সেরা নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - সাভার

অপারেশনের এক বছর পর ভেতরের নতুন ছবি

আমার বয়স ঊনষাট। এই মাসেই আমার পেটের অপারেশনের এক বছর পূর্ণ হলো। দাগটা ফিকে হয়ে হালকা একটা রেখার মতো আছে। খাওয়াদাওয়ায় নিয়ম মানি, প্রতিদিন সকালে হাঁটি। বেশিরভাগ দিন নিজেকে আগের মতোই মনে হয়। গত সপ্তাহে বছরের চেকআপে গিয়ে জমিয়ে রাখা প্রশ্নটা করেই ফেললাম। আমার ওষুধগুলোর কয়েকটা কি এবার বন্ধ হতে পারে?

তিনি তখনই উত্তর দিলেন না। বললেন, একটা ওষুধও ছাঁটার আগে তিনি দেখতে চান, জায়গাটা এখন ভেতরে কীভাবে কাজ করছে। তাই তাঁর চিঠি সঙ্গে করে আমাকে যেতে হচ্ছে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে। ওখানে খুব সামান্য পরিমাণে একটা বিশেষ ওষুধ দেওয়া হয়, সেটা ছবিতে দেখা যায়। ছবিতে পেটের ওই অংশের শুধু আকার নয়, কাজটাও ধরা পড়ে। বিশেষজ্ঞ আগে তাঁর পাঠানো চিঠি আর আমার পুরোনো রিপোর্ট পড়ে নেবেন। তারপর ধাপে ধাপে বুঝিয়ে দেবেন কী কী হবে। সেখান থেকে লিখিত ফলাফল পৌঁছে যাবে আমার ডাক্তারের কাছে। তারপরই তিনি আমাকে বসিয়ে ঠিক করবেন, কী বদলানো যায়।

সাভারের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকা এই পাতার নিচে সাজিয়ে দেওয়া আছে। আরও বড় পরিসরে খুঁজতে চাইলে এই সাইটের সাভারের ডাক্তারদের ডিরেক্টরিতে নানা ধরনের ডাক্তার এক জায়গায় পাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

অপারেশনের এক বছর পর ভেতরের নতুন ছবি

আমার ফাইলের একটা অংশ যদি অন্য ডাক্তারের হাতে যায়

যাঁরা আমার অপারেশন করেছেন, তাঁরা তাঁদের কাজটা করেছেন। তারপরের এই একটা বছর ধরে রেখেছেন আমার নিজের ডাক্তার। তিনি একটা কথা বারবার বলেছেন। লম্বা সেরে ওঠার পথে মাঝে মাঝে মেডিসিন বিশেষজ্ঞের হাতও লাগে। তাঁরা ওষুধ দিয়ে পুরো শরীরের খোঁজ রাখেন, নিয়মিত দেখে নেন। আমার ফাইলের কিছু অংশ সেখানে যাওয়া উচিত মনে হলে আমি আপত্তি করব না। এই সাইটে তাঁদের নিজস্ব আলাদা পাতা আছে, সাভারের মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকা। উপরের তালিকার সঙ্গে সেটা মেশানো হয়নি।

তিনি না বললে ওষুধের তালিকা ছোঁব না

আমার মনের কথাটা খোলাখুলিই বলি। ওই চেকআপে আমি গিয়েছিলাম ছোট একটা তালিকার আশা নিয়ে। কিন্তু নতুন ছবি পড়া না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বদলাবে না। প্রতিটা ট্যাবলেট এখনো নামছে তার নিজের সময়ে, নিজের পরিমাণে। আশার বশে আগেভাগে ছাঁটা কোনো পরিকল্পনা নয়। ওটা নেহাত আন্দাজ।

স্ক্যানের আগে বিভাগে জিজ্ঞেস করে নেব, সেদিন সকালে আমার কোন ওষুধগুলো তাদের কাছে জরুরি। কোনো একটা সেদিন অন্যভাবে নিতে বললে, সেই নির্দেশ শুধু সেদিনের জন্যই। স্থায়ী সিদ্ধান্ত থাকবে যিনি ওষুধগুলো লিখেছেন, তাঁরই হাতে। বিভাগ থেকেও কিছু জিজ্ঞেস করা হয়। সবার কাছেই তারা জিজ্ঞেস করে নেয়, এই মুহূর্তে কোন কোন ওষুধ চলছে। নারীদের জিজ্ঞেস করা হয় গর্ভাবস্থার কথা, আর বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানোর কথা। যা জিজ্ঞেস করা হয়, পুরোটা সত্যি করে উত্তর দেব।

