সেরা নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ - বাগেরহাট
ভেতরে কীভাবে কাজ চলছে দেখার স্ক্যান
আমার বয়স উনপঞ্চাশ। কয়েক মাস ধরে শরীরে এমন সব ব্যাপার ঘটছে, যা নিজে নিজে ভেবেও বুঝে উঠতে পারি না। কোনো দিন মনে হয় প্রায় স্বাভাবিকই আছি। আবার কোনো দিন এমন ক্লান্তি চেপে বসে, যত ঘুমাই না কেন কাটে না। ডাক্তার আমার কথা মন দিয়ে শুনেছেন, আগের রিপোর্টগুলো দেখেছেন। তারপর বললেন, এবার আর অনুমানের উপর চলা যাবে না। তিনি আমাকে একটা স্ক্যানের জন্য পাঠিয়েছেন। এটা শুধু শরীরের আকৃতি দেখার স্ক্যান নয়। এই স্ক্যানে শরীরের কোনো অংশ কাজ করার সময়ই ছবি তোলা হয়, যাতে ভেতরে সেটা কীভাবে চলছে তা দেখা যায়।
সত্যি বলতে, বিভাগের নামটা শুনেই প্রথমে ভয় পেয়েছিলাম। নিউক্লিয়ার মেডিসিন শুনলেই মনে হয় বুঝি বড়সড় কিছু। ডাক্তার সহজ করে বুঝিয়ে দিলেন, এখানে ব্যবহৃত জিনিসের পরিমাণ খুবই সামান্য, আসল বিষয় হলো ছবিগুলো। এখন আমার চাওয়া শুধু এটুকুই। বিশেষজ্ঞ যেন আগে আমার রেফার করা কাগজ আর রিপোর্টগুলো পড়ে দেখেন। তারপর সহজ ভাষায় বলেন, ওই ঘরে গিয়ে আমার কী কী করতে হবে।
বাগেরহাটে নিউক্লিয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকা এই পাতার নিচেই দেওয়া আছে। আরও ব্যাপকভাবে ডাক্তার যাচাই করে বেছে নিতে চাইলে এই সাইটের বাগেরহাটের ডাক্তারদের তালিকাতে জেলার ডাক্তারদের এক জায়গায় পেয়ে যাবেন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
ভেতরে কীভাবে কাজ চলছে দেখার স্ক্যান
স্ক্যানের তারিখের অপেক্ষা করা যাবে না যেসব লক্ষণে
আমার স্ক্যানের একটা তারিখ ঠিক করা আছে, আর আমার কষ্টগুলো ধীরে ধীরেই বাড়ছে। কিন্তু কিছু লক্ষণ কোনো ঠিক করা তারিখের অপেক্ষা করে না। বুকে ব্যথা উঠলে বা চাপ ধরলে আমি ঘরে বসে দিন গুনব না। শ্বাস নিতে কষ্ট হলে তার জায়গা হাসপাতালে। অজ্ঞান হয়ে গেলেও একই কথা। হাতে বা পায়ে হঠাৎ জোর চলে গেলে, কিংবা হঠাৎ করে মাথা গুলিয়ে গেলে সেদিনই ডাক্তার দেখাতে হবে। জ্বর বাড়তে বাড়তে কিছুতেই না নামলেও তাই। সেদিন আমার নিজের ডাক্তার কিংবা কাছের হাসপাতালই আগে। স্ক্যানের তারিখ পরে আবার নেওয়া যায়। জরুরি অবস্থা কিন্তু অপেক্ষা করে না।
আমার প্রতিদিনের ওষুধ যেভাবে লেখা আছে সেভাবেই চলবে
এই স্ক্যানের অনেক আগে থেকে আমি নিয়মিত ওষুধ খাই, ডাক্তারের লিখে দেওয়া। সেগুলো ঠিক যেভাবে বলা আছে সেভাবেই চলবে, নিজে থেকে কিছু বদলাব না। স্ক্যানের দিনের আগে বিভাগের কাছে আমার একটা পরিষ্কার প্রশ্ন থাকবে। সেদিন আমার কোন ওষুধগুলো গুরুত্ব পাবে, আর কোনোটা নিয়ে আলাদা করে কিছু করতে হবে কি না? যে ডাক্তার ওষুধ লিখেছেন, শুধু তিনিই তা বদলাতে বা বন্ধ করতে পারেন। আন্দাজে ওষুধ ছাড়ব না, কারো কথায় বন্ধও করব না। বিভাগের লোকেরাও আমাকে কিছু প্রশ্ন করবেন। প্রতিটি রোগীকেই তাঁরা চলতি ওষুধের কথা জিজ্ঞেস করেন। কোনো নারী গর্ভবতী হতে পারেন কি না, বাচ্চাকে বুকের দুধ খাওয়াচ্ছেন কি না, এসবও জানতে চান। আমি সব প্রশ্নের উত্তর সত্যি করে দেব।
