সেরা প্যাথলজিস্ট - পাবনা
প্রতিটা লাইনে দুটো করে সংখ্যা, আর আমি বারবার উল্টে ফেলছি
আমার বয়স ষাট। সকাল থেকে রিপোর্টটা টেবিলের ওপরই পড়ে আছে। চশমা চোখে, পাশের চা দুইবার ঠান্ডা হয়ে গেছে। প্রতিটা লাইনে পাশাপাশি দুটো সংখ্যা বসানো। একটা আমার নিজের, আরেকটা সবার জন্য ছাপানো। তৃতীয় লাইনে গিয়েই আবার গুলিয়ে ফেললাম। এখন বুঝতে পারছি না, কোন সংখ্যাটা দেখে আসলে চিন্তায় পড়েছিলাম। মেয়ে ফোনে বলল, আন্দাজে ভয় পেয়ো না। তবু চোখ বারবার ওই লাইনগুলোতেই ফিরে যাচ্ছে।
প্যাথলজিস্ট ল্যাবরেটরিতে আমার মতো নমুনা নিয়েই কাজ করেন। নমুনা থেকে যা পাওয়া যায়, তা খুঁটিয়ে দেখে তিনি এই লাইনগুলো লিখে দেন। আজ আমার কঠিন শব্দ শেখার দরকার নেই। দরকার ধীরে ধীরে, একটা একটা কলাম ধরে, সহজ কথায় বুঝিয়ে দেওয়া। কোন অংশে আমার সংখ্যা থাকে, কোন অংশে ছাপানো সীমা, সেটুকু পরিষ্কার হলেই আমার চলবে।
এই লেখার নিচে জেলার চিকিৎসকদের বড় তালিকাটা পাবেন, যা পাবনার চিকিৎসক তালিকার অংশ হিসেবেই রাখা আছে। সেখানকার যেকোনো একটি প্রোফাইল খুললে সেই চিকিৎসকের নিজের বিষয় আর চেম্বারের তথ্য আপনি নিজেই পড়ে দেখতে পারবেন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
প্রতিটা লাইনে দুটো করে সংখ্যা, আর আমি বারবার উল্টে ফেলছি
আমার বয়স ষাট, আর সকাল থেকে রিপোর্টটা টেবিলের ওপরই আছে। প্রতিটা লাইনে পাশাপাশি দুটো সংখ্যা। একটা এসেছে আমার নমুনা থেকে। আরেকটা ছাপানো ছিল আগেই, সবার রিপোর্টেই থাকে। আমি বারবার দুটোকে উল্টো করে পড়ছি।
আগে জানি, কোন কলামটা আসলে আমার
বেশিরভাগ রিপোর্টে বাম দিকে লেখা থাকে কী পরীক্ষা করা হয়েছে। তার পাশেই থাকে আপনার নমুনা থেকে পাওয়া সংখ্যাটা। আরও ডানদিকে থাকে ছাপানো সীমা, যা ল্যাবরেটরি প্রতিটা কপিতেই দেয়। ওই সীমা আপনার ফল নয়। আপনার সংখ্যাটাকে পাশে রেখে মেলানোর জন্যই ওটা থাকে। দুটো গুলিয়ে ফেললে শান্ত লাইনও ভয়ের মনে হয়।
কোনো লাইনের পাশে ছোট চিহ্নও থাকতে পারে। চিহ্ন শুধু জানায়, সংখ্যাটা ছাপানো সীমার বাইরে আছে, কিংবা ধারের কাছে। আপনার জন্য এর মানে কী, তা নির্ভর করে পুরো শরীরের অবস্থার ওপর।
এই পৃষ্ঠাটা হাতে আসার আগে যা যা হয়েছে
আমার কাজ ছিল অল্প। নমুনা নেওয়া হলো, তাতে আমার তথ্য লেখা হলো, তারপর পাঠানো হলো ল্যাবরেটরিতে। প্যাথলজিস্ট সেখানে নমুনাটা পরীক্ষা করেছেন। সেখান থেকে পাওয়া সংখ্যাগুলো যাচাই করে তিনি এই রিপোর্ট লিখেছেন। রিপোর্টটা যায় আমার চিকিৎসা করা ডাক্তারের কাছে। তিনি তা পড়েন আমার উপসর্গ আর আগের রিপোর্ট মিলিয়ে।
জেলায় অন্য ধরনের চিকিৎসক খুঁজতে হলে একই তালিকায় পাবনার জেনারেল সার্জনদের তালিকা আলাদাভাবে রাখা আছে।
একটা একটা লাইন ধরে যেভাবে জিজ্ঞেস করব
রাতে একা একা এই পৃষ্ঠার মানে বের করা আমি ছেড়ে দিয়েছি। আন্দাজে দুশ্চিন্তা শুধু বেড়েছে। অ্যাপয়েন্টমেন্টে গিয়ে একটা লাইন দেখিয়ে জিজ্ঞেস করব। এখানে আমার সংখ্যা কোনটা? এই ছাপানো সীমা দিয়ে কী বোঝায়? এই চিহ্নটা কি কিছু বদলায়, নাকি শুধু নজরে রাখলেই চলে?
