সেরা ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - বগুড়া

হাড় জোড়া লাগল, কিন্তু হাতের জোর আর নড়াচড়া ফিরল না

আমার বয়স আটত্রিশ, মাল তোলা-নামানোই আমার কাজ। কয়েক মাস আগে হাত ভেঙেছিল। সময়মতো হাড় জোড়া লেগেছে, চিকিৎসকরাও সন্তুষ্ট ছিলেন। আমি নই। সকালে কাজে বেরোনোর আগেই হাতটা একবার পরীক্ষা করে দেখি, আজ কতটা ধরতে পারব। কনুইটা এখনো পুরোপুরি সোজা হয় না, আর ভারী বস্তা ধরলে অন্য হাতের অনেক আগেই এই হাতের মুঠো ছেড়ে দেয়।

সবাই বলে, সেরে ওঠা নাকি শেষ। কিন্তু আমার কাজের হিসাবে শেষ হয়নি। যে বস্তা ধরতেই পারি না, সেই দিনের রোজগারও ঠিকমতো হয় না। সহকর্মীরা সাহায্য করে ঠিকই, কিন্তু প্রতিদিন অন্যের ভরসায় কাজ চলে না। বগুড়ায় একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দরকার। যিনি এই অসমাপ্ত নড়াচড়াকেই আসল সমস্যা ধরবেন। মুঠোর জোর আর কনুইয়ের চলাফেরা ফেরাতে তিনি ধাপে ধাপে অনুশীলনের পরিকল্পনা দেবেন।

বগুড়ার জেলা ডিরেক্টরিতে জেলাজুড়ে চিকিৎসকদের তালিকা এক জায়গায় পাওয়া যায়। বগুড়ার ডাক্তার ডিরেক্টরি খুললে প্রতিটি তালিকায় সেই চিকিৎসকের দেওয়া তথ্য দেখতে পাবেন। কাছাকাছি কে কোথায় বসেন আর কীভাবে যোগাযোগ করবেন, তা মিলিয়ে দেখার জন্য এটা ভালো শুরু। কয়েকজনের তথ্য পাশাপাশি দেখে তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

হাড় জোড়া লাগল, কিন্তু হাতের জোর আর নড়াচড়া ফিরল না

পরিকল্পনার আগে দুটি মাপ: ভাঁজ আর মুঠোর জোর

প্রথম দেখায় ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ মাপবেন, কনুই কতটা ভাঁজ হয় আর কতটা সোজা হয়। তারপর দেখবেন হাত দিয়ে কতটা ওজন, কতক্ষণ ধরে রাখা যায়। ভাঙার ঘটনা শুনবেন, আগের রিপোর্ট দেখবেন, আর আমার কাজের দিনটা কেমন, তাও জানতে চাইবেন। এর পরেই পরিকল্পনা শুরু হয়। পরীক্ষায় অন্য বিশেষজ্ঞের বিষয় মনে হলে শুধু ব্যায়াম বাড়িয়ে না দিয়ে তিনি তা পরিষ্কার করে বলবেন।

বস্তা আর বাক্সের ওজন ঘিরেই অনুশীলন

আমার পরিকল্পনা শুধু চেম্বারের ঘরে আটকে থাকলে চলবে না। শেষ লক্ষ্য, কাজের জায়গায় হাতের কথা না ভেবেই মাল তুলতে পারা। তাই অনুশীলন শুরু হবে হালকা দিয়ে, আগে কনুইয়ের নড়াচড়া, পাশাপাশি মুঠোর জোর। তারপর ধীরে ধীরে ধরা আর বয়ে নেওয়ার কাজ বাড়বে, ঠিক যেমন সকালে কাজের চাপ বাড়ে। নির্দিষ্ট সময় পরপর তিনি মাপগুলো আবার দেখেন। ভাঁজ কয়েক সপ্তাহ আটকে থাকলে একই অনুশীলন জোর করে না চালিয়ে পরিকল্পনা বদলায়।

