সেরা অর্থোপেডিক সার্জন - পাবনা
ভোরবেলা পায়ের বুড়ো আঙুলটা নাড়াতেই পারি না
বয়স আমার আটান্ন। ঘুম থেকে উঠে প্রথম কাজ রান্নাঘরে গিয়ে চুলা জ্বালানো। ইদানীং এই ছোট্ট হাঁটাটাই দিনের সবচেয়ে কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পায়ের বুড়ো আঙুলের গোড়ার গাঁটটা ভোরে শক্ত আর টনটনে হয়ে থাকে, যেভাবে ভাঁজ হওয়ার কথা সেভাবে হয় না। প্রতিটা কদমে ওই গাঁটের ওপর দিয়ে চাপ যায়, তাই খানিকক্ষণ টেনে টেনে হাঁটি। বেলা বাড়লে সাধারণত ছেড়ে আসে। পরের ভোরে আবার সেই একই গল্প শুরু।
আমাদের ক্লিনিকের ডাক্তার আঙুল বরাবর চাপ দিয়ে দেখলেন, মুখের দিকে তাকিয়ে ভাঁজ করতেও বললেন। সঙ্গে নেওয়া রিপোর্টগুলো দেখে তিনি ধীরে ধীরে মাথা নাড়লেন। রিপোর্ট পড়া আর পা নিজে পরীক্ষা করা এক জিনিস নয়, তিনি বললেন। হাড় ও গাঁটের কাজ করেন এমন সার্জন নিজে রিপোর্টগুলো খুঁটিয়ে পড়ুন, নিজের হাতে গাঁটটা পরখ করে দেখুন। তাঁর পরিকল্পনায় কোনোদিন হয়তো অপারেশন আসতে পারে, আবার হয়তো শুধু বিশ্রাম আর জুতার ধরন বদলালেই চলবে। কাগজের ওপর আন্দাজ নয়, আগে আমি তাঁর নিজের মতামত চাই।
পাবনা জেলার অর্থোপেডিক সার্জনদের প্রোফাইল নিচে দেওয়া আছে, পাশে চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময়সহ। সকালের দিকের সময়টাই নেব, কারণ আঙুলটা তখনই নিজের আসল অবস্থা জানান দেয়। অন্য বিষয়ের ডাক্তার খুঁজতেও অসুবিধা নেই: পাবনার ডাক্তারদের তালিকা থেকে জেলার সব বিষয়ের ডাক্তার এক জায়গাতেই পেয়ে যাবেন।
9 available specialists found
Prof. Dr. Md. Reazul Haque (Reza)
Dr. Md. Aksad Al Masur Anan
Dr. Md. Abu Taleb
Dr. Md. Masudur Rahman (Prince)
Dr. Md. Rashedul Haque
Dr. Hasan Al Habib Sagor
Dr. Md. Hasanusjaman Tutul
ভোরবেলা পায়ের বুড়ো আঙুলটা নাড়াতেই পারি না
পায়ের সব সমস্যা একই সার্জনের কাছে যায় না
আমার এই পায়ের আঙুলের জন্য হাড় ও গাঁটের সার্জনই ঠিক মানুষ। কিন্তু পরিবারে অন্য রকম ঝামেলাও আসে। পেটের গভীরে ব্যথা কিংবা চামড়ার নিচে বড় হতে থাকা গোটা দেখেন জেনারেল সার্জন। তিনি আমার পা পরীক্ষা করে যদি বোঝেন সমস্যাটা তাঁর বিষয়ের বাইরে, সোজাসুজি বলে দিলে আমারই উপকার। এই সাইটে তাঁদের নাম আলাদা অংশে সাজানো: পাবনার জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইল। কোন দরজা কার জন্য, আগে জানা থাকলে অযথা ঘোরাঘুরি কমে।
যেদিন পা ভার নিতে চাইবে না, সেদিন অপেক্ষা নয়
