সেরা প্যাথলজিস্ট - টাঙ্গাইল
রিপোর্টের বেশিরভাগ পাতা তৈরি, বাকি একটা আসবে পরে
আমার বয়স পঞ্চাশ। কাল বিকেলে ল্যাবরেটরি থেকে ফোন এলো। বলল, রিপোর্টের বেশিরভাগটাই তৈরি, তবে একটা পাতা পরে আসবে। কোন পাতাটা বাকি, কেন আলাদা আসছে, তা কেউ বলল না। আজ সকালে তৈরি পাতাগুলো নিয়ে এলাম। হাতে ধরতেই মনে হলো, শেষ পাতা ছাড়া একটা চিঠি পড়ছি। আধা রিপোর্ট হাতে রাখতেও অস্বস্তি লাগছে, আবার ফেলে রাখতেও মন চাইছে না।
দুই দিন পরেই আমার ডাক্তারের কাছে যাওয়ার কথা। একই প্রশ্ন বারবার মাথায় ঘুরছে। এই পাতাগুলো এখনই নিয়ে যাব, নাকি পুরো সেট একসঙ্গে হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব। প্যাথলজিস্ট ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করে আমার চিকিৎসা করা ডাক্তারের জন্য ফলাফল লিখে দেন। ভাগে ভাগে আসা রিপোর্ট দিয়েও হয়তো কথা এগোতে পারে। আবার শেষ পাতা না এলে হয়তো আসল উত্তরটাই মিলবে না।
এই লেখার পরে থাকা প্রোফাইলগুলো টাঙ্গাইলের ডাক্তার ডিরেক্টরি থেকে নেওয়া। একটা প্রোফাইল খুললেই বুঝতে পারবেন সেই ডাক্তার কোন বিষয়ের, কথাগুলো তার নিজের ভাষায় লেখা। রওনা দেওয়ার আগে এভাবে একবার দেখে নিলে ঠিক ধরনের ডাক্তারের কাছেই যাচ্ছেন কিনা, সে বিষয়ে নিশ্চিন্ত হওয়া যায়।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
রিপোর্টের বেশিরভাগ পাতা তৈরি, বাকি একটা আসবে পরে
আধা সেট নিয়ে যাব, নাকি পুরোটার জন্য থামব
খামের পাশে টেবিলে দুটো পছন্দ বসে আছে। এই পাতাগুলো নিয়ে গিয়ে সোজা বলে দিতে পারি, একটা পাতা এখনো আসেনি। আবার পুরো সেট একসঙ্গে না হওয়া পর্যন্ত সব রেখেও দিতে পারি। প্রথমটায় কথা মাঝপথে থেমে যেতে পারে। দ্বিতীয়টায় নষ্ট হতে পারে কাজে লাগানোর মতো কয়েকটা দিন। কোনোটাই মন থেকে পরিষ্কার লাগছে না।
একটা পাতা বাকিগুলোর পরে আসে কেন
কাউন্টার থেকে কেউ দেরির কারণ বলেনি, তাই নিজে নিজেই বুঝতে চেষ্টা করছি। রিপোর্টের সব পাতা একসঙ্গে তৈরি হয় না। একটা অংশ লেখা ও সই হয়ে গেলেও আরেকটা অংশ তখনো ল্যাবরেটরিতে প্যাথলজিস্টের হাতেই থাকতে পারে। এটা আমার নিজের বোঝা মাত্র, আমার পাতা নিয়ে কোনো প্রতিশ্রুতি নয়। দেখা করার সময় সরাসরি জিজ্ঞেস করব, আমারটা দুই ভাগে এলো কেন।
পাতাগুলো হাতে দেওয়ার সময় যা বলব
যা হাতে আছে, তাই নিয়েই যাব। প্রথম বাক্যেই বলে দেব, একটা পাতা বাকি। ফাঁকটা লুকালে ডাক্তারের আর আমার, দুজনেরই সময় নষ্ট হবে। পরে আলোচনায় অন্য ধরনের ডাক্তারের কথা উঠলে একই ডিরেক্টরিতে টাঙ্গাইলের জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইলও রয়েছে রেফারেন্স হিসেবে। আপাতত আমার ডাক্তার এই পাতাগুলো পড়বেন, যা বাকি তা শুনবেন, তারপর বলবেন আমরা এগোব নাকি থামব।
