সেরা অর্থোপেডিক সার্জন - গাজীপুর

দিন শুরুর আগেই দুই কাঁধ শক্ত হয়ে থাকে

গুদামে বস্তা আর কার্টন তোলার কাজ করি। এই দুই কাঁধ দিয়েই বিশ বছরের বেশি সময় পার করে দিলাম। বয়স এখন বাহান্ন। প্রতিদিন ভোরে ঘুম ভাঙলে দেখি দুই কাঁধ একদম শক্ত, যেন রাতজুড়ে জমে গেছে। প্রথম ঘণ্টাটা খুব কষ্টে কাটে। মুখ ধুতে গেলেও টান লাগে। মাথার উপর দিয়ে জামা পরতে দুইবার চেষ্টা করতে হয়।

বেলা একটু বাড়লে শক্তভাবটা ছেড়ে আসে, কাজও প্রায় আগের মতোই চলে। কিন্তু উপরের তাকের কাজে হার মানি। মাথার উপরে কার্টন তুললেই দুই বাহুতে গভীর টান পড়ে। ইদানীং ওই সারির কাজ কমবয়সী ছেলেদের দিয়ে করিয়ে নিই। আমার ডাক্তার রিপোর্টগুলো দেখলেন, নিজে দুই হাত নাড়িয়েও পরীক্ষা করলেন। তারপর বললেন, হাড় আর গাঁটের একজন সার্জন নিজে রিপোর্টগুলো পড়ে দেখুন। অপারেশন লাগতেও পারে, নাও পারে। তিনি অনুমান করে কিছু বললেন না, আর সেটাই আমার কাছে ভালো লেগেছে।

গাজীপুর জেলার অর্থোপেডিক সার্জনদের প্রোফাইলগুলো এই লেখার নিচে পরপর সাজিয়ে দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময়সহ। আপনার দরকার যদি অন্য কোনো বিষয়ের ডাক্তার হয়, তাহলে গাজীপুরের ডাক্তারদের পূর্ণ তালিকায় জেলার সব বিষয়ের ডাক্তার এক ঠিকানায় পেয়ে যাবেন।

3 available specialists found

Dr. Md. Fazlul Haque Qasem

Qualifications MBBS, MS (ORTHO), WHO Fellow (Thailand)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

Prof. Dr. Md. Abdur Rob

Qualifications MBBS, MS (ORTHO), Fellow, Spine Surgery (USA)
অবস্থান উত্তরা, ঢাকা

Prof. Dr. Monaim Hossen

Qualifications MBBS, MS (ORTHO), FACS (USA)
অবস্থান ধানমন্ডি, ঢাকা

দিন শুরুর আগেই দুই কাঁধ শক্ত হয়ে থাকে

সকালের ওষুধগুলো চলবে নিজের নিয়মেই

প্রতিদিন সকালে আমি যেসব ওষুধ খাই, সেগুলো অন্য কারণে দেওয়া, কাঁধ শক্ত হওয়ার অনেক আগের প্রেসক্রিপশন। ওষুধগুলো চলবে ঠিক যেভাবে লেখা আছে। কাঁধের কষ্টে কোনো ডোজ বাদ দেওয়ার বা বাড়িয়ে নেওয়ার অধিকার আমার হয় না। কখনো অপারেশনের দিন ঠিক হলে সার্জনের কাছে আমার প্রথম প্রশ্নই হবে, ওই সময়ে কোন ওষুধগুলো থামিয়ে রাখতে হবে আর কোনগুলো চলবে। তিনি উত্তর না দেওয়া পর্যন্ত আমি নিজে থেকে কিছুই বন্ধ করব না। শরীরের বাকি অংশ ওই ওষুধগুলোর নিয়মিত চলার উপরেই ভরসা করে আছে।

সব সমস্যা কাঁধের নয়

কাজ করা মানুষের শরীরে বছরের পর বছর নানা রকম সমস্যা জমে। চামড়ার নিচে ধীরে ধীরে বড় হতে থাকা ফোলা কাঁধের বিষয় নয়। শুকোতে না চাওয়া ঘা-ও নয়, পেটের গভীরে বারবার ফিরে আসা ব্যথাও নয়। এগুলো দেখেন জেনারেল সার্জন, তিনি আমার হাত পরীক্ষা করা ডাক্তারের চেয়ে আলাদা লক্ষণ পড়েন। আপনার সমস্যা যদি এই ধরনের হয়, এই সাইটে তাঁদের তালিকা আলাদা জায়গায় রাখা আছে: গাজীপুরের জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইল। কোন তালিকা দিয়ে শুরু করবেন জানা থাকলে একটা সকাল অনর্থক নষ্ট হয় না।