সকালের এই শক্তভাবের একটা নিয়মিত ছন্দ আছে, আর ছন্দ মেনে চলা সমস্যা ঠিক করা দিন পর্যন্ত থাকতে পারে। হঠাৎ ঘটনা ঘটলে সেই ছন্দ ভাঙে। পা যদি হঠাৎ শরীরের ভার নিতেই না চায়, সেটা সেদিনের বিষয়। কোনো জয়েন্ট শক্ত হয়ে আটকে গেলে, নাড়ালেই প্রচণ্ড লাগলেও একই কথা। আঘাতের পর ফোলা ঘণ্টার মধ্যে বাড়তে থাকলে ঘরে বসে থাকা যাবে না। পায়ের সাড় কমে গেলেও নয়। জ্বর ওঠার পাশাপাশি গাঁট গরম হয়ে ফুলে উঠলেও একই নিয়ম। তেমন সকালে হাসপাতালেই যেতে হবে, কিংবা কাছে হলে নিজের নিয়মিত ডাক্তারের কাছে।
পুরনো প্রেসক্রিপশন যেমন আছে তেমনই থাকবে
এই পায়ের সমস্যা ধরার আগ থেকেই আমার একটা নিয়মিত ওষুধ চলছে, আগের ডাক্তারের লিখে দেওয়া। সেটা চলছে লিখিত মাত্রা আর সময় মেনে, নিজে থেকে কিছু কমানো বাড়ানো হয়নি। নতুন সার্জনের নতুন মতামত এসে সেই নির্দেশ মুছে দেয় না। বদলের কথা উঠলে যিনি লিখে দিয়েছিলেন, তাঁর সঙ্গেই কথা বলতে হবে। কখনো অপারেশনের দিকে কথা এগোলে সার্জনের কাছে জানতে চাইব, ওই দিনগুলোর আগে পরে কোন ওষুধ থামিয়ে রাখা দরকার।
প্রথম দেখায় যেসব কথা তুলব বলে ভেবেছি
সকালেই আঙুলটা সবচেয়ে শক্ত থাকে, বেলা বাড়লে ছাড়ে। এই ধরনটা বলা জরুরি?
খুবই জরুরি। কখন শক্ত থাকে, কতক্ষণে ছাড়ে, কোন কাজে আবার জাগে, পরপর সাজিয়ে বলুন। এই ছন্দটাই তিনি পরীক্ষার সময় মিলিয়ে দেখবেন।
ঘরের ভেতরের হাঁটাই যদি এত কঠিন হয়, বাইরের কাজ কীভাবে সামলাব?
আপনার দিনটা ঠিক যেমন, সেভাবেই তাঁকে বলুন। ভোরের হাঁটা, বাজার, উঠোনের কাজ, কোন জায়গায় সবচেয়ে বেশি টান পড়ে। আসল দিনের হিসাবের ওপর দাঁড়িয়েই তিনি পরামর্শ দিতে পারবেন।
আগের রিপোর্টগুলো দুই জায়গায় ছড়িয়ে আছে। সব গুছিয়ে নিয়ে যাব?
গুছিয়ে নিন। আলাদা সময়ের রিপোর্ট মিলিয়ে তিনি দেখতে পাবেন আঙুলটার অবস্থা সময়ের সঙ্গে কীভাবে বদলেছে। অর্ধেক কাগজ থাকা আর কিছুই না থাকা এক নয়।
তিনি যদি বলেন আপাতত অপারেশন নয়, শুধু লক্ষ রাখতে হবে?
তাহলে সেটাই এই মুহূর্তের সঠিক উত্তর হতে পারে। পরীক্ষা করে তাড়াহুড়ো না করার সিদ্ধান্তও একজন সার্জনের বিচার। তিনি যেদিন আবার দেখতে বলবেন, সেই দিনটা ধরে রাখুন।
সকালে নরম জুতা পরলে একটু আরাম পাই। এটা কি তাঁকে বলা দরকার?
বলুন। কোন জুতায় কেমন লাগে, খালি পায়ে হাঁটলে কী হয়, এসব ছোট তথ্যই তিনি কাজে লাগান। নিজে থেকে স্থায়ী কোনো বদল আনার আগে তাঁর মত জানা ভালো।
কাল রাতে পা-টা হঠাৎ ফুলে উঠেছে, আজ ভরই দিতে পারছি না। আমার দেখা করার দিন আরও পাঁচ দিন পরে। কী করব?
অপেক্ষা করবেন না। দ্রুত বাড়তে থাকা ফোলা আর ভার নিতে না পারা পা সেদিনেরই বিষয়। আজই হাসপাতালে যান, কাছে হলে নিজের নিয়মিত ডাক্তারের কাছে। ঠিক করা দিন পরে বদলানো যাবে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.