সেরা অর্থোপেডিক সার্জন - বাগেরহাট

সিঁড়িতে উঠলেই হাঁটুটা ছেড়ে দেয়

আমার বয়স বাহান্ন, ডান হাঁটুর ব্যথাটা প্রায় এক বছর ধরে চলছে। শুরুতে শুধু দিনের শেষে টের পেতাম। তারপর ব্যথাটা সিঁড়িতে এসে ঠেকল। ওপরে উঠতে গেলে মনে হয় হাঁটুটা বুঝি ভেঙে পড়বে। নামার সময় অবস্থা আরও খারাপ। আর উবু হয়ে বসা, যেটা আমাদের রোজকার নানা কাজে লাগে, সেটাই এখন সবচেয়ে কঠিন। দিনের কাজ সাজাই এই হাঁটুটা এড়িয়ে চলার হিসাব করে।

আমি যাঁর কাছে নিয়মিত দেখাই, তিনি আমার রিপোর্টগুলো দেখেছেন, এ পর্যন্ত যা যা জোগাড় হয়েছে সবই। তাঁর কথা সোজা। এই হাঁটু নিয়ে কোনো সিদ্ধান্তের আগে হাড় আর গাঁটের সার্জন নিজে রিপোর্টগুলো পড়বেন। নিজে হাতে পা পরীক্ষাও করবেন। সেই দেখা থেকে আমি চাই সত্যি কথাটা, অপারেশনের তারিখ নয়। হতে পারে তিনি বলবেন, অপারেশনই এই হাঁটুর ঠিক পথ। হতে পারে বলবেন, বিশ্রাম আর হাঁটুর ব্যবহারে বদল আনাটাই ভালো রাস্তা। আবার ছুরি-কাঁচির দরকারই নেই, এমনও বলতে পারেন। তাড়াহুড়ো করে পাওয়া উত্তরের চেয়ে ধীরে পাওয়া সত্যি উত্তর আমার কাছে বেশি ভরসার।

বাগেরহাটের অর্থোপেডিক সার্জনদের তালিকা এই পাতার নিচের অংশে সাজানো আছে, দেখে নিতে পারবেন। দরকার যদি পড়ে একদম অন্য বিষয়ের ডাক্তার, বাগেরহাটের ডাক্তারদের পূর্ণ তালিকা পুরো জেলাটাকে এক জায়গায় রেখেছে।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

সিঁড়িতে উঠলেই হাঁটুটা ছেড়ে দেয়

চলমান ওষুধ নিজের খেয়ালে নাড়াচাড়া করব না

আমার নিয়মিত ডাক্তার আমাকে কিছু ওষুধ দিয়েছেন, সেগুলো চলছে ঠিক যেভাবে তিনি লিখে দিয়েছেন। হাঁটুর সমস্যা সেই ওষুধ এদিক-ওদিক করার ছাড়পত্র নয়। পা কোনো দিন বেশি ব্যথা করলেই কোনো মাত্রা থামানো, বাদ দেওয়া কিংবা দ্বিগুণ করা চলবে না। কখনো যদি অপারেশনের কথা ওঠে, সার্জনকে সরাসরি জিজ্ঞেস করব, কোন ওষুধ কতদিনের জন্য থামাতে হবে। কোনো ডাক্তার মুখে বলে না দেওয়া পর্যন্ত প্রতিটা মাত্রা আগের জায়গাতেই থাকবে।

সব সমস্যা হাঁটুর সার্জনের ঘরের নয়

হাড় আর গাঁটের সার্জন একটা নির্দিষ্ট অংশ নিয়ে কাজ করেন, পুরো শরীর নয়। কিছু সমস্যা দেখতে তাঁর ঘরের মনে হলেও আসলে থাকে অন্য জায়গায়। আমারটা সেরকম হলে তিনি সেটা খোলাখুলি বলে দেবেন। সমস্যা যদি জেনারেল সার্জনের হাতে যাওয়ার মতো হয়, এই সাইটে সেসব তালিকা আলাদা করে রাখা আছে: বাগেরহাটের জেনারেল সার্জনদের তালিকা। কোন দরজায় আগে যেতে হবে সেটা জানা থাকলে অনর্থক ঘোরাঘুরি বাঁচে।

অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা যেদিন ঠিক সিদ্ধান্ত নয়

মাসের পর মাস একই রকম আচরণ করা হাঁটুর ব্যথা নিজের নির্ধারিত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু হঠাৎ বদলে যাওয়া পা পারে না। পা নাড়াতে না পারা কিংবা ভর দিতে না পারা মানে দিনটা আর সাধারণ নয়। ধাক্কা খাওয়ার পর তীব্র ব্যথা আর ঘণ্টায় ঘণ্টায় বাড়তে থাকা ফোলাও তাই। হাতে বা পায়ের পাতায় অনুভূতি কমে গেলে ধৈর্য নয়, চিকিৎসা দরকার। আর জ্বরের সঙ্গে কোনো গাঁট হঠাৎ গরম হয়ে ফুলে উঠলেও ঘরে বসে থাকা যাবে না। এমন যেকোনো দিনে সার্জনের তালিকার আগে আসবে হাসপাতাল অথবা নিজের নিয়মিত ডাক্তার।

দেখা করার দিন ঠিক হওয়ার আগে যা যা জিজ্ঞেস করেছিলাম

প্রথম দেখাতেই কি সার্জন আমাকে অপারেশনের দিকে ঠেলবেন?

এই ভয়টা অনেকেরই থাকে, তিনি নিজেই হয়তো কথাটা তুলবেন। তাঁর প্রথম কাজ হাঁটু পরীক্ষা করা আর রিপোর্ট পড়া, অপারেশনের তারিখ ঠিক করা নয়। সত্যি উত্তর এমনও হতে পারে যে অপারেশন লাগবেই না।

বাড়িতে আমার আগের রিপোর্ট আছে। সেগুলোই দেখবেন, নাকি আবার গোড়া থেকে শুরু?

সঙ্গে নিয়ে যান। হাঁটু নিয়ে সিদ্ধান্তের আগে সার্জন দেখতে চান আগে কী কী পাওয়া গেছে, সাজানো গোছানো অবস্থায়। গোড়া থেকে আবার শুরু মানে নিয়মিত ডাক্তারের শেখা জিনিসগুলো ফেলে দেওয়া।

ব্যথা এক হাঁটুতে, কিন্তু সন্ধ্যায় দুই পা-ই ক্লান্ত লাগে। এটাও কি বলব?

সবটাই বলুন, যেটা অপ্রাসঙ্গিক মনে হয় সেটাও। ভালো পা-টা কীভাবে সামলাচ্ছে, তাতেই বোঝা যায় আপনি আসলে কীভাবে হাঁটছেন। অনেকেই ঠিক সেই কথাটাই বাদ দিয়ে যান, যেটা পরামর্শ বদলে দিত।

তিনি যদি অপারেশন না করে বিশ্রাম আর অভ্যাস বদলের কথা বলেন?

তাহলে সেটাই চিকিৎসা, সেটাকেও একই গুরুত্বে নিতে হবে। বিশ্রাম মানে বিদায় করে দেওয়া নয়। মানে এই বিচার, যে হাঁটুটা না খুলেই সামলে উঠতে পারে। অনেক হাঁটু সেভাবেই সামলে ওঠে।

অপেক্ষা করে দেখার সময়টায় রোজকার কাজ চালিয়ে যেতে পারব তো?

তাঁকে ভার নিয়ে নির্দিষ্ট করে বলতে বলুন। কোন নড়াচড়া এড়াতে হবে, কোনটা চলবে, সিঁড়ি কতটা উঠলেই বেশি হয়ে যায়। অস্পষ্ট পরামর্শ ব্যস্ত সপ্তাহে গিয়ে বদলে যায়, তাই কথাগুলো গুছিয়ে নেওয়াই ভালো।

পড়ে গিয়ে হাঁটু দ্রুত ফুলে গেছে আর ভর দিয়ে দাঁড়াতে পারছি না। তবু নির্ধারিত দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। পা নাড়াতে বা ভর দিতে না পারলে অপেক্ষা করা যাবে না। আঘাতের পর দ্রুত বেড়ে যাওয়া ফোলা, অনুভূতি কমে যাওয়া, কিংবা জ্বরসহ গরম ও ফোলা গাঁট হলেও নয়। সেদিনই হাসপাতাল অথবা নিজের নিয়মিত ডাক্তার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.