খারাপ দিন ক্যালেন্ডার দেখে আসে না

এক বছর ভালোভাবে সেরে উঠেছি ঠিকই, কিন্তু খারাপ দিন আমার জন্যও আসতে পারে। বুকে ব্যথা চেপে এলে আমি স্ক্যানের অপেক্ষায় থাকা মানুষ নই। আমি হাসপাতালে ছোটা মানুষ। শ্বাস ভারী আর কঠিন হয়ে উঠলেও একই উত্তর। অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কিংবা ব্যাখ্যা মেলে না এমন হঠাৎ দুর্বলতাও তাই। হঠাৎ মাথার ভেতরটা ঘোলাটে হয়ে যাওয়াও এই তালিকায় আছে। নামার বদলে বেড়েই চলা জ্বরও আছে। সেদিনই আমার নিয়মিত ডাক্তার, নইলে সবচেয়ে কাছের হাসপাতাল। ফলো-আপের ছবি আবার তোলা যাবে।

হ্যাঁ বলার আগে যা জানতে চেয়েছিলাম

একটা ট্যাবলেট ছাঁটার আগেও ছবি কেন লাগবে তাঁর?

কারণ আমার বাইরেটা যত তাড়াতাড়ি সেরেছে, ভেতরটা নিয়ে তত তাড়াতাড়ি কেউ নিশ্চিত হতে পারে না। পুরো এক বছর পর জায়গাটা এখন কীভাবে কাজ করছে, তিনি তা দেখতে চান। সেটা সামনে পেলেই তিনি তালিকায় হাত দেবেন।

স্ক্যানের দিনেই কি কিছু বদলে যাবে?

না। বিভাগ শুধু ছবি তোলে আর রিপোর্ট লেখে। সেই রিপোর্ট যায় আপনার ডাক্তারের কাছে। বদল হলে তা ঠিক হবে তাঁর টেবিলে, আপনাকে সামনে বসিয়ে। করিডোরে দাঁড়িয়ে কিছুই ছাঁটা হবে না।

যাওয়ার আগে সকালের ট্যাবলেটগুলো বাদ দিয়ে যাব?

দিনের আগেই বিভাগে জিজ্ঞেস করুন, আর তাঁরা যা বলেন হুবহু তাই করুন। নিজের আন্দাজে বাদ দিলে ছবি নষ্ট হতে পারে, আপনার ক্ষতিও হতে পারে। স্ক্যান যাঁরা চালান, তাঁরাই জানেন সেদিন সকালে কোন ওষুধ জরুরি।

সঙ্গে কী কী নিয়ে যাব?

সবার আগে ডাক্তারের পাঠানো চিঠিটা। তারপর হাতে থাকা পুরোনো সব রিপোর্ট, আর কাগজে লিখে নেওয়া ওষুধের তালিকা। লম্বা একটা দিনে কাগজ টেকে, স্মৃতি টেকে না।

এক বছর তো হয়ে গেছে, নিজে নিজে ট্যাবলেট বন্ধ করে দিলেই হয় না?

ঠিক এই কাজটাই করতে তিনি আমাকে নরমভাবে, কিন্তু পরিষ্কার করে মানা করেছেন। ডোজগুলো ঠিক করা হয়েছিল আমার পুরো রেকর্ড মিলিয়ে, যেটা একমাত্র তিনিই একসঙ্গে ধরে রেখেছেন। এক বছরের ধৈর্যের শেষটা হঠাৎ শর্টকাটে হওয়া উচিত নয়।

কোনো সন্ধ্যায় বাড়িতে হঠাৎ ঢলে পড়লে স্ক্যানের বিভাগে ফোন করব?

করবেন না। ঢলে পড়া, বুকে ব্যথা, শ্বাসের কষ্ট, হঠাৎ দুর্বলতা, মাথা ঘোলাটে হয়ে যাওয়া কিংবা না ভাঙা জ্বর মানেই তখনই হাসপাতাল। নইলে নিজের নিয়মিত ডাক্তার। বিভাগের কাজের সময় বাঁধা। জরুরি অবস্থার কোনো সময় বাঁধা নেই।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.