সেরা রেডিওলজিস্ট - ময়মনসিংহ

দোকানের ড্রয়ারে ছবির খামটা রেখে বারবার চোখ চলে যায়

আমি বাহান্ন বছরের মানুষ আর ময়মনসিংহে স্টেশন রোডের কাছে ছোট একটা রিকশা ওয়ার্কশপ চালাই। কয়েক মাস ধরে কাশিটা বারবার ফিরে আসছে, ঘরে বিশ্রাম নিলেও পুরোপুরি যাচ্ছে না। আমার নিজের ডাক্তার বুক শুনেছেন, আগের সব কথাও মন দিয়ে শুনেছেন। তিনি বললেন পরের ধাপ ঠিক করার আগে বুকের ভেতরের ছবি দেখা দরকার। গত সপ্তাহে তার পাঠানো জায়গায় আমার ছবি তোলা হয়েছে।

ছবির খামটা এখন আমার কাজের টেবিলের ওপরের ড্রয়ারে রাখা আছে। চাকা ঠিক করার ফাঁকে ফাঁকে ড্রয়ার খুলে বন্ধ খামটার দিকে তাকিয়ে থাকি। মনে হয় রিপোর্ট পেতে ভাবনার চেয়ে বেশি সময় লেগে যাবে কিনা। ছবিগুলো যথেষ্ট পরিষ্কার হয়েছে কিনা সেটা নিয়েও মন খচখচ করে। রিপোর্টে কী থাকবে কেউ আমাকে বলেনি, আমি নিজে আন্দাজ করতেও চাই না।

এক খালাতো ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলাম এই ধরনের ছবি মন দিয়ে পড়েন এমন ডাক্তারকে মানুষ কীভাবে খোঁজে। সে আমাকে DoctorBD24 এর ময়মনসিংহের ডাক্তারদের তালিকা থেকে খোঁজ শুরু করার উপায় দেখালো। সেখান থেকে বুঝলাম এই পড়ার কাজটা যিনি করেন তাকে রেডিওলজিস্ট বলা হয়। তার লেখা রিপোর্টের ওপর ভর করেই আমার ডাক্তার পরের কথা ভাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

দোকানের ড্রয়ারে ছবির খামটা রেখে বারবার চোখ চলে যায়

ছবি তোলার পর সেগুলো কার কাছে যায়

ছবিগুলো তৈরি হলেই সরাসরি আমার ডাক্তারের কাছে শেষ কথা হিসেবে পৌঁছে যায় না। একজন রেডিওলজিস্ট প্রতিটা ছবি ধীরে ধীরে দেখেন, ছোট ছোট জায়গাগুলো মিলিয়ে পড়েন। আগে তোলা ছবি থাকলে নতুন ছবির সঙ্গে সেগুলো পাশাপাশি মিলিয়ে দেখা হয়। তিনি যা দেখেন তা লিখে রিপোর্ট আকারে আমার ডাক্তারের কাছে পাঠিয়ে দেন। প্রথম ছবিগুলো ঝাপসা হলে তিনি আবার ছবি তোলার কথা বলতে পারেন।

কাজের টেবিলে বসে অপেক্ষাটা বেশি ভারী লাগে

ছেলেরা ওয়ার্কশপে সাহায্য করে, তবু অনেক খদ্দের এখনো আমাকেই খোঁজে সরাসরি। ভারী জিনিস তুলতে গেলে কোনো কোনো বিকেলে দম আটকে আসার মতো লাগে। কাজ একেবারে ছেড়ে দিতে বা ঘরে পুরো বিশ্রাম নিতে আমাকে বলা হয়নি। তাই হালকা কাজগুলো নিজে করি, ভারী তোলার কাজ ছেলেদের হাতে ছেড়ে দিই।

তাকে রাখা ওষুধ যেভাবে চলছিল সেভাবেই চলবে

এই কাশির সময়ের জন্য আমার নিজের ডাক্তার আমাকে দুটো ওষুধ দিয়েছেন। তিনি যেভাবে খেতে বলেছেন আমি ঠিক সেভাবেই সেগুলো খেয়ে যাচ্ছি প্রতিদিন। যিনি ছবি পড়েন তিনি সেই তালিকায় কিছু যোগও করেন না, বাদও দেন না। বদল দরকার হলে সেই কথা আমার নিজের ডাক্তারের মুখ থেকেই আসতে হবে।

পাশের দোকানদারের সমস্যাটা ছিল একেবারে আলাদা

গত মাসে পাশের দোকানদারের পেটের নিচের দিকে একটা ব্যথা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকল। তার ডাক্তার বললেন অপারেশন করলেই হয়তো এটা ঠিক করার পথ খুলবে। পরের দেখা করার আগে তিনি DoctorBD24 এ ময়মনসিংহের জেনারেল সার্জনদের তালিকা দেখে রেখেছিলেন। তার সমস্যা আর আমার সমস্যা যে আলাদা হাতে যাবে সেটা স্পষ্ট।

কাগজের টুকরোয় লিখে রাখা আমার প্রশ্নগুলো

আমার রিপোর্ট আমার ডাক্তারের কাছে পৌঁছাতে কতদিন লাগতে পারে?

কেউ আমাকে নির্দিষ্ট কোনো দিনের কথা বলেনি, আমিও আর দিন গুনে বসে নেই। অনেকদিন কোনো খবর না এলে তার চেম্বারে ফোন করে জেনে নেব।

রেডিওলজিস্ট নিজে কি আমাকে ফলাফল জানিয়ে দিতে পারেন?

আমি যতটুকু বুঝেছি তার লেখা রিপোর্ট আগে আমার নিজের ডাক্তারের কাছেই যায়। আমার ডাক্তার বসে আমাকে বুঝিয়ে বলবেন সেই লেখার মানে কী।

ছবিগুলো পড়ার মতো পরিষ্কার না হলে কী হবে?

তখন রিপোর্ট লেখার আগে আবার ছবি তোলার কথা বলা হতে পারে। দ্বিতীয়বার যাওয়া কষ্টের হলেও পরিষ্কার ছবি ছাড়া ভালো রিপোর্ট হয় না।

রিপোর্ট আসার আগে কি ওষুধ বন্ধ করে দেব?

না, আমার নিজের ডাক্তার যেভাবে সাজিয়ে দিয়েছেন সেভাবেই খেয়ে যাচ্ছি। ছবি পড়ার কাজে আমার প্রতিদিনের ওষুধ খাওয়ার নিয়ম বদলায় না।

রিপোর্টটাই কি আমার চিকিৎসা ঠিক করে দেবে?

আমার ডাক্তার আমার পুরো ইতিহাস জানেন, শরীরের অবস্থাও তিনি অনেকদিন ধরে দেখছেন। রিপোর্ট পাশে রেখে নিজের পরীক্ষার সঙ্গে মিলিয়েই তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন।

রিপোর্ট আসার আগেই হঠাৎ বড় সমস্যা হলে কী করব?

হঠাৎ তীব্র ব্যথা উঠলে বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে ঘরে বসে থাকব না। রক্তপাত হলে বা শরীরে হঠাৎ দুর্বলতা নামলে সেদিনই হাসপাতালে যাব।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.