সেরা প্যাথলজিস্ট - ঢাকা
একটা মান ছাপানো সীমার বাইরে, এখন আবার নমুনা দিতে বলছেন
আমার বয়স পঁয়তাল্লিশ। ঢাকায় আমার একটা অপারেশনের পরিকল্পনা চলছে। গত সপ্তাহে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে হাসপাতাল থেকে রক্তের নমুনা নেওয়া হলো, তারিখ ঠিক হওয়ার আগে যেসব সাধারণ পরীক্ষা করা হয়। রিপোর্টে দেখা গেল, একটা মান পাশে ছাপানো সীমার বাইরে বসে আছে। সামান্য বাইরে, তবু বাইরে। এরপর সার্জনের অফিস থেকে ফোন এল: কিছু এগোনোর আগে আবার নতুন করে নমুনা দিতে হবে। কেন, সেটা কেউ বুঝিয়ে বলেনি। আর এই না জানাটাই সংখ্যাটার চেয়ে বেশি অস্বস্তিকর।
আমি মনে করি না আকাশ ভেঙে পড়েছে। কাগজের মান ছোট ছোট কারণে বদলাতে পারে। সতর্ক সার্জন হয়তো অপারেশনের আগে আরেকটা পরিষ্কার পাঠ চান শুধু। আমি চাই নিজের রিপোর্টটা বুঝতে। কোন লাইনগুলো দেখা হয়েছে? ওই একটা মান কেন তার ছাপানো সীমার বাইরে? আর দ্বিতীয় নমুনা কোন প্রশ্নের উত্তর দেবে, যেটা প্রথমটা পারেনি? খাওয়ার টেবিলে বসে একা একা অনুমান করা কোনো পরিকল্পনা নয়।
এই সাইটে ঢাকার তালিকাই সবচেয়ে বড়। নিচের তালিকাগুলো পুরো ঢাকার ডাক্তার ডিরেক্টরির ভেতরেই আছে। যেকোনো প্রোফাইল খুললেই সেই চিকিৎসকের নিজের বিষয়, চেম্বার আর রোগী দেখার সময় দেখতে পাবেন। শুধু নাম মিললেই ভরসা না করে এসব তথ্য যাচাই করে নিন।
3 available specialists found
একটা মান ছাপানো সীমার বাইরে, এখন আবার নমুনা দিতে বলছেন
তারিখ ঠিক করার আগে সার্জন রক্ত পরীক্ষা করেন কেন
অপারেশন শরীরের ওপর বড় একটা ধকল। তাই শুরু করার আগে দলটা জানতে চায়, এখন অবস্থা কেমন দাঁড়িয়ে আছে। রক্তের নমুনা সেই ছবির একটা অংশ দেয়। ল্যাবরেটরিতে প্যাথলজিস্ট পরীক্ষার তত্ত্বাবধান করেন আর ফিরে আসা রিপোর্টে সই করেন। সার্জন তারপর সেই পাতা পড়েন আমার বয়স, অন্য শারীরিক সমস্যা আর পরিকল্পিত অপারেশন মিলিয়ে। লাইনগুলো একসঙ্গে পড়া হয়।
ছাপানো সীমা আসলে কী
প্রতিটা ফলের পাশে ছাপানো দুটো সংখ্যা বেশির ভাগ সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে পাওয়া সীমা বোঝায়। এটা একটা ধারণা, বেড়া নয়। দিনের কোন সময়, একটু আগে খাওয়া, আগের রাতের খারাপ ঘুম, এমনকি নমুনা নেওয়া আর রাখার ধরনেও মান সামান্য বাইরে চলে যেতে পারে। আবার এটা এমন কিছুর প্রথম ইঙ্গিতও হতে পারে, যা দলটার আবার দেখা উচিত। আমার ক্ষেত্রে কোনটা সত্যি, তা বলতে পারেন যাঁরা সারাদিন এসব পাতা পড়েন।
তাহলে দ্বিতীয় নমুনা কেন
অবাক করা একটা মান আসলেই ঠিক আছে কি না, সতর্ক দল দ্বিতীয় নমুনা দিয়ে তা যাচাই করে। দ্বিতীয় পাঠ সীমার ভেতরে এলে প্রথমটা হয়তো একবারের ব্যাপার ছিল। দুটো পাঠ মিলে গেলে সার্জন শক্ত ভিত্তি পান, সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা সাজাতে পারেন। আবার রক্ত দেওয়া একটু বিরক্তিকর। কিন্তু অপারেশনের আগে ভুল অনুমান অনেক বেশি খারাপ।
