সেরা ফিজিওথেরাপিস্ট - খুলনা
অপারেশনের মাসগুলো ডিপোর সিঁড়িতেই গোনা যায়
আমার বয়স পঁচান্ন, খুলনায় চিংড়ির ডিপোতে কাজ করি। হাঁটুর অপারেশনের পর মাস পেরিয়ে গেছে। হাঁটু এখনও শক্ত লাগে, বিশেষ করে সকালে আর অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর। আমার ডাক্তার রিপোর্ট আবার দেখলেন, হাঁটু পরীক্ষা করলেন। তিনি বললেন, ফিজিওথেরাপিস্টের কাছে গাইডেড ব্যায়াম থেরাপি করতে হবে। তত্ত্বাবধানে চর্চা এখন আমার নিয়মিত কাজের অংশ হওয়া উচিত, তিনি বললেন। ছুটির দিনেও সকালে উঠে প্রথম কয়েক পা ফেলতে হাঁটু মানতে চায় না।
কাজই আমাকে সত্যি মাপটা দেয়। ডিপোর সিঁড়ি প্রতিদিন সকালে আমার গতি কমিয়ে দেয়। পুরো শিফটে দাঁড়িয়ে বাছাইয়ের কাজ করলে হাঁটু টান আর ভারী লাগে। মেঝের ওপর দিয়ে অল্প পথ বাক্স বয়ে নেওয়া যায়, তবে আগে নিজেকে প্রস্তুত করে নিই। কোনো সাধারণ অনুভূতির চেয়ে এই তিন কাজই আমাকে বেশি বোঝায়। সহকর্মীরা মাঝে মাঝে বাক্সটা আমার হাত থেকে নিয়ে নেয়, কিছু না বলেই।
কোথায় খুঁজব, সেটা ভাবতে আমার ছেলে সাহায্য করল। পরিবারের খোঁজে সে আগে DoctorBD24 ব্যবহার করেছে। আমরা দুজনে মিলে DoctorBD24-এ খুলনার ডাক্তারদের তালিকা খুলে মন দিয়ে প্রোফাইলগুলো দেখলাম। অপারেশনের পর ব্যায়ামভিত্তিক চর্চার পরিষ্কার বর্ণনা যেখানে আছে, সেদিকে আমি খেয়াল রাখলাম। তাড়াতাড়ি ফলের পেছনে ছিলাম না, ছিলাম যুক্তিসংগত শুরুর খোঁজে। আমি চাইছিলাম, কোথায় গেলে আমার অবস্থা শুনে ধীরে শুরু করা যাবে সেটা জানতে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
অপারেশনের মাসগুলো ডিপোর সিঁড়িতেই গোনা যায়
হাঁটু কতটা ভাঁজ হয়, সেখান থেকে শুরু
ফিজিওথেরাপিস্ট মেপে দেখলেন, আমার হাঁটু কতটা ভাঁজ হয় আর কতটা সোজা হয়। দাঁড়াতে, বসতে আর কয়েক পা হাঁটতে বললেন। হাঁটুর আশপাশের শক্তি আর ওই পায়ে ভারসাম্য তিনি পরীক্ষা করলেন। তাড়াহুড়ো ছিল না কোনো। তারপর তিনি এমন একটা অনুশীলন সাজালেন, যা ছোট থেকে শুরু হয়। হাঁটু যতটা সায় দেয়, কঠিন ধাপ শুধু তখনই বাড়ে।
সিঁড়ি, দাঁড়িয়ে থাকা আর অল্প বয়ে নেওয়া
আমাদের সেশনগুলো আমার আসল কাজ থেকেই নেওয়া। নিচু একটা ধাপ, পাশে ধরে ধীরে চর্চা। দাঁড়িয়ে থেকে নিয়ন্ত্রণে ওজন সরানো। দুই হাতে হালকা কিছু নিয়ে অল্প পথ হাঁটা। তিনি হাঁটুর মতো আমার মুখের দিকেও খেয়াল রাখেন। নড়াচড়া বদলালে একই সেশনে ব্যায়ামও বদলে যায়।
কাজের দিনে আর ছুটির দিনে বাড়ির চর্চা
ডিপোর দিনে বাড়ি থেকে বেরোনোর আগে ছোট সেটটা করি। ছুটির দিনে পুরো সেট করি, হাঁটু স্বস্তিতে থাকলে দুবার। সিঁড়ি সহজ লেগেছে এমন সকালগুলো মোটামুটি লিখে রাখি। নতুন কিছু ঠিক করার আগে তিনি ওই লেখা পড়েন। আশাবাদী অনুমানের চেয়ে সত্যি লেখা ভালো, তিনি বলেন।
