সেরা নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - রংপুর

খাওয়ার পর খালি হয় যে ছোট অঙ্গ

আমার বয়স সাতান্ন। দুপুরের খাওয়াটা এখন আমার কাছে একটা ভয়ের নাম। ভাতটা পেটে যায় ঠিকঠাক। ঘণ্টাখানেক পর ডান দিকের পাঁজরের নিচে চাপা একটা ব্যথা জেগে ওঠে। সারা বিকেল সেটা ওখানেই বসে থাকে। কোনো দিন সন্ধ্যার দিকে মিলিয়ে যায়। কোনো দিন রাতে শোয়ার সময়ও সঙ্গে থাকে।

ডাক্তার পাঁজর বরাবর হাত বুলিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, খারাপ দিনগুলোতে কী খেয়েছিলাম। প্লাস্টিকের ফোল্ডারে করে আনা পুরোনো রিপোর্টগুলোও তিনি মন দিয়ে পড়লেন। বললেন, পাঁজরের নিচে ছোট্ট যে থলিটা হজমের রস জমিয়ে রাখে, সেটা হয়তো ঠিকমতো চাপ দিয়ে খালি হচ্ছে না। আন্দাজে কিছু বলতে তিনি রাজি নন। আমাকে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগে পাঠালেন। ওখানে স্ক্যানে দেখা হয়, খাওয়ার পর থলিটা কীভাবে ভরে আর কীভাবে খালি হয়। আগে খুব সামান্য পরিমাণে একটা বিশেষ ওষুধ দেওয়া হয়, সেটাই ছবিতে দেখা যায়। সবকিছুর আগে বিশেষজ্ঞ তাঁর চিঠি আর পুরোনো রিপোর্টগুলো পড়ে নেবেন। ছবি তোলার ধাপগুলো তিনি বুঝিয়ে বলবেন। ছবিতে যা-ই উঠুক, ফল যাবে আমার নিজের ডাক্তারের কাছেই।

রংপুরের নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকা এই পাতার নিচেই সাজানো আছে। শুধু একটা বিভাগ নয়, সব ধরনের ডাক্তার এক জায়গায় খুঁজতে চাইলে এই সাইটের রংপুরের ডাক্তারদের ডিরেক্টরি দেখতে পারেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

খাওয়ার পর খালি হয় যে ছোট অঙ্গ

আগে থেকে চলা ওষুধ স্ক্যানের জন্য থামে না

প্রতিদিন সকালে দুটো আর রাতে একটা করে প্রেসক্রিপশনের ওষুধ খাই আমি। এই ব্যথা শুরু হওয়ার অনেক আগে থেকে ওষুধগুলো লেখা, প্রতিটার সময় বাঁধা। স্ক্যানের তারিখ এসেছে বলে সেই নিয়মে কোনো বদল আসবে না। প্রতিটা ডোজ চলবে হুবহু যেভাবে লেখা আছে।

দিনটা আসার আগেই বিভাগে ফোন করে একটা কথা জেনে নেব। স্ক্যানের সকালে আমার কোন ওষুধগুলো তাদের হিসেবে জরুরি? সেদিন কোনো একটা অন্যভাবে নিতে হলে, সেটা তাদের মুখ থেকেই শুনব। স্থায়ী কোনো বদল আনার অধিকার শুধু যাঁর নাম প্রেসক্রিপশনে আছে, তাঁর। বিভাগেরও নিজস্ব কিছু জিজ্ঞাসা থাকে। প্রত্যেক রোগীকে জিজ্ঞেস করা হয়, এখন কী কী ওষুধ চলছে। নারীদের জিজ্ঞেস করা হয়, গর্ভাবস্থা আছে কি না, আর বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে কি না। সোজা প্রশ্নের সোজা উত্তর। এর বেশি কিছু তারা চায় না।

উত্তরটা যদি অন্য ধরনের ডাক্তারের কাছে থাকে

এই কথাটা ডাক্তার নিজের মুখেই বলেছেন, শুনে ভালো লেগেছে আমার। ছবি যদি তাঁর টেবিলের বাইরের দিকে ইশারা করে, তিনি তা লুকাবেন না। কিছু সমস্যার দীর্ঘদিন ধরে খোঁজ রাখেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা ওষুধ দিয়ে পুরো শরীরের চিকিৎসা করেন, মাঝে মাঝে দেখে নেন। এই সাইটে তাঁদের জন্য আলাদা পাতা রাখা আছে, রংপুরের মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকায়। ভদ্রতা করে আটকে রাখার চেয়ে সৎভাবে অন্যের কাছে পাঠানো আমার কাছে অনেক ভালো।

