সেরা অর্থোপেডিক সার্জন - দিনাজপুর

সকালের প্রথম পা ফেলতেই সবচেয়ে বেশি লাগে

প্রতিদিন সকালটা এখন একইভাবে শুরু হয়। পা দুটো মেঝেতে নামিয়ে দাঁড়ালেই গোড়ালিতে এমন টান লাগে, মনে হয় পায়ের নিচে কোথাও থেঁতলে আছে। প্রথম কয়েক কদম খুব সাবধানে ফেলি। ঘরের ভেতর হাঁটতেও তখন সাবধান থাকতে হয়। তারপর আস্তে আস্তে ব্যথাটা সরে যায়। উঠোন পেরিয়ে মুখ ধুতে ধুতে প্রায় ভুলেই যাই। আবার পরদিন সকালে একই গল্প।

আমার নিয়মিত ডাক্তার রিপোর্টগুলো দেখেছেন, এই ধরনটার কথা আমার মুখে বহুবার শুনেছেন। তাঁর পরামর্শ পরিষ্কার। কোনো সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে হাড় আর গাঁটের সার্জন নিজে রিপোর্টগুলো পড়ে দেখুন। আমার বয়স পঞ্চাশ। নিজের পায়ের বিষয়ে আরেকজন অভিজ্ঞ মানুষের নিজের মতামত চাই। হতে পারে অপারেশন লাগবে। আবার শুধু বিশ্রাম আর হাঁটা-দাঁড়ানোর ধরন বদলালেই হতে পারে। রিপোর্টে যা আছে তার বাইরে তিনি নিজে পা ধরে দেখবেন, এটাও তাঁর কথা। আমি তারিখ নিতে যাচ্ছি না, শুনতে যাচ্ছি।

এই পাতার নিচের অংশে দিনাজপুর জেলার অর্থোপেডিক সার্জনদের প্রোফাইল দেওয়া আছে, পাশে চেম্বারের তথ্যসহ। চাইলে দিনাজপুরের সব ডাক্তারের তালিকা থেকেও অন্য বিষয়ের ডাক্তারদের দেখে নিতে পারেন।

1 available specialists found

Prof. Dr. Md. Kamrul Ahsan

Qualifications MBBS, D-ORTHO (DU), MS (ORTHO), followed by prestigious international fellowships including FRCS (Glasgow), FACS (USA), FICS (USA), and advanced training in Orthopedic Surgery (Japan) and Spine Surgery (USA, UK). Currently serving as Professor of Spine Surgery at Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University Hospital, he is recognized for offering advanced surgical and non-surgical solutions for both common and complicated orthopedic conditions. Prof. Dr
অবস্থান ধানমন্ডি, ঢাকা

সকালের প্রথম পা ফেলতেই সবচেয়ে বেশি লাগে

কিছু বদল আরেক দিনের জন্য ফেলে রাখা যায় না

সকালের একই ধরনের গোড়ালি-ব্যথা ঠিক করা দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু আমার ধরনটার একটা নিয়ম আছে, সেই নিয়ম ভাঙলেই সেটা আর অপেক্ষার বিষয় থাকে না। ধাক্কা খেয়ে পা দ্রুত ফুলতে শুরু করলে সেটা সকালের জড়তা নয়। হঠাৎ পায়ে ভর দিতে না পারলে কিংবা পা নাড়াতেই না পারলে ঘরে বসে থাকা ঠিক হবে না। পায়ের অনুভূতি কমে যেতে থাকলেও একই কথা। জ্বর বাড়ার সঙ্গে কোনো গাঁট গরম হয়ে ফুলে উঠলেও তাই। এসবের যেকোনো একটা দেখা দিলে সেদিনই হাসপাতাল, নইলে নিজের নিয়মিত ডাক্তার। অ্যাপয়েন্টমেন্টের কাগজের তারিখ তখন পেছনে পড়ে যাবে।

নতুন ডাক্তার এলেও পুরোনো প্রেসক্রিপশনটাই চলবে

নিয়মিত ডাক্তারের লিখে দেওয়া ওষুধ আমি তাঁর বলা নিয়মেই খেয়ে যাচ্ছি। নতুন একজন বিশেষজ্ঞ নতুন রিপোর্ট পড়ছেন বলেই সেই নিয়ম থেমে যায় না। সার্জন আমার বিষয়টা বুঝতে যতদিন লাগান, ওষুধ আগের মাত্রায় আগের সময়েই চলবে। কখনো এই পায়ের অপারেশনের পরিকল্পনা হলে তাঁকে মুখোমুখি জিজ্ঞেস করব, কোন ওষুধগুলো এর আগে পরে বন্ধ রাখতে হবে। তিনি না বলা পর্যন্ত নিজের অনুমানে কোনো বদল আনব না।