এই রিপোর্টের সঙ্গে আগেরগুলোও নিয়ে যাবেন। পুরোনো পৃষ্ঠা থাকলে বোঝা যায়, কোনো সংখ্যা বদলেছে, নাকি আগেও এমনই ছিল।
আমার ওষুধ আগের নিয়মেই চলবে
এই পৃষ্ঠার কোথাও লেখা নেই নতুন ওষুধ শুরু করতে হবে। পুরোনোটা ছাড়ার কথাও নেই। আমার প্রতিদিনের ওষুধ চলবে যেভাবে আমার চিকিৎসা করা ডাক্তার ঠিক করে দিয়েছেন। বদল দরকার হলে তিনিই বদলাবেন, রিপোর্টটা বাকি সব তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পড়ার পর। ল্যাবরেটরির পৃষ্ঠা একা সেই সিদ্ধান্ত নেয় না।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
একটা লাইনের দুটো সংখ্যার মধ্যে আমার ফল কোনটা?
সাধারণত পরীক্ষার নামের কাছাকাছিই আপনার নমুনার সংখ্যাটা থাকে। ছাপানো সীমা থাকে আরও পাশে। প্রথম লাইনে ডাক্তারকে আপনারটা দেখিয়ে দিতে বলুন। তারপর একই কলাম ধরে নিচে পড়ুন।
অন্য রিপোর্টে ছাপানো সীমা আলাদা দেখায় কেন?
ল্যাবরেটরিভেদে ছাপানোর ধরনে অল্প ফারাক থাকতে পারে। বয়স বা পদ্ধতি অনুযায়ী সীমাও বদলাতে পারে। তাই দুটো পৃষ্ঠা নিজে মিলিয়ে ছোট ফারাকে আতঙ্কিত হবেন না।
লাইনের পাশে চিহ্ন দেখলে কি আজ রাতেই চিন্তা করা উচিত?
চিহ্ন শুধু জানায় সংখ্যাটা ছাপানো সীমার বাইরে আছে। কতটা গুরুতর, তা চিহ্ন বলে না। প্রশ্নটা লিখে রাখুন, আর অ্যাপয়েন্টমেন্টে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
প্যাথলজিস্ট কি সরাসরি আমাকে রিপোর্ট বুঝিয়ে দেবেন?
প্যাথলজিস্ট নমুনা থেকে রিপোর্টটা লিখে দেন। আপনার চিকিৎসা করা ডাক্তার সেটাকে উপসর্গ আর পুরোনো তথ্যের সঙ্গে মেলান। তাই তাঁকেই অস্পষ্ট লাইনগুলো সহজ কথায় বুঝিয়ে দিতে বলুন।
কোনো সংখ্যা আমার অনুভূতির সঙ্গে না মিললে কী করব?
কথাটা সরাসরি বলুন। আপনি কেমন অনুভব করছেন, সেটাও ছবির অংশ। ডাক্তার হয়তো আবার নমুনা নিতে চাইবেন। নিজে ধরে নেবেন না যে পৃষ্ঠাটাই ভুল, আবার সব ঠিক আছেও ভাববেন না।
রিপোর্টের কথা অপেক্ষা করতে পারে, কিন্তু হঠাৎ উপসর্গ হলে?
কাগজের কথা কয়েক দিন অপেক্ষা করতে পারে। শরীর সব সময় পারে না। বেশি রক্তপাত, কমতে না চাওয়া জ্বর, শ্বাস নিতে কষ্ট, তীব্র ব্যথা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া মানে সেদিনই হাসপাতালে যেতে হবে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.