অসম্পূর্ণ রিপোর্টে আমার ওষুধের কোনো নড়চড় নেই
একটা পাতার অপেক্ষায় থাকলেও আমার প্রতিদিনের ওষুধ একদম আগের মতোই চলবে। আধা রিপোর্ট দেখে কোনো ওষুধ শুরু, বন্ধ বা বদলানোর অধিকার আমার হয় না। সেই সিদ্ধান্ত একমাত্র আমার চিকিৎসা করা ডাক্তারের, তা-ও পুরো সেট আমার পুরো অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে পড়ার পর। পাতা বাকি থাকা মানে প্রশ্ন করার একটা কারণ। নিজে নিজে ওষুধ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কারণ কোনোভাবেই নয়।
কাগজ দেরি করতে পারে, অসুস্থ শরীর পারে না
বাকি পাতার জন্য আসল চিকিৎসা কোনোভাবেই পিছিয়ে দেব না। বেশি রক্তপাত শুরু হলে, জ্বর উঠে কিছুতেই না নামলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলেও রিপোর্টের ভাবনা ছেড়ে দেব। প্রচণ্ড ব্যথা হলে কিংবা অজ্ঞান হয়ে গেলেও একই কথা খাটবে। সেদিনই হাসপাতালে যাব সবার আগে। পাতার ব্যাখ্যা পরে হোক, আগে যত্ন পাওয়াটাই জরুরি।
নিজেকে বারবার যেসব প্রশ্ন করছি
আধা পাতাগুলো কি দেখা করতে নিয়ে যাব?
হ্যাঁ, নিয়ে যান, আর প্রথমেই বলে দিন একটা পাতা এখনো আসেনি। তৈরি পাতাগুলোতে যা আছে, ডাক্তার তা বিচার করতে পারবেন। কিছুই লুকানো থাকবে না।
রিপোর্টের একটা পাতা পরে আসে কেন?
ল্যাবরেটরিতে সব অংশের কাজ একসঙ্গে শেষ হয় না। একটা অংশে সই হয়ে গেলেও আরেকটা তখনো লেখা চলতে পারে। আপনার ক্ষেত্রে কারণটা দেখা করার সময় জিজ্ঞেস করে জেনে নিন।
অসম্পূর্ণ রিপোর্ট দেখতে ডাক্তার রাজি হবেন তো?
খুব সম্ভবত পাতাগুলো পড়ে ফাঁকটা লিখে রাখা হবে, তারপর পরের ধাপ বুঝিয়ে দেওয়া হবে। খোলাখুলি নিয়ে যাওয়া, বাড়িতে বসে আন্দাজ করার চেয়ে অনেক ভালো।
শেষ পাতার জন্য রোজ ল্যাবরেটরিতে ফোন করব?
রোজ তাড়া দেওয়ার চেয়ে একটা পরিষ্কার ফোনকল ভালো। কী বাকি আছে জিজ্ঞেস করে উত্তরটা লিখে রাখুন। বাকি কথাটা আপনার দেখা করার সময়ের ওপর ছেড়ে দিন।
তৈরি পাতাগুলো কি একা একা কিছু বদলে দিতে পারে?
না। পাতা শুধু আপনার চিকিৎসা করা ডাক্তারকে জানায়, নিজে কিছু করে না। চিকিৎসা বা ওষুধে যেকোনো বদল আসবে সেই ডাক্তারের কাছ থেকে, পুরো চিত্রটা একসঙ্গে পড়ার পর।
শেষ পাতা আসার আগেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে গেলে কী হবে?
কাগজের জন্য অপেক্ষা করবেন না। বেশি রক্তপাত, কিছুতেই না নামা জ্বর, শ্বাসকষ্ট, প্রচণ্ড ব্যথা বা অজ্ঞান হয়ে গেলে সেদিনই হাসপাতাল। নিরাপদ হওয়ার পর বাকি পাতা নিয়ে ভাবা যাবে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.