যেদিন ব্যথাটাই আর আসল সমস্যা থাকে না

দুপুরের খাওয়ার পরের ব্যথা তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু সবকিছু পারে না। বুকে পিষে ধরা ব্যথা এলে সেটা স্ক্যানের দিনের প্রশ্ন নয়। শ্বাস নেওয়া কষ্টের কাজ হয়ে উঠলেও নয়। কোনো সন্ধ্যায় অজ্ঞান হয়ে গেলে আমার বাড়ির লোক জানে, আগে হাসপাতাল, প্রশ্ন পরে। হঠাৎ শরীরের একদিকে জোর চলে যাওয়াও তাই। হঠাৎ চিন্তা গুলিয়ে যাওয়াও বাদ নয়। সারারাত ধরে ওঠা জ্বর, নামতে না চাইলে, সেটাও এই তালিকায় পড়ে। সেদিন আমার স্ক্যান অপেক্ষা করবে। আমার নিয়মিত ডাক্তার কিংবা সবচেয়ে কাছের হাসপাতাল অপেক্ষা করবে না।

তারিখে রাজি হওয়ার আগে যা যা জিজ্ঞেস করেছিলাম

ডাক্তারের হাতে যা ধরা পড়ে না, স্ক্যানে তা কীভাবে ধরা পড়বে?

তাঁর হাত আর প্রশ্নে অনেক কিছুই জানা যায়, কিন্তু থলিটার কাজ চোখে দেখা যায় না। স্ক্যানে বিশেষ ওষুধটাকে অনুসরণ করে দেখা হয়, খাওয়ার পর থলি কীভাবে ভরছে আর খালি হচ্ছে। তাঁর হাতে ঠিক এই টুকরোটাই নেই।

খালি পেটে যাব, নাকি খেয়ে যাব?

দিনের আগেই বিভাগ থেকে নির্দেশ জানিয়ে দেওয়া হবে। খাওয়া, পানি কিংবা সকালের ওষুধ নিয়ে যা বলা হবে, হুবহু তাই মানুন। কোনো অংশ পরিষ্কার না হলে ফোন করে আবার জেনে নিন।

ছবি তুলতে গিয়ে ব্যথা লাগবে?

ওষুধটা দেওয়া হয় খুব অল্প পরিমাণে। তারপর আপনি চুপচাপ শুয়ে থাকবেন, যন্ত্রটা ছবি তুলতে থাকবে। প্রতিটা ধাপ হওয়ার আগে কর্মীরা বুঝিয়ে দেন। তাঁদের বর্ণনা শুনে মনে হয়েছে, সময়ের বেশিরভাগটাই কাটে অপেক্ষা আর শুয়ে থাকায়।

ছবি দেখে মানে কে বুঝিয়ে দেবেন?

লিখিত রিপোর্ট পৌঁছাবে যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন, তাঁর কাছে। পুরোনো রিপোর্টের পাশে রেখে তিনিই আপনাকে বসিয়ে বুঝিয়ে বলবেন। করিডোরে দাঁড়িয়ে কারো মুখে রায় শোনার ব্যাপার নেই।

ছেলে কি আমার সঙ্গে বিভাগে যেতে পারবে?

বুকিংয়ের সময়ই বিভাগে জিজ্ঞেস করে নিন। কে কোথায় বসে অপেক্ষা করবে, সেই নিয়ম তাদেরই হাতে। যাতায়াতে পরিবারের কেউ সঙ্গে থাকলে মনের জোর বাড়ে, এ আমরা সবাই জানি।

মাঝরাতে ব্যথা হঠাৎ ভয়ংকর হয়ে উঠলে স্ক্যানের তারিখ পর্যন্ত অপেক্ষা করব?

না। তীব্র ব্যথাই যথেষ্ট। বুকে পিষে ধরা ভাব, শ্বাসের কষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া থাকলেও তাই। হঠাৎ দুর্বলতা, মাথা গুলিয়ে যাওয়া আর বেড়েই চলা জ্বরও সেই দলেই পড়ে। সবগুলোর একটাই মানে। সেদিনই হাসপাতাল, নইলে নিজের নিয়মিত ডাক্তার। অ্যাপয়েন্টমেন্ট আবার নেওয়া যাবে।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.