সমস্যাটা যদি জেনারেল সার্জনের এলাকায় পড়ে

হাড়-গাঁটের সার্জন হাড় আর গাঁটই দেখেন, তার বাইরের সবটা তাঁর বিষয় নয়। তিনি আমার পা পরীক্ষা করে যদি বোঝেন আসল ঝামেলাটা তাঁর এলাকার বাইরে, সেটা শুরুতেই জেনে যাওয়া ভালো। জেনারেল সার্জনের হাতে যেসব সমস্যা যায়, এই সাইটে সেগুলোর তালিকা আলাদা করে রাখা আছে: দিনাজপুরের জেনারেল সার্জনদের প্রোফাইল। পরিবারে বছরের পর বছর নানা ধরনের ডাক্তার লাগে, তাই তালিকাটা কোথায় আছে আগে থেকে জানা থাকলে দরকারের দিনে খুঁজতে হয় না।

দেখা ঠিক করার আগে যেসব জিজ্ঞাসা ছিল

সকালে তীব্র লাগে, দুপুরে গিয়ে হালকা। এটা নিয়েও কি সার্জনের কাছে যাওয়া যায়?

তিনি ঠিক এই ধরনটাই শুনতে চাইবেন। কখন বাড়ে, কখন কমে, শুরু হওয়ার আগে আপনি কী করছিলেন। প্রতিদিন ফিরে আসা ধরন ছোট অভিযোগ নয়, এটা একটা তথ্য।

কাজে আমাকে বেশিরভাগ সময় দাঁড়িয়েই থাকতে হয়। তিনি কি কাজ ছাড়তে বলবেন?

তাঁকে নিজের আসল দিনটা খুলে বলুন। কোন ঘণ্টা দাঁড়ানো, কোনটা হাঁটা, কোথায় বসার সুযোগ আছে। আসল রুটিনের ওপর দাঁড়ানো পরামর্শই মেনে চলা যায়।

বাড়িতে গত বছরের রিপোর্ট আছে। সেগুলো কি এখনও কাজে লাগবে?

সঙ্গে নিয়ে যান। পুরোনো রিপোর্টে দেখা যায় গোড়ালিটা তখন কেমন ছিল, এখন তিনি যেটা পাচ্ছেন তার সঙ্গে মেলাতে পারবেন। পরে নতুন রিপোর্ট চাইতেই পারেন, তবু পুরোনো কাগজগুলোর জায়গা ফাইলে আছেই।

তিনি যদি বলেন কয়েক মাস দেখে যাওয়াই যথেষ্ট?

তাহলে দেখে যাওয়াটাই পরিকল্পনা। সেটাকেও অন্য যেকোনো পরিকল্পনার মতোই গুরুত্ব দিতে হবে। যে সার্জন পিছিয়ে আসেন, তিনি বলছেন পা-টা আজ খোলার দরকার নেই। এটাও একটা সত্যিকারের উত্তর।

ছুটির দিনে বিশ্রাম নিলে ব্যথাটা একটু কমে। এত ছোট কথা কি বলা দরকার?

বলুন। কোন কাজে ব্যথা কমে আর কোন কাজে জেগে ওঠে, এই দুই সূত্রের ওপরেই তিনি এগোবেন। নিজের সপ্তাহের ছোট পর্যবেক্ষণ অনেক সময় লম্বা বর্ণনার চেয়ে বেশি কাজে লাগে।

আজ সকালে ধাক্কা খেয়ে পা ফুলে গেছে, মাটিতে ভর দিতে পারছি না। ঠিক করা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। ধাক্কার পর দ্রুত বেড়ে যাওয়া ফোলা সেদিনেরই বিষয়। ভর দিতে না পারা পা, কিংবা অনুভূতি কমে যাওয়া পা হলেও তাই। আজই হাসপাতালে যান, নইলে যাঁর কাছে নিয়মিত দেখান তাঁর কাছে। ঠিক করা দেখা পরে সরানো যায়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.