সেরা প্যাথলজিস্ট - গাজীপুর

অফিস থেকে রিপোর্টটা হাতে পেলাম, কিন্তু কয়েকটা লাইনের মান ছাপানো সীমার বাইরে

কারখানা থেকে এবার বয়স্ক কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা হয়েছিল। সকালে শিফট শুরুর আগেই ল্যাবরেটরির লোক এসে আমার হাত থেকে রক্তের নমুনা নিয়ে গেল। কয়েক দিন পর অফিসের কেরানি ডেকে হাতে একটা বন্ধ খাম ধরিয়ে দিলেন। ভেতরে আমার রিপোর্ট, দুই পৃষ্ঠা জুড়ে সারি সারি সংখ্যা।

আমার বয়স পঞ্চাশ। মেশিন নিয়ে আমার কাজ, কাগজপত্র নিয়ে না। রিপোর্টে প্রতিটি মানের পাশে একটা করে ছাপানো সীমা দেওয়া আছে। আমার কয়েকটা মান সেই সীমার বাইরে, কোনোটা বেশি, কোনোটা কম। কেউ একটা লাইনও বুঝিয়ে দেয়নি। ফলো-আপের দিনটা এখনো কয়েক দিন দূরে। সেই কয়টা দিন বাসায় বসে নিজে নিজে আন্দাজ করে কাটাতে চাই না। রিপোর্টের লাইনগুলো সহজ করে বুঝে নেওয়াটাই এখন আমার আসল দরকার।

নিচের তালিকাটা গাজীপুরের ডাক্তার ডিরেক্টরির অংশ। যেকোনো প্রোফাইল খুলে ডাক্তারের নিজের বিষয়টা আগে যাচাই করে নিন। আমার মতো রিপোর্ট লাইন ধরে ধরে বুঝিয়ে দিতে পারেন যিনি, তিনি প্যাথলজিস্ট। ল্যাবরেটরিতে বসে তিনিই নমুনা পরীক্ষা করেন, তারপর রিপোর্টটা লেখেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

অফিস থেকে রিপোর্টটা হাতে পেলাম, কিন্তু কয়েকটা লাইনের মান ছাপানো সীমার বাইরে

পৃষ্ঠার দুটি কলাম আসলে কী বোঝায়

একটা কলামে থাকে আপনার রক্তের নমুনায় পাওয়া মান। পাশের কলামে থাকে ছাপানো সীমা, যাতে দুটো পাশাপাশি মিলিয়ে দেখা যায়। কোনো মান সীমার বাইরে গেলে সেটা একটা সংকেত মাত্র। ডাক্তারকে শুধু বলে দেয়, এই লাইনটা একটু ভালো করে দেখা দরকার। তার বেশি কিছু না। শুধু এই একটা লাইন দিয়ে আপনার শরীর নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয় না।

মান ওঠানামা করে সাধারণ কারণেও। সকালে কী খেয়েছেন, কখন নমুনা নেওয়া হলো, আগের রাতে ঘুম কম হলো কি না। তাই রাতে একটা লাইন বারবার পড়লে মন যতটা ভয় পায়, আসল ব্যাপারটা ততটা নাও হতে পারে।

রিপোর্ট হাতে পাওয়ার আগে নমুনাটা কে দেখেন

ছাপানো পৃষ্ঠাটা একটা লম্বা প্রক্রিয়ার শেষ ধাপ। ল্যাবরেটরিতে প্যাথলজিস্ট নমুনাটা পরীক্ষা করেন, পরীক্ষায় যা যা উঠে আসে তা খতিয়ে দেখেন। তারপর তিনি রিপোর্ট লিখে সই করেন। আপনার চিকিৎসক সেই রিপোর্ট পড়েন আপনার পুরনো ইতিহাস আর নিজের পরীক্ষার ফলের সঙ্গে মিলিয়ে। এই তিনটা মিলেই ঠিক হয় পরের পদক্ষেপ।

