সেরা প্যাথলজিস্ট - নাটোর
সকালে নমুনা দিয়ে সন্ধ্যায় রিপোর্ট হাতে পেয়ে আমার মনে খটকা লাগল
আমার বয়স পঁয়ত্রিশ। কাজে যাওয়ার আগে সকালে নমুনা দিয়ে গিয়েছিলাম। সন্ধ্যায় গিয়ে শুনি, রিপোর্ট তৈরি। আশপাশের সবাই বলল, বাহ, দ্রুত সেবা। কিন্তু খামটা হাতে নিয়ে কাউন্টারে দাঁড়িয়ে আমার মনটা হালকা হলো না, বরং ভারী লাগল। প্রথম মুহূর্তের খুশিটা কেটে যেতে বেশি সময় লাগেনি।
মনে মনে শুধু একটা প্রশ্ন, এক দিনের মধ্যে কি সত্যিই মন দিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব? কোনো ল্যাবরেটরি নিয়ে সন্দেহ করার কারণ আমার নেই। আসল কথা, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমার নমুনাটার সঙ্গে কী হয়েছে, তা জানার কোনো উপায় আমার হাতে নেই। কে পরীক্ষা করেছেন, কখন করেছেন, এসবের কোনো লেখা রিপোর্টের সঙ্গে ছিল না। সেই সন্ধ্যায় রিপোর্টটা ড্রয়ারে রেখে দিলেও প্রশ্নটা মাথা থেকে নামাতে পারিনি।
উত্তর খোঁজার এই সময়ে নাটোরের ডাক্তারদের তালিকায় জেলার প্রোফাইলগুলো একসঙ্গে পাওয়া যায়। প্রতিটি প্রোফাইলে চিকিৎসকের নিজের বিষয় আর চেম্বারের তথ্য থাকে, সরাসরি পড়ে দেখাই ঠিক উপায়। নিচের তালিকা এই ডিরেক্টরিরই অংশ, আমার রিপোর্টের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলার কিছু নেই।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
সকালে নমুনা দিয়ে সন্ধ্যায় রিপোর্ট হাতে পেয়ে আমার মনে খটকা লাগল
রিপোর্ট এল তাড়াতাড়ি, সন্দেহ গেল ধীরে
রিপোর্টের কোথাও আমার চোখে খারাপ কিছু ঠেকেনি। খটকাটা শুধু সময় নিয়ে। সকালে দেওয়া নমুনার লিখিত রিপোর্ট সন্ধ্যায় বেরিয়ে এল, আর মাঝের চুপচাপ সময়টা আমার মন আন্দাজে ভরে ফেলল।
আন্দাজের উপর কিছু দাঁড়ায় না। দ্রুত এলেই কাজে ফাঁকি হয়েছে, এমনটাও বলা যায় না। আবার যত্নে হয়েছে, তাও না। আমার দরকার কাজের ধাপগুলোর বর্ণনা, সাধারণ মানুষের বোঝার মতো ভাষায়।
অভিযোগ নয়, কাজের কথা জানতে চাওয়া
আমি জিজ্ঞেস করতে পারি, নমুনা কখন ল্যাবরেটরিতে পৌঁছেছে আর পরীক্ষা কখন শুরু হয়েছে। কে পরীক্ষা করেছেন, সইয়ের আগে আরেকবার দেখা হয় কি না, তাও জানতে চাইতে পারি। এগুলো কাজের পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন, কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ নয়।
এই কাজের পেছনের চিকিৎসক হলেন প্যাথলজিস্ট। নমুনা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা হয়, কখনো অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে দেখা হয়, তারপর ফল লিখে রিপোর্টে সই হয়। আমার নমুনার ক্ষেত্রে এই ধাপগুলো শুনলেই অস্বস্তির অনেকটা কেটে যাবে।
উত্তরগুলো নিয়ে যা করব
