যোগাযোগের তথ্য
রোগীর রেটিং
আমাদের সম্পর্কে
পরিচিতি
কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতাল ঢাকা বিভাগের কিশোরগঞ্জ জেলার সরকারি সদর হাসপাতাল। এটি আগে ১০০ শয্যার জেলা হাসপাতাল ছিল। পরে হাসপাতালটি উন্নীত করে ২৫০ শয্যা করা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তালিকায় এর সংগঠন কোড ১০০০০২৪৩।
স্বাস্থ্য তথ্য ব্যবস্থার হিসাবে হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ নামেও উল্লেখ করা হয়। ২০২৩ সালের শুরুর হিসাবে এক মাসে বহির্বিভাগে রোগী এসেছেন ৩২ হাজারের বেশি। ওই মাসগুলোতে প্রতি মাসে ভর্তি হয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার রোগী। সাম্প্রতিক হিসাবে প্রতিদিন ভর্তি রোগী থাকেন সাড়ে তিন শ থেকে চার শ জন।
বিভাগসমূহ
মেডিসিন ওয়ার্ডে জ্বর, ডেঙ্গু, ডায়াবেটিস ও বুকের রোগে রোগী ভর্তি হন। সার্জারি বিভাগে নিয়মিত অপারেশনের তালিকা চলে। অপারেশনের জন্য অ্যানেসথেশিয়া সেবা হাসপাতালের ভেতরেই রয়েছে। হাড় ও জয়েন্টের আঘাতে অর্থোপেডিক সেবা দেওয়া হয়।
গাইনি ও প্রসূতি বিভাগে গর্ভকালীন পরীক্ষা ও প্রসবের ব্যবস্থা রয়েছে। ২০২৩ সালের হিসাবে মাসে গড়ে তিন শর কাছাকাছি প্রসব হয়েছে। এর মধ্যে সিজারিয়ান অপারেশন হয়েছে মাসে ৬০ থেকে ৭৫টি। প্রসবের পর মায়েরা পরবর্তী সেবার জন্য আবার আসেন।
শিশু মেডিসিন বিভাগে অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। ছোট শিশুদের আইএমসিআই পদ্ধতিতে সেবা দেওয়া হয়। অসুস্থ নবজাতকদের বিশেষ নবজাতক যত্ন ইউনিটে (SCANU) রাখা হয়। কম ওজনের শিশুদের ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার দেওয়া হয়।
পরীক্ষা-নিরীক্ষা সেবা
প্যাথলজি পরীক্ষা হাসপাতালের ভেতরেই সম্পন্ন হয়। ওয়ার্ডের রোগী ও ক্লিনিকের রোগী দুই পক্ষই এই সুবিধা পান। এক্স-রেসহ রেডিওলজি ও ইমেজিং সুবিধা রোগ নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়। ভর্তি রোগীর রক্তের দরকার হলে ব্লাড ব্যাংকের সহায়তা নেওয়া হয়।
বহির্বিভাগ সেবা
অধিকাংশ রোগীর চিকিৎসা শুরু হয় বহির্বিভাগ থেকে। কর্মদিবসে সকালে কাউন্টার থেকে টিকিট সংগ্রহ করতে হয়। সমস্যা অনুযায়ী রোগীকে সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকে পাঠানো হয়। চোখের সমস্যা থাকলে রোগীকে চোখের বহির্বিভাগ ক্লিনিকে পাঠানো হয়।
টিকিট, ওয়ার্ডের সেবা ও পরীক্ষার খরচে সরকারি হার প্রযোজ্য। পুরোনো প্রেসক্রিপশন থাকলে রিপোর্ট ও এক্স-রে ফিল্মসহ সঙ্গে আনুন। সকালে ভিড় বেশি থাকে বলে আগেভাগে আসা সুবিধাজনক। ভর্তির পরামর্শ মিললে বহির্বিভাগ বা জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ডে পাঠানো হয়।
অবস্থান ও যাতায়াত
হাসপাতালের ঠিকানা ৭৯ কিশোরগঞ্জ–ময়মনসিংহ রোড, কিশোরগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ ২৩০০। শহরের চালকরা জায়গাটিকে সদর হাসপাতাল নামে চেনেন। অবস্থা জরুরি হলে সরাসরি জরুরি বিভাগে যেতে হয়।
হোসেনপুর, পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, করিমগঞ্জ ও তাড়াইল থেকে রোগী আসেন নিয়মিত। বর্ষা মৌসুমে হাওর এলাকার উপজেলাগুলো থেকেও রোগী আসেন। দূরের এলাকার পরিবারগুলো সাধারণত সকালে রওনা দিয়ে আসেন।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
হাসপাতালটির ঠিকানা কী?
ঠিকানা ৭৯ কিশোরগঞ্জ–ময়মনসিংহ রোড, কিশোরগঞ্জ সদর, কিশোরগঞ্জ ২৩০০, কিশোরগঞ্জ শহরে।
প্রথমবার ডাক্তার দেখাতে কী করতে হবে?
কর্মদিবসে সকালে বহির্বিভাগের কাউন্টার থেকে টিকিট নিতে হয়, তারপর সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকে যেতে হয়।
এখানে কি প্রসবের সুবিধা আছে?
আছে, গর্ভকালীন পরীক্ষা, স্বাভাবিক প্রসব ও সিজারিয়ান প্রসবের পর প্রসব-পরবর্তী সেবাও দেওয়া হয়।
নবজাতক অসুস্থ হলে কোথায় চিকিৎসা হয়?
বিশেষ নবজাতক যত্ন ইউনিটে (SCANU) অসুস্থ নবজাতকের চিকিৎসা হয়, আর কম ওজনের শিশুরা ক্যাঙ্গারু মাদার কেয়ার পায়।
চোখের চিকিৎসা কি এখানে পাওয়া যায়?
যায়, চোখের বহির্বিভাগ ক্লিনিকে ছানি, চোখের সংক্রমণ ও দৃষ্টির সমস্যার রোগী দেখা হয়।
হাসপাতালে আসার সময় কী কী নিয়ে আসতে হয়?
আগের প্রেসক্রিপশন, রিপোর্ট ও এক্স-রে ফিল্ম সঙ্গে আনুন, আর সকাল সকাল আসুন।
📍 অবস্থান
Open in Maps →Are you the Hospital Admin?
Claim this profile to easily manage listings, update information, and directly reach your patients.
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Showcase Your Excellence
Premium hospital placement.