ওষুধ নিয়ে একটা কথা, অনেকেই জিজ্ঞেস করেন

সেরে ওঠার সময় যেসব ওষুধ দেওয়া হয়েছিল, এই পরিকল্পনা চললেও সেগুলো আগের নির্দেশমতোই চলবে। ব্যায়ামের অনুশীলন কোনো ওষুধের বিকল্প নয়। নিজে থেকে কোনো ওষুধ শুরু বা বন্ধ করার ইঙ্গিতও এটি নয়। মাত্রা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে যেতে হবে যিনি সেই ওষুধ লিখেছিলেন, তাঁর কাছেই।

ধীর গতি নিয়েও সৎ, সীমা নিয়েও সৎ

বিশ্রামে থাকা হাতের হারানো নড়াচড়া তাড়াহুড়ো করে ফেরে না। এই সত্যটা তিনি লুকান না, এটাই আমার আস্থার জায়গা। সপ্তাহে সপ্তাহে ভাঁজ আর মুঠোর ছোট ছোট অগ্রগতি জমেই কাজের হাত তৈরি হয়, অনুশীলন নিয়মিত থাকলে আর ওজন মাত্রা ছাড়া না হলে। সম্পূর্ণ আলাদা প্রয়োজনে একই ডিরেক্টরিতে বগুড়ার জেনারেল সার্জনদের তালিকা পেয়ে যাবেন।

সাধারণ জিজ্ঞাসা

হাড় জোড়া লেগেছে মাসখানেক আগে, তবু মুঠোর জোর কম কেন?

হাড় জোড়া লাগার সময় হাত বিশ্রামে থাকে, আশপাশের পেশির জোর আর নড়াচড়া কমে যায়। জোড়া লাগাটা সেরে ওঠার একটা অংশ মাত্র। নড়াচড়ার দিকটা পরে আলাদা পরিকল্পনা করে ফেরাতে হয় অনেকের।

প্রথম দেখায় তিনি কী কী মাপবেন?

কনুইয়ের ভাঁজ আর সোজা হওয়া মাপবেন, মুঠোর জোর পরীক্ষা করবেন, কাজের ধরন জিজ্ঞেস করবেন। আগের রিপোর্টও পড়বেন তিনি। এসব দেখেই ঠিক হয়, অনুশীলন কোথা থেকে শুরু হবে।

পরিকল্পনা চলার সময় মাল তোলার কাজ চালিয়ে যেতে পারব?

সরাসরি তাঁকেই জিজ্ঞেস করুন, কারণ এটা মাপ আর ওজনের ওপর নির্ভর করে। শুরুতে হালকা কাজ, পরে ধাপে ধাপে ভারী কাজ, এমনটাও তিনি বলতে পারেন। নিজে অনুমান করে চললে ধীর অগ্রগতি নষ্ট হতে পারে।

মাঝপথে কনুইয়ের উন্নতি থেমে গেলে কী হবে?

পর্যালোচনার সময় জানান, দুশ্চিন্তা হলে তার আগেও জানাতে পারেন। উন্নতি থেমে যাওয়া মানে আবার পরীক্ষা করে অনুশীলন বদলানো দরকার। কখনো অন্য বিশেষজ্ঞের আবার দেখা দরকার, এমনও হতে পারে।

ব্যায়াম কি প্রতিদিন করতে হবে, নাকি শুধু চেম্বারের দিনে?

বেশিরভাগ কাজ হয় বাড়িতে, দেখা করার মাঝের দিনগুলোতে, দেওয়া অনুশীলন মেনে। চেম্বারের দিন হলো মাপা, ভুল শুধরে দেওয়া আর পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার দিন। বাড়ির অনুশীলন বাদ গেলে পর্যালোচনার অর্থ থাকে না।

নতুন করে পড়ে গেলে কোন দিনই হাসপাতালে যাওয়া ঠিক হবে?

পড়ে যাওয়ার পর হাত বা পা নাড়াতে না পারলে সেদিনই হাসপাতালে যান। শরীরের একপাশে হঠাৎ দুর্বলতা এলেও, প্রস্রাব বা পায়খানা আটকে রাখতে না পারলেও একই দিনে যাওয়া দরকার। জ্বরসহ তীব্র ব্যথা থাকলেও সেদিনই যান।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.