উত্তরগুলো যদি মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে থাকে
আমার রিপোর্ট ফিরে যাবে যে ডাক্তার আমাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কাছেই, পরের ধাপটা তিনি আমার সঙ্গে বসেই ঠিক করবেন। স্ক্যানের বিশেষজ্ঞ আবার পরিষ্কার করে এও বলতে পারেন, আমার সমস্যাটা আসলে অন্য ধরনের ডাক্তারের বিষয়। এমন সৎ কথাই কাজের। যেসব ডাক্তার ওষুধ দিয়ে দীর্ঘদিনের চিকিৎসা চালান, এই সাইটে তাঁদের আলাদা তালিকা আছে। সেখানে বাগেরহাটে মেডিসিন বিশেষজ্ঞদের তালিকা দেখে নিজের মতো করে প্রোফাইলগুলো মিলিয়ে নিতে পারবেন। আমার বিষয়টা যে দিকেই যাক, আন্দাজে ঘোরার চেয়ে দিকটা জেনে নেওয়াই ভালো।
স্ক্যানে রাজি হওয়ার আগে যা যা জিজ্ঞেস করেছি
এই বিভাগে আসলে কী করা হয়?
এখানে শরীরের কোনো অংশ কাজ করার সময় তার ছবি তোলা হয়। বিশেষজ্ঞ দেখেন অংশটা আচরণে কেমন, শুধু দেখতে কেমন তা নয়। তারপর ফলাফল চলে যায় আপনার নিজের ডাক্তারের কাছে।
ছবি তোলার আগে আমাকে কিছু দেওয়া হবে?
হ্যাঁ, এক ধরনের বিশেষ ওষুধ খুব সামান্য পরিমাণে দেওয়া হয়, যেটা ছবিতে ধরা পড়ে। বিভাগের কর্মীরাই তা দেন ও পুরো প্রক্রিয়া দেখভাল করেন। শুরু হওয়ার আগেই বিশেষজ্ঞ ধাপগুলো বুঝিয়ে বলেন।
আমার ডাক্তার নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এখানে পাঠালেন কেন?
কারণ তাঁর প্রশ্নটা হলো, আমার ভেতরে কোনো কিছু কীভাবে কাজ করছে। পরের চিকিৎসার ধাপ ঠিক করার আগে তিনি সেই প্রমাণটা হাতে পেতে চান। এই স্ক্যান দিয়েই তা পাওয়া যাবে।
সেদিন সঙ্গে করে কী কী নিয়ে যাব?
যে ডাক্তার পাঠিয়েছেন তাঁর রেফার করা কাগজটা আর আগের সব রিপোর্ট সঙ্গে নিন। ওষুধগুলোর নাম কাগজে লিখে সেটাও নিন। বিভাগের নির্দেশ ঠিকঠাক মেনে চলুন, আর বুঝতে না পারলে জিজ্ঞেস করে নিন।
বিশেষজ্ঞ কি সেখানেই ফলাফল হাতে ধরিয়ে দেবেন?
সাধারণত পুরো উত্তরটা সেখানেই পাওয়া যায় না। ছবিগুলো দেখা হয়, তারপর রিপোর্ট যায় যে ডাক্তার আপনাকে পাঠিয়েছেন তাঁর কাছে। তিনিই বুঝিয়ে বলবেন এতে চিকিৎসায় কী বদলাবে।
স্ক্যানের তারিখ আসার আগেই যদি হঠাৎ খুব অসুস্থ হয়ে পড়ি?
স্ক্যানের অপেক্ষা করবেন না। বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান ভাব, হঠাৎ দুর্বলতা কিংবা না নামা জ্বর হলে সেদিনই হাসপাতালে বা নিজের নিয়মিত ডাক্তারের কাছে যান। স্ক্যানের ঘর জরুরি অবস্থার জায়গা নয়।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.