সেরা ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - যশোর
আটা মাখা একসময় সহজ ছিল, এখন হাত দুটোই সায় দেয় না
আমার বয়স ষাট, আর আমার হাত দুটো বছরের পর বছর ধরে ধীর হয়ে এসেছে। কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, বড় কোনো অসুখের কথাও বলতে পারব না। শক্ত ভাবটা একটু একটু করে জমেছে, ধুলো জমার মতো। আজকাল সকালে আঙুলগুলো খুলতেই সময় লাগে, কোনো কোনো দিন সারাদিনই পুরোপুরি সজাগ মনে হয় না।
ঘরের কাজেই বিষয়টা ধরা পড়ে। আটা মাখতে আগের চেয়ে সময় বেশি লাগে, আঙুলের গিঁটগুলো আপত্তি জানায়। ভেজা কাপড় নিংড়ালে হাত ব্যথা করে আর দুর্বল লাগে। বয়ামের আঁটসাঁট ঢাকনা মাঝে মাঝে পুরোপুরি হার মানিয়ে দেয়, তখন নিজের রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ছোট কারো বাড়ি ফেরার অপেক্ষা করি। চল্লিশ বছর এই হাত দিয়েই সংসার চালিয়েছি। একটা বয়ামের কাছে অনুমতি চাইতে আমি রাজি না।
কেউ কোনো ঘটনার চিকিৎসা করেনি, কারণ তেমন ঘটনাই ছিল না। আমার দরকার এমন ডাক্তার, যাঁর কাজটাই চলাফেরা নিয়ে। যশোরে একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ খুঁজছি, যিনি আমার হাত দিয়ে এখনো কী কী করা যায় তা পরীক্ষা করে সেখান থেকে শুরু করবেন। DoctorBD24-এর যশোরের ডাক্তারদের তালিকায় বিষয় আর এলাকা অনুযায়ী ডাক্তার সাজানো আছে, খোঁজটা সেখান থেকেই শুরু করছি।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
আটা মাখা একসময় সহজ ছিল, এখন হাত দুটোই সায় দেয় না
এই শক্ত ভাবের কোনো শুরুর দিন নেই
সবাই জিজ্ঞেস করে হাতে কী হয়েছে, সত্যি উত্তর হলো কিছুই হয়নি। পড়েও যাইনি, জ্বরও আসেনি, খারাপ একটা সপ্তাহও কাটেনি। বছরের পর বছর যেসব ডাক্তার দেখিয়েছি, ব্যথা বাড়লে তাঁরা ব্যথাটাই দেখেছেন, ব্যথা কমে গেছে, ব্যস। নিচে জমতে থাকা শক্ত ভাবটা কেউ কোনোদিন মেপে দেখেননি। সেটা নিজের ধীর গতিতেই বেড়েছে।
দুইটা সাধারণ হাতে তিনি যা যা মেপে দেখলেন
ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শুরু করেন হাত দিয়েই। ব্যথার পুরনো কয়েকটা রিপোর্ট আমার কাছে ছিল, সেগুলো তিনি পড়লেন। তারপর আমার হাতের কাজ দেখলেন: প্রতিটা আঙুল কতটা ভাঁজ হয়, মুঠোয় জোর কতটা, ভরা থালা কীভাবে ধরি, বেসিনের ওপর কাপড় কীভাবে নিংড়াই। কোন কোন কাজ আমি চুপচাপ ছেড়ে দিয়েছি, তাও জিজ্ঞেস করলেন। এই পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই ঠিক হলো না। মাপগুলো তিনি লিখে রাখলেন, পরে মেলানোর জন্য।
একবারে কয়েক মিনিট, দিনে কয়েকবার