শক্ত কাঁধ অপেক্ষা করতে পারে, এসব লক্ষণ পারে না

যে কাঁধ বেলা বাড়লে নিজে নিজে ছেড়ে আসে, তার জন্য নির্ধারিত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা চলে। কিন্তু হঠাৎ বদলে যাওয়া অবস্থা পারে না। পড়ে যাওয়ার পর একটা হাত যদি একদমই না ওঠে, সেটা সাধারণ শক্তভাব নয়। ঘণ্টার মধ্যে ফুলে ওঠা আর তার সঙ্গে বাড়তে থাকা ব্যথাও নয়। হাতের অনুভূতি চলে গেলে সেদিনই চিকিৎসা দরকার। জ্বর উঠতে থাকা অবস্থায় কোনো গাঁট গরম হয়ে ফুলে উঠলেও তাই। এমন দিনে দেরি না করে হাসপাতালে যান, না হলে নিজের চেনা ডাক্তারের কাছে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ আঁকড়ে ধরে বসে থাকবেন না।

যাওয়ার আগে নিজে লিখে রাখা প্রশ্ন

প্রথম দিনেই কি সার্জন অপারেশনের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন?

আগে পরীক্ষা, তারপর কথা। আমার ক্ষেত্রে তিনি দুই হাত ধীরে ধীরে নাড়িয়ে দেখতে চাইলেন, তার আগে কোনো চূড়ান্ত কথা বললেন না। অপারেশন তাঁর একটা সম্ভাব্য উত্তর, দেখা করার শুরুর লাইন নয়।

আমার রিপোর্ট গত বছরের, সেগুলো নিয়ে যাওয়া কি কাজে লাগবে?

নিয়ে যান। পুরনো রিপোর্ট দেখলে বোঝা যায় তখন কাঁধের অবস্থা কেমন ছিল, তিনি বদলটা মিলিয়ে দেখতে পারবেন। পরে তিনি নতুন রিপোর্ট চাইতে পারেন, কিন্তু গল্পের শুরু ওই পুরনো সেট থেকেই।

ডান কাঁধে বেশি ব্যথা, বামটার কথা কি আলাদা করে বলতে হবে?

দুটোর কথাই বলুন, প্রতিবার। তিনি দুই পাশ মিলিয়ে দেখেন। কম ব্যথার কাঁধটা অনেক সময় বেশি ব্যথারটার মতোই অনেক কথা বলে দেয়।

এসব ঠিকঠাক না হওয়া পর্যন্ত গুদামের কাজ চালিয়ে যেতে পারব?

ভারের বিষয়ে তাঁকে নির্দিষ্ট করে বলতে বলুন। কোনটা মাথার উপরে তোলা যাবে, কোনটা কোমরের উচ্চতায় থাকবে, কোনটা আপাতত বন্ধ। কাজের সপ্তাহের ভেতরে ঝাপসা পরামর্শ টেকে না, পরিষ্কার সীমা টেকে।

তিনি যদি বলেন অপারেশনের দরকারই নেই, তাহলে?

তাহলে বিশ্রাম, কাজের ধরনে বদল আর সময় নিয়ে কাঁধের দিকে নজর রাখাই হয়তো সৎ পরিকল্পনা। অপারেশন ছাড়া বাড়ি পাঠানো সার্জনও আপনার কাজটাই করেছেন।

আজ কাজে পড়ে গেছি, এখন একটা হাত একদম উঠছে না। আমার দেখা করার দিন সামনের সপ্তাহে, কী করব?

সামনের সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন না। পড়ে যাওয়ার পর হঠাৎ নড়াচড়া বন্ধ হয়ে যাওয়া হাত অপেক্ষা করতে পারে না। দ্রুত বাড়তে থাকা ফোলা কিংবা অনুভূতি চলে যাওয়া হাতও নয়। সেদিনই হাসপাতালে যান, নয়তো নিজের নিয়মিত ডাক্তারের শরণ নিন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট সরানো যায়। ক্ষতিগ্রস্ত হাত অপেক্ষা করতে পারে না।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.