সেরা নিউরোসার্জন - চট্টগ্রাম
দুর্ঘটনার পর থেকে এক পা টেনে হাঁটি
আমার বয়স আটত্রিশ। কয়েক মাস আগে বৃষ্টিভেজা রাস্তায় আমার মোটরবাইক পড়ে গিয়েছিল। হাসপাতাল থেকে ফিরেছিলাম পিঠের ব্যথা নিয়ে। ব্যথাটা কমেছে। কিন্তু হাঁটাটা ঠিক হয়নি। বাম পা এখন টেনে হাঁটতে হয়, দরজার চৌকাঠে আর কার্পেটের কিনারায় আটকে যায়। যেসব সিঁড়ি আগে না ভেবে উঠতাম, এখন রেলিং ধরে মন দিয়ে উঠতে হয়। আমার পিঠের রিপোর্ট পড়ে একজন ডাক্তার বলেছেন, সিদ্ধান্তের আগে একজন সার্জনের রিপোর্টগুলো পড়া উচিত। তাই চট্টগ্রামের একজন নিউরোসার্জনের নিজের পড়ে দেখাটা আগে চাই।
তাঁর কাছে আমি ধার করা মতামত চাই না, তাঁর নিজের কাজ চাই। তিনি রিপোর্টগুলো নিজে পড়ুন, একটা একটা করে। আমার পিঠ পরীক্ষা করুন, এই পা আসলে কীভাবে নড়ে আর কতটা ভর নিতে পারে দেখুন। অপারেশন তাঁর বিচারে মানানসই হলে তিনি কারণটা সরাসরি বলুন। সময় নিয়ে পর্যবেক্ষণে থাকাটা ভালো হলে সেটাও সৎভাবে বলুন। আর অপারেশন না লাগলে সেই জবাবটাই এই দেখা করার মূল্য রাখে। সমস্যাটা সার্জনের বদলে নিউরোলজিস্টের হলে তিনিই আমাকে বলে দেবেন বলে আশা করি।
চট্টগ্রামে যেসব নিউরোসার্জন বসেন, এই পাতার নিচের অংশে তাঁদের চেম্বারের বিবরণ আর সময়সহ তালিকা আছে। জেলার সব ধরনের ডাক্তার দরকার হলে এই সাইটের চট্টগ্রামের ডাক্তারদের তালিকায় সবাইকে একসঙ্গে পাবেন।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
দুর্ঘটনার পর থেকে এক পা টেনে হাঁটি
একটা পা আমার দিনগুলো বদলে দিয়েছে
এখন আমার দিনগুলো এই পা ঘিরেই সাজাতে হয়। ভিড়ের বাসে ওঠা কঠিন, কারণ একটা পা তাড়া দিলে চলে না। গত সপ্তাহে ছোট ছেলে জিজ্ঞেস করল, আমি এভাবে হাঁটি কেন। ছোট করে উত্তর দিতে পারিনি। দুর্ঘটনা কয়েক মাস পেরিয়ে গেছে। এই পা কিন্তু পেছনেই রয়ে গেছে। একজন সার্জন রিপোর্ট আর নিজের পরীক্ষা থেকে বলুন, অপারেশনের ঘরে করার মতো কিছু এতে আছে কিনা। নাকি সেই জবাবের অপেক্ষাই আমার থামানো উচিত।
যে বিপদ অ্যাপয়েন্টমেন্টের চেয়ে বড়
পা টেনে হাঁটা ধীরে ধীরে বদলায়, আমিও ধীরেই সামলাই। কিন্তু কিছু বদল অনুমতি চায় না। শরীরের একদিকে হঠাৎ দুর্বলতা নেমে এলে। মুখের একদিক হঠাৎ পড়ে গেলে। কথা হঠাৎ গুলিয়ে বের হলে। জীবনের সবচেয়ে জোরালো মাথাব্যথা হঠাৎ এলে। শরীর কাঁপতে শুরু করে না থামলে, হঠাৎ চোখে দেখা বন্ধ হলে, মাথা হঠাৎ অস্পষ্ট হয়ে গেলে। সেদিনটা হাসপাতালের দিন, সেদিনই। নিয়মিত ডাক্তারকে কাছে পেলে তাঁর কাছেও সেদিনই যাওয়া হবে। অপারেশনের কোনো সিদ্ধান্ত এর চেয়ে বড় নয়।