ফলো-আপের দিনের গোছগাছ

খামটা শুকনো জায়গায় রাখুন, আর যাওয়ার দিন রিপোর্টটা সঙ্গে নিন। বাসায় পুরনো রিপোর্ট থাকলে সেগুলোও নিন। গত বছরের মানের পাশে এ বছরের মান বসলে ডাক্তারের বুঝতে সুবিধা হয়। প্রশ্নগুলো আগেভাগে কাগজে লিখে নিন। চেম্বারে বসে যে লাইনটা বুঝবেন না, সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিতে বলুন। রাতে একা একা নিজে অর্থ খুঁজতে গেলে সাধারণত ভুল বোঝাবুঝিই বাড়ে।

রিপোর্ট হাতে থাকলেও ওষুধের নিয়ম একটাই

আপনার চিকিৎসক যেভাবে ওষুধ খেতে বলেছেন, ঠিক সেভাবেই খেতে থাকুন। শুধু একটা ল্যাবরেটরি রিপোর্ট দেখে কোনো ওষুধ শুরু হয় না, বন্ধও হয় না, মাত্রাও বদলায় না। সেই সিদ্ধান্ত নেবেন আপনার চিকিৎসক নিজে, রিপোর্টটা আপনার পুরো অবস্থার পাশে রেখে পড়ার পর। কোনো সংখ্যা বেশি মনে হলো বলেই নিজে থেকে কিছু বদলাবেন না।

ডাক্তার যদি অন্য কারও কাছে পাঠান

মাঝে মাঝে ফলো-আপের শেষে ডাক্তার অন্য কারও কাছে পাঠান। হয়তো একজন সার্জনকে দেখাতে বলবেন, হয়তো অন্য বিষয়ের ডাক্তারকে। সার্জনের তালিকা দরকার হলে গাজীপুরের জেনারেল সার্জনের আলাদা পৃষ্ঠাটা দেখে নিতে পারেন। যাঁর কাছেই যান, এই রিপোর্টটা সঙ্গে নিয়ে যান। এটা এখন আপনার চিকিৎসার কাগজপত্রের অংশ।

রিপোর্টটা অফিস থেকে পেলাম, ডাক্তারের কাছ থেকে না। এটা কি স্বাভাবিক?

হ্যাঁ। কর্মস্থলের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় ছাপানো রিপোর্ট অনেক সময় অফিসের মাধ্যমেই ফেরত আসে। কাগজটা আপনার কাছেই থাকবে। তবে এর মানেটা বুঝিয়ে দেবেন ডাক্তার, ফলো-আপে বসেই সেটা হবে।

কয়েকটা মান সীমার বাইরে। ঘাবড়ে যাওয়া উচিত?

না। সীমার বাইরের মান মানে আলোচনার একটা বিষয়, তার বেশি না। মানটা কতটা এদিক-ওদিক, আপনার পুরনো ইতিহাস আর শরীরের অবস্থা, সব মিলিয়ে ডাক্তার সিদ্ধান্ত নেন।

প্যাথলজিস্ট নিজে কি আমার রিপোর্টটা বুঝিয়ে দিতে পারেন?

প্যাথলজিস্ট ল্যাবরেটরিতে নমুনা থেকে রিপোর্টটা তৈরি করেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনার চিকিৎসকই রিপোর্টটা আপনাকে বুঝিয়ে দেন, কারণ আপনার পুরো অবস্থাটা তিনি জানেন। প্রতিটি লাইন সহজ ভাষায় জানতে চান।

দেখা করার আগেই নিজে থেকে আবার রক্ত পরীক্ষা করিয়ে নেব?

তাতে লাভ নেই। দ্বিতীয়বার নমুনা দরকার হলে ফলো-আপে ডাক্তার নিজেই বলবেন, কোন কোন লাইন আবার দেখতে চান সেটাও জানিয়ে দেবেন।

ফলো-আপে রিপোর্ট ছাড়া আর কী নিয়ে যাব?

পুরনো রিপোর্ট যা আছে, এখন যেসব ওষুধ খাচ্ছেন তার তালিকা, আর লিখে রাখা প্রশ্নগুলো। পুরনো মানের পাশে নতুন মান থাকলে অনেক বেশি বোঝা যায়।

আজ রাতেই শরীরটা খুব খারাপ লাগছে। ফলো-আপ পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে, শরীর পারে না। প্রচণ্ড রক্তপাত, জ্বর না নামা, শ্বাসকষ্ট, তীব্র ব্যথা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলে সেদিনই হাসপাতালে যান।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.