যোগাযোগের তথ্য
রোগীর রেটিং
আমাদের সম্পর্কে
কুচাইটলি রোডের পাশে এই ক্যাম্পাস
ময়নামতি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কুমিল্লার বারপাড়ায় অবস্থিত একটি বেসরকারি টিচিং হাসপাতাল।
সরকারি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের খুব কাছেই এই ক্যাম্পাসের অবস্থান।
জেলার নানা উপজেলা থেকে রোগীরা এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন।
কলেজ আর হাসপাতাল একই প্রাঙ্গণে চলায় পড়াশোনা ও সেবা পাশাপাশি চলে।
২০১১ সালে যাত্রা শুরু
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে ২০১১ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম এমবিবিএস ব্যাচের ক্লাস শুরু হয় ২০১২ সালের জানুয়ারিতে।
শুরুতে হাসপাতালের শয্যা ছিল ৩৭০টি।
এখন সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০০টিতে।
প্রতি বছর ১০০ জন শিক্ষার্থী এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি হন।
ডিগ্রিটি চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দেওয়া হয়।
বিভাগভিত্তিক চিকিৎসার ধরন
মেডিসিন আর সার্জারি বিভাগে প্রতিদিন অনেক রোগী ভর্তি থাকেন।
গাইনি ও প্রসূতি বিভাগে গর্ভকালীন সেবা আর প্রসবের ব্যবস্থা আছে।
ছোট রোগীদের জন্য আলাদা শিশু বিভাগ রয়েছে।
কিডনি রোগের জন্য আলাদা নেফ্রোলজি বিভাগ কাজ করে।
হৃদরোগ, হাড় আর নাক-কান-গলার চিকিৎসকেরাও এখানে বসেন।
চোখ, চর্ম আর মানসিক রোগের বিশেষজ্ঞরাও এই হাসপাতালে আছেন।
পোড়া রোগীর চিকিৎসায় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট কাজ করে।
দাঁতের চিকিৎসার জন্য ডেন্টাল বিভাগও চালু আছে।
রিপোর্টের কাজে প্যাথলজি ল্যাব আর রেডিওলজি বিভাগ পাশে থাকে।
ওয়ার্ডেই শেখেন ভবিষ্যৎ চিকিৎসকেরা
পাঁচ বছরের এমবিবিএস পাঠক্রম চলে জাতীয় সিলেবাস অনুসারে।
পরীক্ষার পর এক বছর তত্ত্বাবধানে ইন্টার্নশিপ করতে হয়।
ক্লিনিক্যাল বর্ষে শিক্ষার্থীরা ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ আর অপারেশন থিয়েটারে ঘুরে শেখেন।
যাঁরা ক্লাসে পড়ান, ওয়ার্ডের রাউন্ডেও তাঁরাই নেতৃত্ব দেন।
ছেলে ও মেয়েদের জন্য আলাদা হোস্টেল আছে ক্যাম্পাসে।
রোগী হিসেবে এলে
প্রথমে বহির্বিভাগের ডেস্কে গিয়ে আপনার সমস্যার কথা বলুন।
দিনের বেলার সিটিংয়েই বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ নতুন রোগী দেখেন।
আগের প্রেসক্রিপশন, রিপোর্ট আর ছাড়পত্র এক ফোল্ডারে গুছিয়ে আনুন।
বাইরে পরীক্ষা করার আগে জেনে নিন কোনটি এখানকার ল্যাবে হয়।
আসার আগে কুমিল্লার ডাক্তারদের পুরো তালিকা থেকে পছন্দের বিশেষজ্ঞ বেছে নিতে পারেন।
ঢাকা থেকে কুমিল্লার দূরত্ব সড়কপথে প্রায় ৯৬ কিলোমিটার।
ভর্তি থাকাকালীন পরিবারের জন্য
ভর্তি রোগীর সঙ্গে আসা স্বজনদের ডেস্ক থেকে নিয়ম জেনে নেওয়া ভালো।
রিপোর্ট তৈরি হতে সময় লাগলে কোন কাউন্টারে খোঁজ নেবেন, তা জিজ্ঞেস করে রাখুন।
ছাড়পত্রের সময় ফলোআপের তারিখ লেখা আছে কিনা দেখে নিন।
দূরের উপজেলা থেকে এলে হাতে বাড়তি সময় নিয়ে রওনা হোন।
শিশু রোগীর ক্ষেত্রে জন্মের কাগজ আর টিকার কার্ড সঙ্গে রাখুন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
ময়নামতি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কোথায়?
কুমিল্লার বারপাড়ায়, কুচাইটলি রোডে, সরকারি মেডিকেল কলেজের পাশে।
ময়নামতি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কি সরকারি প্রতিষ্ঠান?
না, এটি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চালু আছে ২০১১ সাল থেকে।
এই হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা কত?
ভর্তি রোগীদের জন্য এখানে এখন ৫০০টি শয্যা চালু আছে।
কোন কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ এখানে পাব?
মেডিসিন, সার্জারি, শিশু, গাইনি, কিডনি, হৃদরোগ, হাড়, চোখ, চর্ম আর মানসিক রোগের বিশেষজ্ঞ এখানে আছেন।
এখানে কি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের পড়ানো হয়?
হ্যাঁ, এখানে পাঁচ বছরের এমবিবিএস পড়ানো হয়, সঙ্গে এক বছরের ইন্টার্নশিপও হয়।
বিশেষজ্ঞ দেখাতে সিরিয়াল নেব কীভাবে?
এই পেজে দেওয়া নম্বরে ফোন করুন, অথবা এসে বহির্বিভাগের ডেস্কে জিজ্ঞেস করুন।
📍 অবস্থান
Open in Maps →Are you the Hospital Admin?
Claim this profile to easily manage listings, update information, and directly reach your patients.
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Showcase Your Excellence
Premium hospital placement.