সেরা প্যাথলজিস্ট - সাভার
সহকর্মী রিপোর্টটা এনে দিলেন, আর আমি সবার আগে ওপরের অংশটাই পড়লাম
কারখানায় আমার ডিউটি লম্বা সময়ের, তাই ক্লিনিকে রিপোর্ট তৈরি হওয়ার পর নিজে গিয়ে আনা সম্ভব হয়নি। আমার লাইনের এক সহকর্মী বাড়ি ফেরার পথে খামটা তুলে এনে গেটে আমার হাতে দিলেন। আমার বয়স একত্রিশ। কাঁধে ব্যাগ নিয়ে সেখানেই দাঁড়িয়ে খামটা উল্টেপাল্টে দেখলাম। ফলের কোনো লাইন দেখার আগে আমি পাতার ওপরের অংশটা পড়ে নিলাম।
আগে নাম। তারপর পাশে ছাপানো বাকি তথ্য, অক্ষরে অক্ষরে মিলিয়ে। ভালোবেসে বয়ে আনা খামেও ভুল কাগজ থাকতে পারে। তাই দুশ্চিন্তা শুরুর আগে নিশ্চিত হলাম, রিপোর্টটা সত্যিই আমার কিনা। ওপরের অংশ মিলে যাওয়ার পরই চোখ নিচের দিকে নামল। সেই লাইনগুলো আমার জন্য কী অর্থ বহন করে, তা আলোচনার বিষয়। প্যাথলজিস্ট ল্যাবরেটরিতে আমার নমুনা পরীক্ষা করে লাইনগুলো লিখেছেন। আমার চিকিৎসক সেগুলো আমার পুরো অবস্থার পাশাপাশি রেখে পড়বেন।
কারখানার সময়সূচি আমাদের অনেকের খোঁজের ধরন ঠিক করে দেয়। নিচে সাভারের ডাক্তারদের তালিকাটা এলাকার বড় তালিকার মধ্যে রয়েছে। সেখানে যেকোনো প্রোফাইল খুললেই সেই চিকিৎসকের নিজের বিষয়, চেম্বারের ঠিকানা আর দেখা করার সময় সরাসরি দেখা যায়।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
সহকর্মী রিপোর্টটা এনে দিলেন, আর আমি সবার আগে ওপরের অংশটাই পড়লাম
প্রথমে যা মিলিয়ে দেখি, তা কোনো ফল নয়
সংখ্যায় যাওয়ার আগে ওপরের অংশটা পড়ুন। আপনার পুরো নাম, কাগজপত্রে যেভাবে লেখা থাকে ঠিক সেভাবে আছে কিনা। যেদিন নমুনা দিয়েছিলেন, সেই তারিখ। ক্লিনিক আপনার জন্য যে নম্বর বা তথ্য জুড়ে দিয়েছে, সেগুলোও। একই ডেস্ক থেকে প্রতিদিন কাছাকাছি নামের মানুষ রিপোর্ট তোলেন। এখানে দুই মিনিট সময় দিলে অন্যের লাইন নিয়ে সারারাত ভয় পাওয়া থেকে বাঁচবেন। আবার নিজেরটাকে অবহেলা করার ভুলও হবে না।
ওপরের কোনো তথ্যে গরমিল দেখলে যা করব
নিচের দিকে পড়া থামিয়ে দিন। কোন লাইনটা তবু আপনার হতে পারে, আন্দাজ করতে যাবেন না। ক্লিনিকের ডেস্কে ফিরে যান, বা ফোন করে পরিষ্কার বলুন, ছাপানো তথ্য আপনার সঙ্গে মিলছে না। যেদিন নমুনা দিয়েছিলেন, সেই তারিখ ধরে খুঁজতে বলুন। ডেস্কের গরমিল ডেস্কেই মেটে। সেটা আপনার শরীর সম্পর্কে ভালো-মন্দ কিছুই বলে না।
ক্লিনিকের ডেস্ক থেকে আমার চিকিৎসকের টেবিল পর্যন্ত