রিপোর্ট আর প্রশ্নের তালিকা নিয়ে যাব সেই চিকিৎসকের কাছে, যিনি আমাকে পরীক্ষা করতে পাঠিয়েছিলেন। কেন পরীক্ষাটা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে মিলিয়ে উত্তরগুলো তিনিই ভালো বিচার করতে পারবেন। কোনো রিপোর্ট একা একা সিদ্ধান্তে পৌঁছায় না।
পরে অন্য ধরনের চিকিৎসক লাগলে জেলার ডিরেক্টরিতে নাটোরের জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইলও আছে। এটা শুধু নাম খোঁজার সূত্র হিসেবেই বলছি। আমার নিজের ক্ষেত্রে কী লাগবে, তা এতে বোঝা যায় না।
সন্দেহের কারণে ওষুধে হাত নয়
আমার দুশ্চিন্তা কাজের পদ্ধতি নিয়ে, আর পদ্ধতি নিয়ে দুশ্চিন্তা ওষুধের নিয়ম বদলায় না। চিকিৎসক যেভাবে দিয়েছেন, প্রতিটি ওষুধ ঠিক সেভাবেই চলবে। মন খুঁতখুঁত করছে বলে কোনো ওষুধ থামিয়ে দেওয়ার অধিকার এই রিপোর্ট আমাকে দেয় না।
রিপোর্ট পড়ে চিকিৎসক যদি বদলের কথা বলেন, সেই বদল আসবে তাঁর কাছ থেকেই, পুরো অবস্থা সামনে রেখে। আমার এক সন্ধ্যার সন্দেহ থেকে তা আসবে না।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
রিপোর্ট তাড়াতাড়ি এলেই কি বুঝতে হবে পরীক্ষায় তাড়াহুড়ো হয়েছে?
না। তাড়াতাড়ি আসা মানে শুধু তাড়াতাড়ি আসা। নমুনা কীভাবে রাখা আর পরীক্ষা হয়েছে, তা জিজ্ঞেস করে উত্তর শুনে বিচার করুন। শুধু সময় দিয়ে কোনো দিকেই সিদ্ধান্ত টানা যায় না।
কোন প্রশ্নে বোঝা যাবে, আমার নমুনা নিয়ে আসলে কী করা হয়েছে?
জিজ্ঞেস করুন, নমুনা কখন পৌঁছেছে, পরীক্ষা কখন শুরু হয়েছে, রিপোর্টে কে সই করেছেন। সইয়ের আগে কিছু আবার দেখা হয়েছিল কি না, তাও জানুন। পরিষ্কার উত্তর কাজের ধাপ বোঝায়। উত্তর ঘোলাটে হলে চিকিৎসকের মাধ্যমে আবার জিজ্ঞেস করুন।
নিজে থেকে অন্য জায়গায় আবার একই পরীক্ষা করাব?
আগে যিনি পরীক্ষা দিতে বলেছিলেন, তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। সেই আলোচনা ছাড়া দ্বিতীয় নমুনা দিলে আসল প্রশ্নের সঙ্গে মিল নাও থাকতে পারে। আবার করালে কিছু পরিষ্কার হবে কি না, তিনিই বলতে পারবেন।
আমার সন্দেহের কথা চিকিৎসককে জানানো দরকার কেন?
কারণ তিনি রিপোর্টকে আপনার শরীর, পুরোনো ইতিহাস আর আগের রিপোর্টের সঙ্গে মেলান। খোলাখুলি বলা সন্দেহের উত্তর মেলে, ব্যবস্থাও হয়। মনে চেপে রাখা সন্দেহ শুধু রাতে বাড়ে।
প্যাথলজিস্ট কি আমার নমুনার ধাপগুলো বুঝিয়ে বলতে পারেন?
হ্যাঁ, এই ব্যাখ্যা চাওয়া যায়, অনেক সময় নিজের চিকিৎসকের মাধ্যমে। নমুনা পরীক্ষা করে রিপোর্টে সই করেছেন তিনিই। কাজটা কীভাবে হয়েছে, তা জানতে চাওয়া যেকোনো রোগীর স্বাভাবিক অধিকার।
আজ রাতে উদ্বেগের মতো লক্ষণ দেখা দিলে এই উত্তরগুলোর জন্য অপেক্ষা করব?
না। প্রচুর রক্তপাত, শ্বাসকষ্ট, না কমা জ্বর, তীব্র ব্যথা বা অজ্ঞান ভাব হলে আজই হাসপাতালে যেতে হবে। রিপোর্টের প্রশ্ন পরে তোলা যাবে। জরুরি লক্ষণ কাগজপত্রের পেছনে সারি ধরে দাঁড়ায় না।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.