এই সেশনে ওষুধের কোনো ভূমিকা নেই
পরিষ্কার করে বলি। আমার ফিজিওথেরাপিস্টের সঙ্গে আমার ওষুধের কোনো সম্পর্ক নেই। আমার ডাক্তার যেভাবে লিখে দিয়েছেন, প্রেসক্রিপশন ঠিক সেভাবেই মানি। তিনি কখনও মাত্রা বদলাতে বা কিছু বন্ধ করতে বলেননি। এমন সিদ্ধান্ত কখনও এলে তা একমাত্র যিনি ওষুধ দিয়েছেন তারই নেওয়ার কথা।
অগ্রগতি ফিরে যায় যিনি অপারেশন করেছেন তার কাছে
কয়েক সপ্তাহ পর আমার ভাঁজের পরিধি আর হাঁটার নোট যিনি অপারেশন করেছেন সেই ডাক্তারের কাছে পাঠানো হলো। এই যোগাযোগটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যায়াম দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না এমন কিছু ফিজিওথেরাপিস্টের চোখে পড়লে তিনি অনুমান না করে আমাকে ফেরত পাঠাবেন। এখানে অন্য চিকিৎসার খোঁজ যারা করছেন, তাদের জন্য খুলনার জেনারেল সার্জনদের তালিকা DoctorBD24-এ নিজের তালিকা হিসেবে আছে। আমার মনোযোগ থাকে কাজের সিঁড়িতেই।
মাস পেরিয়েও হাঁটু শক্ত লাগাটা কি স্বাভাবিক?
আমিও একই প্রশ্ন করেছিলাম। শুধু অনুভূতি শুনে ফিজিওথেরাপিস্ট সেটা বিচার করতে চাননি। তিনি আমার নড়াচড়া মূল্যায়ন করলেন, আর বললেন এমন প্রশ্ন আমার ডাক্তারের কাছেও রাখা উচিত।
সেশনে কি কোনো যন্ত্র বা বিশেষ সরঞ্জাম লাগে?
আমার সেশনে ব্যায়াম আর হাতে ধরে শেখানোই হয়েছে, ঘরের সহজ অবলম্বন ব্যবহার করে। কাজটা চর্চা আর ভুল শোধরানো। এর বেশি কিছু থাকলে অনুশীলন শুরুর আগেই বুঝিয়ে দেওয়া উচিত।
হাঁটু ক্লান্ত লাগলে সেদিনও কি চর্চা করব?
আমি হালকা অংশটুকু করি আর লিখে রাখি। ক্লান্ত হাঁটুকে জোর করা আমার কোনো কাজে আসেনি। আপনার ফিজিওথেরাপিস্টকে জানান, কঠিন দিনের সঙ্গে মিলিয়ে পরিকল্পনা বদলাতে দিন।
আগের মতো আবার বাক্স বইতে পারব তো?
আগের মতো নয়, আমার ক্ষেত্রে এখনও নয়। চর্চায় যেভাবে শিখেছি, হালকা বোঝা অল্প পথে বই। সবচেয়ে ভারী কাজে ফেরার আগে জিজ্ঞেস করুন, ধাপে ধাপে এগোনোর উত্তর মেনে নিন।
প্রথম সেশনে কী কী কাগজ নিয়ে যাব?
আমি অপারেশন সংক্রান্ত রিপোর্ট আর বর্তমান ওষুধের তালিকা নিয়েছিলাম। হাঁটুতে হাত দেওয়ার আগে ফিজিওথেরাপিস্ট সেগুলো পড়লেন। ওই ক্রমটা দেখে পুরো প্রক্রিয়ায় আমার আস্থা এল।
কোন ভয়ের বদল দেখলে সেদিনই হাসপাতালে যেতে হবে?
শরীরের একদিকে হঠাৎ দুর্বলতা এলে সেদিনই হাসপাতাল মানে সেদিনই। প্রস্রাব কিংবা পায়খানা আটকে রাখতে না পারার বিষয়টাও একই। পড়ে যাওয়ার পর কোনো অঙ্গ নড়তে না চাইলে সঙ্গে সঙ্গে যান। জ্বরসহ তীব্র ব্যথা, বুকে ব্যথা বা শ্বাসকষ্টও সেদিনের বিষয়।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.