সেরা নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - নোয়াখালী

ওষুধ চলার ফাঁকে নজরদারি ছবি

আমার বয়স একচল্লিশ, আর আমার জীবনের একটা অংশ ঘড়ির কাঁটা ধরে চলে। প্রতিদিনের ওষুধটা, বছরের পর বছর। বেশির ভাগ দিন আমি একদম স্বাভাবিক থাকি। রান্না করি, কাজ করি, ছোটখাটো বিষয়ে মতান্তরও হয়। আমার দিনগুলো দেখে বোঝার উপায় নেই, শরীরের একটা অংশের ওপর আলাদা করে নজর রাখতে হয়।

আমার ডাক্তার প্রতি বছর একটা তারিখ গোল দাগ দিয়ে রাখেন। ডান পাঁজরের নিচে থাকা বড় অঙ্গটার নতুন ছবি তিনি দেখতে চান। ওষুধ চলতে চলতে সেটা নিজের কাজটা কীভাবে সামলাচ্ছে, তা জানার জন্যই। এই ছবি তোলে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিভাগ। সেখানে ছবিতে দেখা যায় এমন একটা বিশেষ ওষুধ সামান্য পরিমাণে দেওয়া হয়। ওটা ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় ছবিতে ধরা পড়ে, অঙ্গটা ভেতরে কীভাবে কাজ করছে। কিছু শুরু হওয়ার আগে বিশেষজ্ঞ আমার ডাক্তারের নোট আর আগের রিপোর্টগুলো পড়ে নেন। কাজ শেষ হলে লিখিত ফলাফল ফিরে যায় আমার ডাক্তারের কাছে। কোনটা একই থাকবে আর কোনটা বদলাবে, তিনি আমার সঙ্গে বসেই ঠিক করেন। ওই বসাটার জন্যই সারা বছরের অপেক্ষা।

এই পাতার নিচে নোয়াখালীর নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকা গুছিয়ে রাখা আছে। জেলার সব ধরনের ডাক্তার আরও বিস্তারিত দেখতে চাইলে নোয়াখালীর ডাক্তারদের ডিরেক্টরিতে সবাইকে পাশাপাশি পাবেন।

0 available specialists found

🏜️

No Specialists Found

We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.

ওষুধ চলার ফাঁকে নজরদারি ছবি

ভালো থাকা মানেই হঠাৎ বাঁককে হালকাভাবে নেওয়া নয়

শরীর স্থির থাকলে বছরে একবারের ছবিই যথেষ্ট। কিন্তু হঠাৎ খারাপ দিকে মোড় নেওয়া আলাদা ব্যাপার, মাথায় তালিকাটা তাই পরিষ্কার রাখি। বুকে চেপে বসা ব্যথা মানে সেদিনই হাসপাতালের ব্যাপার। পরের বছরের দেখার জন্য কথাটা জমিয়ে রাখার জিনিস নয় একেবারেই।

শ্বাস নেওয়া লড়াইয়ের মতো কঠিন হয়ে উঠলেও তাই। অজ্ঞান হয়ে গেলে, আগাম সতর্কতা ছাড়াই কোনো অঙ্গ দুর্বল হয়ে গেলে, কিংবা চিন্তা এলোমেলো হয়ে গেলে আমার পরিবার নির্দেশটা জানে। আগে হাসপাতাল। জ্বর উঠে থামতে না চাইলেও একই ব্যবস্থা। এমন দিনে আমার নিয়মিত ডাক্তার কিংবা সবচেয়ে কাছের হাসপাতাল ক্যালেন্ডারের প্রতিটা অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে আসে।

বছরের ছবি আমার প্রেসক্রিপশন নতুন করে লেখে না

আমার প্রতিদিনের ওষুধ ঠিক লিখে দেওয়া নিয়মেই চলে। ছবির আগে, ছবির দিনে, ছবির পরেও। স্ক্যান একটা দেখা মাত্র, কোনো নির্দেশ নয়। তারিখ কাছে এসেছে বলে আমি একটা ডোজ থামিয়ে রাখব না। অধৈর্য লাগল বলেও অন্যভাবে শুরু করব না কোনোদিন।