অন্যের হাতে আসা রিপোর্টও শেষ পর্যন্ত কাগজই, যতক্ষণ আমার চিকিৎসক তা পড়ছেন না। তিনি জানেন নমুনাটা কেন পাঠানো হয়েছিল, তিনি কী খুঁজছিলেন, আগের রিপোর্টগুলোতে কী ছিল। ডিউটির ধরনের কারণে পরিবারের প্রয়োজনে সার্জনের খোঁজও মাথায় রাখলে, একই তালিকায় সাভারের জেনারেল সার্জনদের অংশটা আলাদা করে দেখে নেওয়া যায়। এই রিপোর্টের জন্য খামটা, আগের রিপোর্ট থাকলে সেগুলো, আর লিখে রাখা প্রশ্নগুলো নিয়ে যান। সময় কম হলেও সব কথা সেরে আসা যাবে।
একটা খামের জন্য আমার ওষুধ থেমে থাকে না
সন্ধ্যায় দেরি করে আসা খাম আমার ড্রয়ারের ওষুধের পরিমাণ বদলায় না। চিকিৎসক যা দিয়েছেন, ঠিক সেই পরিমাণে, ঠিক সেই সময়ে খাই। ল্যাবরেটরির একটা পাতা একা কাউকে নতুন ওষুধ শুরু করার বা পুরনোটা ছাড়ার যুক্তি দেয় না। বদল দরকার হলে রিপোর্টটা আমার অবস্থা, পরীক্ষা আর এই কয়েক সপ্তাহের আমার নিজের বর্ণনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখে তিনিই জানাবেন।
যে লক্ষণে আবার সোজা বেরিয়ে পড়ব
ছাপানো লাইন নিয়ে প্রশ্ন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত রাখা যায়। শরীর সবসময় রাখা যায় না। প্রচুর রক্তপাত হলে সেদিনই হাসপাতালে রওনা দিন। বারবার ফিরে আসা জ্বর, শ্বাসকষ্ট, তীব্র ব্যথা বা জ্ঞান হারালেও তাই। খাম থাক বা না থাক। আগে সাহায্য। ব্যাখ্যা পরে।
লম্বা ডিউটির ফাঁকে জমা প্রশ্নগুলো
সহকর্মী খামটা এনে দিয়েছেন। রিপোর্টটা সত্যিই আমার কিনা বুঝব কীভাবে?
আরও পড়ার আগে ওপরে ছাপানো নাম আর তথ্য নিজের কাগজপত্রের সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন। গরমিল থাকলে সোজা ক্লিনিকের ডেস্কে ফেরত যান।
রিপোর্টে আমার নামের বানান একটু আলাদা এসেছে। মেনে নেব কি?
ক্লিনিককে নিশ্চিত করে ঠিক করে দিতে বলুন। বানানের ছোট গরমিল পরে রিপোর্ট গোছানো, তুলনা করা বা তুলতে গিয়ে বড় ঝামেলা করে।
আমার নমুনা পরীক্ষা করে এই লাইনগুলো কে লিখলেন?
প্যাথলজিস্ট ল্যাবরেটরিতে আপনার নমুনা পরীক্ষা করে যা পেয়েছেন তা লিখে দিয়েছেন। সেই লেখা আপনার জন্য কী অর্থ রাখে, তা বুঝিয়ে দেবেন আপনার চিকিৎসক।
নিজে তুলে না আনলেও এই রিপোর্ট কি চিকিৎসক কাজে লাগাতে পারবেন?
পারবেন, ওপরের তথ্য আপনার বলে নিশ্চিত হওয়ার পর। খামটা কে বয়ে এনেছে তার চেয়ে জরুরি রিপোর্টটা ঠিক আছে কিনা।
মাঝরাতে লাইনগুলো খুলে একা একা খুঁজে দেখব কি?
তার বদলে বুঝতে না পারা লাইনগুলো লিখে রাখুন, অ্যাপয়েন্টমেন্টে জিজ্ঞেস করুন। রাতের আন্দাজ শুধু আন্দাজই, নিজের রিপোর্ট নিয়ে আন্দাজে ঘুমও হয় না।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগেই হঠাৎ খুব অসুস্থ হলে কোনটা আগে?
হাসপাতাল, সেদিনই। প্রচুর রক্তপাত, না কমা জ্বর, শ্বাসকষ্ট, তীব্র ব্যথা বা জ্ঞান হারানো রিপোর্টের আলোচনার অপেক্ষা করতে পারে না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.