সার্জনদের নিজের তালিকা যেখানে আছে
আমার অপারেশনের ব্যবস্থা হবে চিকিৎসা দলের মাধ্যমেই। তবে অনেক পাঠক নিজে সার্জনদের তালিকা দেখতে চান। ঢাকার জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইল এই একই ডিরেক্টরিতে তালিকাভুক্ত আছে। প্রতিটিতে চিকিৎসকের নিজের চেম্বার আর সময়ের তথ্য থাকে।
একটা সংখ্যার জন্য আমার ওষুধ বদলায় না
ছাপানো সীমার বাইরে থাকা একটা মান আমার প্রেসক্রিপশন নতুন করে লেখে না। নিয়মিত ওষুধগুলো চিকিৎসক যেভাবে ঠিক করে দিয়েছেন, সেই নিয়মেই খেয়ে যাচ্ছি। একই সময়ে খাই। নতুন রিপোর্ট দেখে চিকিৎসা দল অন্য কিছু বললেই কেবল বদল আসবে। ল্যাবরেটরির পাতা ওষুধ শুরুও করে না, বন্ধও করে না। বদল দরকার হলে সিদ্ধান্ত নেবেন আমার চিকিৎসক, বুঝিয়েও দেবেন।
ল্যাবরেটরিতে পৌঁছানোর পর আমার রক্তের নমুনা কে দেখেন?
ল্যাবরেটরির দল পরীক্ষাগুলো চালায়। আর সেখান থেকে বেরোনো রিপোর্টের দায়িত্বে থাকেন প্যাথলজিস্ট। সেই পাতাটাই শেষ পর্যন্ত আপনার চিকিৎসকের হাতে পৌঁছায়। তিনি আপনার সম্পর্কে জানা বাকি সবকিছুর সঙ্গে মিলিয়ে তা পড়েন।
একটা মান সীমার বাইরে মানেই কি আমার অপারেশন বাতিল?
না। এর মানে সাধারণত এই যে দলটা আগে আরেকটু পরিষ্কার ছবি চায়। দ্বিতীয় নমুনায় প্রশ্নটা মিটে যেতে পারে, তারপর পরিকল্পনা আগের মতোই এগোয়। আপনার ক্ষেত্রে কী হবে, তা শুধু আপনার চিকিৎসা দলই বলতে পারবে। সরাসরি তাঁদের জিজ্ঞেস করুন।
প্রথম রিপোর্ট মেনে নিয়ে এগিয়ে গেলেই হয় না কেন?
কারণ একটা পাঠ সাধারণ কারণেই এদিক-ওদিক হতে পারে। দ্বিতীয় নমুনায় খরচ প্রায় কিছুই না, অথচ দল জানতে পারে মানটা স্থির আছে কি না।
দ্বিতীয় পরীক্ষার আগেই কি রিপোর্টের লাইনগুলো বুঝিয়ে নেওয়ার কথা বলতে পারি?
পারেন, এটা যুক্তিসংগত চাওয়া। জিজ্ঞেস করুন, কোন লাইনগুলো দেখা হয়েছে, সীমার বাইরে থাকা মানটা সাধারণত কী বোঝায়, আর দ্বিতীয় নমুনা দিয়ে কী নিশ্চিত হতে চাওয়া হচ্ছে।
দ্বিতীয় নমুনা দেওয়ার আগে কোনো ওষুধ বন্ধ রাখব কি?
চিকিৎসা দল বললেই কেবল বন্ধ রাখুন। রক্ত পরীক্ষা বা অপারেশনের আগে নিজের অনুমানে নিয়মিত কোনো ওষুধ কখনো ছাড়বেন না। বিরতি দরকার হলে কোন ওষুধ, কখন থেকে, সেটা দলই ঠিক করে বলে দেবে।
এসব যাচাই চলতে চলতে যদি অসুস্থ হয়ে পড়ি?
তখন কাগজপত্র নয়, অসুখটার চিকিৎসা আগে। বেশি রক্তপাত, কিছুতেই না কমা জ্বর, শ্বাস নিতে কষ্ট, তীব্র ব্যথা কিংবা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা হলে সেদিনই হাসপাতালে যান। আপনি নিরাপদ না হওয়া পর্যন্ত দ্বিতীয় নমুনা আর অপারেশনের পরিকল্পনা অপেক্ষা করতে পারে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.