দিনটার আগে বিভাগে ফোন করে জেনে নিই, সেদিন সকালে কোন ওষুধগুলো তাদের হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ। বুকিংয়ের সময় তারাও প্রশ্ন করে। এখন কী কী ওষুধ চলছে, আর নারীদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার সম্ভাবনা আছে কি না, বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়ানো হচ্ছে কি না। আমি পুরো আর সত্যি উত্তর দিই, কারণ তাদের পরিকল্পনা সেটার ওপরই দাঁড়িয়ে থাকে। আমার কোনো ডোজ কখনো বদলালে সেই নির্দেশ আসে যে ডাক্তার সেটা লিখে দিয়েছিলেন, একমাত্র তাঁর কাছ থেকেই।

উত্তরটা অন্য দরজার দিকে গেলেও ভয় পাই না

কোনো সমস্যা অন্য বিশেষজ্ঞের বিষয় হলে আমার ডাক্তার তা সোজা করে বলে দেন। এই ছবিগুলো কখনো সেদিকে ইঙ্গিত দিলে একই দেখায় তিনি আমাকে তা বলবেন, এই বিশ্বাস আমার আছে। যাঁরা মূলত ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করেন আর দীর্ঘ সময় ধরে পুরো শরীরের খোঁজ রাখেন, তাঁদের আলাদা পাতা এই সাইটে আছে নোয়াখালীর মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকাতে।

দরজা বদলাতে হলেও ভয় পাব না। ছবিটা তখনো তার নিজের কাজটা করে দিয়েছে। আর এত বছরের পুরো গল্পটা আমার ডাক্তারের হাতেই থেকে যাবে।

শেষ দেখায় নিয়ে গিয়েছিলাম যেসব প্রশ্ন

ভালো থাকলেও প্রতি বছর ছবিটা আবার তোলা কেন?

ভালো লাগা আর ভালোভাবে কাজ করা সবসময় এক জিনিস নয়। আমার ডাক্তার অঙ্গটার বছরের রেকর্ড রাখতে চান, যাতে আগের বছরগুলোর সঙ্গে পাশাপাশি মেলানো যায়।

বছরে বছরে ছবি মানেই কি আমার ওষুধটা ক্ষতি করছে?

কেউ আমাকে এমন কথা বলেননি, আমার নিজেরও তা বানিয়ে নেওয়া উচিত নয়। ছবিটা চিকিৎসা চলার ফাঁকে রাখা নজর মাত্র। ডাক্তার পুরো ফাইলের পাশে রেখেই তা পড়েন।

আগের বছরগুলোর ছবির কী হয়?

সেগুলো তুলনার অংশ হয়েই থেকে যায়। রিপোর্টগুলো সঙ্গে করে নিন। নতুন ছবি তোলার আগে বিশেষজ্ঞ পুরোনোগুলো পড়ে নেন।

ফলাফলটা আমাকে বুঝিয়ে বলবেন কে?

লিখিত ফলাফল যায় আমাকে পাঠানো ডাক্তারের কাছে। তিনি পাশে বসে বুঝিয়ে বলেন, সামনের বছরের জন্য এর মানে কী দাঁড়ায়।

আগে থেকে কোনো প্রস্তুতি জানা দরকার আছে?

বুকিং নিশ্চিত হওয়ার সময় বিভাগ যে নির্দেশ দেয়, ঠিক সেটাই মেনে চলুন। কোনো কথা অস্পষ্ট লাগলে ফোন করে জেনে নিন। ফাঁকটা আন্দাজ দিয়ে ভরাট করবেন না।

বছরের দেখার মাঝখানে হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়লে কী করব?

পরের ছবির জন্য তা জমিয়ে রাখবেন না। বুকে ব্যথা, শ্বাসের কষ্ট, অজ্ঞান ভাব, হঠাৎ দুর্বলতা, মাথা গুলিয়ে যাওয়া কিংবা না নামা জ্বর মানে সেদিনই হাসপাতাল অথবা আপনার নিয়মিত ডাক্তার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.