যোগাযোগের তথ্য
ঠিকানা
২ ডিআইটি এভিনিউ, ঢাকা ১০০০, রাজারবাগ, ঢাকা
ফোন নম্বর
01320-225598
রোগীর রেটিং
আমাদের সম্পর্কে
পরিচিতি
সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতাল ঢাকার রাজারবাগে অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে বড় হাসপাতাল। এখানে শুধু পুলিশ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসা পান, সাধারণ জনগণ ভর্তি হতে পারেন না। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৪ সালে রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল নামে যাত্রা শুরু করে।
বর্তমান নামটি বাংলাদেশ পুলিশের কেন্দ্রীয় হাসপাতাল হিসেবে এর পরিচিতি তুলে ধরে। চিকিৎসার সুযোগ পুলিশ মহলেই সীমাবদ্ধ, সাধারণ রোগীর জন্য উন্মুক্ত ভর্তি এখানে নেই।
সেবা
হাসপাতালের নিশ্চিত সেবার মধ্যে রয়েছে জরুরি সেবা ও বহির্বিভাগে পরামর্শ নেওয়ার সুযোগ। নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট সেবাও এখানকার চিকিৎসা কাজের অংশ। এই সেবাগুলো কেবল যোগ্য পুলিশ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় এই হাসপাতাল পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় বড় ভূমিকা রেখেছিল। হজ টিকা দেওয়ার মতো নির্ধারিত কর্মসূচির কেন্দ্র হিসেবেও হাসপাতালটি কাজ করে।
সুবিধাসমূহ
ক্যাম্পাসে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র রয়েছে, যেখানে ঘনিষ্ঠ পর্যবেক্ষণ দরকার এমন রোগী রাখা হয়। মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগও হাসপাতালের নিশ্চিত সুবিধার তালিকায় আলাদাভাবে রয়েছে। পুলিশ ব্লাড ব্যাংকটি হাসপাতাল ক্যাম্পাসের ভেতরেই অবস্থিত।
নিবিড় পরিচর্যা, মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ ব্লাড ব্যাংক একই ক্যাম্পাসের আলাদা আলাদা অংশ। প্রতিটি অংশ যোগ্য রোগীগোষ্ঠীর জন্য হাসপাতালের নির্দিষ্ট কাজের সঙ্গে যুক্ত।
ভর্তি সেবা
১৯৯৭ থেকে ২০০৫ সালের মধ্যে হাসপাতালের শয্যা ৭০ থেকে বেড়ে ২৫০-এ উন্নীত হয়। পরবর্তী সম্প্রসারণে মোট শয্যাসংখ্যা ৫০০-তে পৌঁছায়। শয্যা বৃদ্ধির এই ধাপগুলো ১৯৫৪ সালের শুরুর তুলনায় বড় পরিবর্তন আনে।
ওয়ার্ডে ভর্তির সুযোগ সাধারণ জনগণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ৫০০ শয্যার এই ধারণক্ষমতা পুলিশ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের জন্যই সংরক্ষিত থাকে।
অবস্থান ও যাতায়াত
হাসপাতালের ঠিকানা ২ ডিআইটি এভিনিউ, ঢাকা ১০০০, রাজারবাগ, ঢাকা। ক্যাম্পাসটি রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের পাশে, ফকিরাপুল মোড়ের কাছে অবস্থিত। রাজারবাগ এলাকার এই অবস্থান ঠিকানা শনাক্ত করতে পুলিশ লাইন্সকে নিশানা হিসেবে দেয়।
প্রকাশিত ঠিকানায় রাজারবাগের পাশাপাশি ফকিরাপুল মোড়ের নামও কাছের এলাকা হিসেবে উল্লেখ আছে। ঢাকা ১০০০ পোস্টকোডসহ পুরো ঠিকানাটি চিঠিপত্র ও খোঁজের কাজে ব্যবহার করা যায়।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
সেন্ট্রাল পুলিশ হাসপাতালে কারা চিকিৎসা নিতে পারেন?
শুধু পুলিশ সদস্য ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা এখানে চিকিৎসা পান, সাধারণ জনগণের ভর্তি এখানে হয় না। তাই বাইরের রোগী এখানে চিকিৎসা নিতে এলে ভর্তি করা হয় না।
হাসপাতালটি কবে ও কোন নামে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
এটি ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তখন এর নাম ছিল রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল। রাজারবাগেই হাসপাতালটির বর্তমান ক্যাম্পাস গড়ে উঠেছে।
সম্প্রসারণের পর হাসপাতালের মোট শয্যাসংখ্যা কত হয়েছে?
শয্যা প্রথমে ৭০ থেকে ২৫০-এ ওঠে, পরে আরও সম্প্রসারণে মোট সংখ্যা ৫০০-তে পৌঁছায়। এই বৃদ্ধি দুই ধাপে ধীরে ধীরে সম্পন্ন হয়েছে।
এখানে কোন কোন পরীক্ষা ও পরামর্শ সেবা পাওয়া যায়?
যোগ্য রোগীদের জন্য বহির্বিভাগে পরামর্শ, নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও জরুরি সেবা এখানে নিশ্চিত সেবা হিসেবে রয়েছে। সেবা নেওয়ার যোগ্যতা পুলিশ সদস্য ও পরিবারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
হাসপাতাল ক্যাম্পাসে কোন বিশেষ ইউনিটগুলো রয়েছে?
ক্যাম্পাসে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র, মানসিক স্বাস্থ্য বিভাগ ও পুলিশ ব্লাড ব্যাংক রয়েছে। তিনটি ইউনিটই একই ক্যাম্পাসের ভেতরে আলাদা জায়গায় কাজ করে।
কোভিড-১৯ মহামারির সময় হাসপাতালটির ভূমিকা কী ছিল?
মহামারির সময় পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় এটি বড় ভূমিকা রাখে এবং হজ টিকার মতো কর্মসূচির কেন্দ্র হিসেবেও কাজ করে। এই কর্মসূচিগুলো নির্ধারিত কেন্দ্র হিসেবে হাসপাতালের দায়িত্বের অংশ।
📍 অবস্থান
Open in Maps →Are you the Hospital Admin?
Claim this profile to easily manage listings, update information, and directly reach your patients.
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Showcase Your Excellence
Premium hospital placement.