লেখা ওষুধের সময় আগের মতোই থাকবে
দুর্ঘটনার পর থেকে আমি রোজ কিছু ওষুধ খাই, সময়গুলো আমার জন্য লিখে দেওয়া। এই সপ্তাহে পিঠ ভালো লাগছে বলে সেগুলো থামে না। পা বেশি টানছে বলে দ্বিগুণও হয় না। যিনি লিখে দিয়েছেন, আমি তাঁর সামনে বসলেই তিনি মাত্রা বদলাতে পারেন। সার্জনকে সরাসরি একটা প্রশ্ন করব। কখনো অপারেশন ঠিক হলে, তার আগে এর মধ্যে কোনগুলো থামিয়ে রাখতে হবে। তিনি জবাব না দেওয়া পর্যন্ত সব আগের নিয়মেই চলবে।
জবাবটা অপারেশন নয় হলে
তিনি সব দেখে বলতেই পারেন, অপারেশন এই পায়ের কোনো কাজে আসবে না। আমি সেই কথা শোনার জন্য তৈরি। তখন আমার চিকিৎসা যাবে অপারেশন ছাড়া চিকিৎসা করেন এমন ডাক্তারের হাতে। ঠিক এই বাঁকের জন্য এই সাইটে চট্টগ্রামের নিউরোলজিস্টদের নিজস্ব তালিকা আছে। আজ আমি কোন পথে আছি ঠিক করব না। তাঁর পড়ে দেখাই ঠিক করবে কোনটা আগে, আমি সেভাবেই এগোব।
টেবিলের ওপাশে বসে যা যা জিজ্ঞেস করব
আমার রিপোর্টগুলো দুর্ঘটনার ঠিক পরের। সেগুলোতেই চলবে?
শুরু হিসেবে চলবে। তবে এখন অবস্থা কোথায় দাঁড়িয়েছে দেখতে তিনি নতুন রিপোর্ট চাইতে পারেন। তিনি যেগুলোকে হালের বলে মনে করেন, সেগুলো দিয়েই বিচার হোক।
তিনি অপারেশন না করেও কি আমাকে সাহায্য করতে পারেন?
পারেন, যদি না-টা দিকসহ আসে। কারণসহ পরিষ্কার না আর পরের ধাপ বলে দেওয়া, সেটা আসল সাহায্য।
প্রথম দেখায় কী কী নিয়ে যাব?
দুর্ঘটনার পর থেকে সব রিপোর্ট, ওষুধের তালিকা, আর সৎ নোট। পা কখন সবচেয়ে বেশি টানে, আর কতটা হাঁটা এখনো পারি।
আমার কর্মস্থল ফেরার তারিখ জানতে চায়। কী বলব?
বলব, তিনি আমাকে পরীক্ষা করে পরিকল্পনা ঠিক করবেন। রিপোর্ট না পড়ার আগেই তাঁর হয়ে তারিখের প্রতিশ্রুতি আমি দেব না।
স্ত্রীকে কি সঙ্গে বসাব?
বসাব। সে সিঁড়িতে আমার পেছনে হাঁটে, এই পা রোজ দেখে। আমার কথার ফাঁক সে পূরণ করে দিতে পারবে।
এই পা হঠাৎ পুরোপুরি ছেড়ে দিলে কি তাঁর জন্যই অপেক্ষা করব?
না। হঠাৎ দুর্বলতা, মুখ পড়ে যাওয়া, কথা গুলিয়ে যাওয়া বা অসহ্য মাথাব্যথা মানেই সেদিনই হাসপাতাল। সার্জনের চেম্বারে খবর পাঠিয়ে বসে থাকা নয়।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.