তিনি যে পরিকল্পনার কথা বললেন, তা ছোট ছোট ভাগে দেখিয়ে দেওয়া ব্যায়াম। হালকা চাপের বিরুদ্ধে আঙুল খোলা আর বন্ধ করা, প্রতিটা গিঁট আরামের চেয়ে একটু বেশি ভাঁজ করা, বিশ্রাম, আবার। ভাগগুলো বসে রান্না আর ধোয়ার ফাঁকে ফাঁকে। প্রতিবার দেখায় তিনি একই ভাঁজ আর মুঠোর জোর মাপেন, সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা বদলায়। আমার আগের চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই তিনি কাজ করেন। গতিটা নিয়েও তিনি সোজা কথা বলেন: বছরের পর বছর ধরে শক্ত হওয়া হাত দিনে দিনে ছাড়ে না, মাসের হিসাবে ছাড়ে।
যা তাঁর বিষয় নয়, তা তিনি আগেই বলে দেন
পরীক্ষায় আমার হাতে অন্য ধরনের ডাক্তারের বিষয় কিছু পেলে তিনি সেটা তখনই বলবেন, এমনটাই জানিয়েছেন। আমাকে ব্যায়ামে ঘোরাতে থাকবেন না। হঠাৎ কেটে যাওয়া, সেলাই লাগার মতো সমস্যা তাঁর কাজ নয়। এসবের জন্য একই তালিকাতেই পাওয়া যাবে যশোরের জেনারেল সার্জনদের নাম।
আমার ওষুধে এই পরিকল্পনার কোনো হাত নেই
অন্যান্য সমস্যার জন্য আমি যেসব ওষুধ খাই, সেগুলো চলবে হুবহু আগের নিয়মে, একই সময়ে, একইভাবে। হাতের এই পরিকল্পনা ওষুধগুলোকে ছোঁয় না। কোনোটার জায়গা নেয় না, নতুন কিছু শুরু করে না, ভালো দিন পেয়ে কোনোটা বন্ধ করার ছাড়ও দেয় না। কোনো ওষুধ কখনো বদলাতে হলে সেই আলোচনা হবে যিনি তা দিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গেই।
প্রথম দেখায় তাঁকে যা যা জিজ্ঞেস করেছিলাম
কোনো চোট নেই, বড় অসুখও নেই। তাহলেও কি কিছু করা যায়?
যায়। ধীরে ধীরে জমে ওঠা শক্ত ভাবও মেপে দেখা যায়, তা নিয়ে কাজও করা যায়। আপনার হাত পরীক্ষা করে তিনি বলতে পারবেন কতটা উন্নতির আশা বাস্তবসম্মত।
প্রতিদিন কতটা সময় অনুশীলনে দিতে হবে?
ছোট ছোট ভাগে, একবারে কয়েক মিনিট করে, দিনজুড়ে ছড়িয়ে। পরিমাণটা তিনি আপনার হাত দেখে ঠিক করে দেবেন, ঘরের কাজের পাশাপাশি চলার মতো করে।
আটা মাখা আর কাপড় নিংড়ানো কি পুরোপুরি ছেড়ে দেব?
তিনি না বললে ছাড়তে হবে না। রোজকার কাজই অনেক সময় অনুশীলনের অংশ হয়ে যায়, তাঁর দেখানো নিয়মে করলে হাত কাজও করে, শেখেও।
পরের দেখায় তিনি কী দেখে বুঝবেন কাজ হচ্ছে কিনা?
প্রতিটা আঙুলের ভাঁজ, মুঠোর জোর, আর আপনার বলা কাজগুলো। আটা মাখা, কাপড় নিংড়ানো, ঢাকনা খোলা। এগুলো সহজ হলেই বোঝা যাবে পরিকল্পনা কাজ করছে।
দুই হাতের ব্যায়াম কি একই হবে?
সবসময় না। এক হাত অন্য হাতের চেয়ে পিছিয়ে থাকলে সেই হাতে কাজ বেশি পড়ে। প্রতিটা দেখায় তিনি দুই হাত আলাদা করে মাপেন।
কোন জরুরি অবস্থায় পরিকল্পনা ফেলে সেদিনই হাসপাতালে ছুটতে হবে?
শরীরের একদিক হঠাৎ দুর্বল হয়ে গেলে সেদিনই হাসপাতাল ধরতে হবে। প্রস্রাব বা পায়খানার ওপর নিয়ন্ত্রণ হারানোও একই রকম জরুরি। পড়ে যাওয়ার পর হাত বা পা নাড়াতে না পারলে দেরি নয়। জ্বরের সঙ্গে তীব্র ব্যথা হলেও সেদিনের মধ্যেই হাসপাতালে পৌঁছানো দরকার।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.