সেরা রেডিওলজিস্ট - হবিগঞ্জ
বাগানের কাজ শেষে গোড়ালি ফুলে ওঠায় ছবি তোলা হলো
আমার বয়স পঞ্চাশ বছর, আমি হবিগঞ্জের কাছে এক চা বাগানে কাজ করি। পাতা বয়ে নেওয়ার সময় সরু পথে পা মচকে গিয়েছিল গত মাসে। প্রথম ব্যথা কমলেও সন্ধ্যা হলেই গোড়ালি আবার ফুলে ওঠে। আমার নিজের ডাক্তার দুইবার দেখে বললেন, সিদ্ধান্তের আগে ছবি দেখা দরকার। সেই কারণেই আমার গোড়ালির ভেতরের ছবি তোলা হয়েছে।
কাজের পায়ে ভরসা না থাকলে অপেক্ষার সময়টা খুব লম্বা লাগে। সারাদিন সারির মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় বলে মনটা সারাক্ষণ চিন্তায় থাকে। বেশি বিশ্রাম নেব, নাকি আগের মতোই কাজ করে যাব, বুঝতে পারছি না। ডাক্তার বলেছেন রিপোর্ট হাতে পেলে তিনি নিজেই সব বুঝিয়ে দেবেন। তার আগে ছবিতে কী আছে তা নিয়ে আন্দাজ করতে চাই না।
একজন কমবয়সী সহকর্মী জানতে চাইল আমি এই ধরনের ডাক্তার নিয়ে কেন খোঁজ করছি। আমি ভেবেছিলাম যিনি ছবি তোলেন তিনিই বুঝিয়ে দেন ছবির মানে। তিনি বললেন ছবি মন দিয়ে দেখে রিপোর্ট লেখার কাজটা করেন আরেকজন ডাক্তার। তারপর আমি হবিগঞ্জের ডাক্তারদের তালিকা দেখতে শুরু করলাম এই কাজটা কারা করেন জানতে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
বাগানের কাজ শেষে গোড়ালি ফুলে ওঠায় ছবি তোলা হলো
সারাদিন দাঁড়িয়ে থাকা পায়ের কষ্ট
বাগানে কাজ করা মানে ভেজা পথে হাঁটা আর ভার বয়ে চলা। গোড়ালি ফুলে উঠলে বসে পড়ার সুযোগ সেখানে সহজে মেলে না। তাই এই রিপোর্টের অপেক্ষা আমার কাছে শুধু কাগজের অপেক্ষা নয়। কারো কাছ থেকে তাড়াহুড়োর আশ্বাস আমি চাই না। আমার নিজের ডাক্তার যেন পরিষ্কার লেখা রিপোর্ট হাতে পেয়ে তারপর আমাকে সব বোঝান, এটুকুই চাই। তাতে মনটা অন্তত স্থির থাকে।
ছবি পড়ে যিনি রিপোর্ট লেখেন তার কাজ
এই ডাক্তারের সারাদিনের কাজ শরীরের ভেতরের ছবি মন দিয়ে দেখা। আমার গোড়ালির ছবিগুলো তিনি ধীরে ধীরে খুঁটিয়ে দেখেন। আগের কোনো ছবি বা আগের রিপোর্ট থাকলে নতুন ছবির পাশে রেখে মিলিয়ে নেন। তারপর যত্ন করে রিপোর্ট লিখে আমার চিকিৎসা করা ডাক্তারের কাছে পাঠান। ছবি পরিষ্কার না হলে অনুমান না করে আবার ছবি তোলার কথা তিনি বলতে পারেন। তিনি নিজে আমার গোড়ালির চিকিৎসা করেন না, চিকিৎসার সিদ্ধান্ত থাকে আমার নিজের ডাক্তারের হাতে।
আমার ওষুধ আগের নিয়মেই চলবে
আমার চলতি ওষুধগুলো নিজের ডাক্তার যেভাবে দিয়েছেন ঠিক সেভাবেই চলছে। ছবি দেখে রিপোর্ট লেখা ডাক্তার এতে কোনো হাত দেবেন না। বদলের প্রশ্ন উঠলে তা ঠিক করবেন শুধু তিনিই, যিনি প্রথম এই ওষুধগুলো আমাকে দিয়েছিলেন। এই সীমাটা জানা থাকায় অপেক্ষার দিনগুলোতে অযথা দুশ্চিন্তা কমেছে। নিজের ডাক্তারের কথা ছাড়া আমি নিয়মে কোনো বদল আনব না।
অপারেশন নিয়ে চিন্তায় থাকা এক আত্মীয়
আমার এক খালাতো বোনের পেটের সমস্যায় অপারেশন লাগতে পারে বলে জানানো হয়েছে। খবরটা শুনে সে ঘাবড়ে গিয়ে আমার কাছে জানতে চাইল অনলাইনে ডাক্তার খোঁজার শুরুটা কোথা থেকে হয়। আমি তাকে হবিগঞ্জের জেনারেল সার্জনের পেজ দেখিয়ে দিলাম যাতে সে বাড়িতে বসে শান্তভাবে প্রোফাইলগুলো পড়তে পারে। তার অবস্থা আমার চেয়ে আলাদা, তবু খোঁজের জায়গাটা জানা থাকায় আমরা দুজনেই কিছুটা নিশ্চিন্ত হলাম।
মনে জমে থাকা প্রশ্নগুলো
যিনি আমার ছবি দেখবেন তিনি কি আমার গোড়ালির চিকিৎসাও করবেন?
না, তার কাজ ছবি দেখা আর লিখিত রিপোর্ট তৈরি করা। চিকিৎসা করেন আমার নিজের ডাক্তার, পরের সিদ্ধান্তও তার হাতেই থাকে।
ছবি তোলার পর সেগুলো কোথায় যায়?
ছবিগুলো পৌঁছায় সেই ডাক্তারের কাছে যিনি এই ধরনের ছবি দেখেই কাজ করেন। তিনি খুঁটিয়ে দেখে রিপোর্টে লিখে আমার ডাক্তারের কাছে পাঠান।
ছবি ঝাপসা হলে রিপোর্টের কী হবে?
তিনি তখন আবার ছবি তোলার কথা বলতে পারেন। পড়া যায় না এমন ছবি দিয়ে জোর করে রিপোর্ট লেখা কারো জন্যই ভালো নয়।
কাজে ফিরব কিনা তা কে বলবেন?
আমাকে আর আমার গোড়ালিকে যিনি চেনেন সেই ডাক্তারই তা বলবেন। রিপোর্ট পড়ার পর তিনি আমাকে সেই অনুযায়ী পথ দেখাবেন।
আমার নিজের ডাক্তার রিপোর্ট দিয়ে কী করবেন?
তিনি নিজে আমাকে পরীক্ষা করে যা জেনেছেন তার সঙ্গে রিপোর্ট মিলিয়ে দেখবেন। তারপর পাশে বসিয়ে পরের ধাপ সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দেবেন।
কোন বিপদ দেখলে আজই হাসপাতালে যেতে হবে?
হঠাৎ তীব্র ব্যথা, শ্বাস নিতে কষ্ট, রক্তপাত বা হঠাৎ দুর্বলতা দেখা দিলে সেদিনই হাসপাতালে যান। এমন অবস্থায় রিপোর্টের জন্য ঘরে বসে অপেক্ষা করবেন না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.