জি বা ইনফেকশন থেকেও ফুলতে পারে। প্রস্রাব পরীক্ষা করলেই দ্রুত নিশ্চিত হওয়া যায়, তাই ফোলা ছড়িয়ে পড়ার অপেক্ষা করবেন না।

প্রথমে কোন কোন পরীক্ষা করতে দেবেন ডাক্তার?

সাধারণত প্রস্রাবের রুটিন পরীক্ষা ও কালচার, রক্তের ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনিন, কিডনির আলট্রাসনোগ্রাম আর রক্তচাপ মাপা হয়। এই প্রাথমিক পরীক্ষাগুলোতেই বেশির ভাগ প্রশ্নের উত্তর মিলে যায়। পরে কারো কারো বায়োপসি বা বিশেষ স্ক্যান লাগতে পারে, ডাক্তার কারণ বুঝিয়ে তারপরই সেটা করাবেন।

বাচ্চা রাতে বিছানা ভেজায়। চিন্তার কিছু আছে?

ছোট বয়সে এটা খুবই স্বাভাবিক, অনেকের নিজে নিজেই সেরে যায়। তবে ছয়-সাত বছর পেরিয়ে গেলে, বা শুকনো থাকার পর আবার শুরু হলে পরীক্ষা করান। প্রস্রাব পরীক্ষায় ইনফেকশনসহ অন্য কারণগুলো ধরা পড়ে।

বারবার প্রস্রাবের ইনফেকশনে কি কিডনি নষ্ট হয়?

হতে পারে, যদি ইনফেকশন ফিরে ফিরে আসে আর কারণটা কেউ খুঁজে না দেখে। ক্ষত ধীরে ধীরে, শব্দ ছাড়াই হয়। সময়মতো পরীক্ষা, সঠিক ওষুধ আর চিকিৎসার পর ফলোআপ প্রস্রাব পরীক্ষা করালে এই ঝুঁকি অনেক কমে।

নেফ্রোটিক সিনড্রোমের চিকিৎসা কত দিন চলে?

অনেক সময় কয়েক মাস, কখনো তার চেয়েও বেশি। প্রস্রাবে প্রোটিন কমার সঙ্গে সঙ্গে ওষুধের মাত্রা বদলায়। মাঝখানে শিশু সাধারণত ভালোই থাকে। তবে দীর্ঘ সময় ভালো থাকার পরও রোগটা ফিরতে পারে, তাই একবারের ভিজিটের চেয়ে নিয়মিত ফলোআপটাই আসল।

প্রথম ভিজিটে কী কী নিয়ে যাব?

প্রস্রাব ও রক্তের সব রিপোর্ট, আলট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট, পুরনো প্রেসক্রিপশন আর বাড়নের রেকর্ড থাকলে সেগুলো নিন। ফোলা, জ্বর বা প্রস্রাবের বদল চোখে পড়লে তারিখসহ লিখে রাখুন। চেম্বারে বসে মনে করার চেয়ে ছোট্ট একটা লিখিত নোট অনেক বেশি কাজে আসে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.