সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - টাঙ্গাইল
বসা থেকে উঠলেই চোখে অন্ধকার নেমে আসে
চৌকি থেকে উঠলেই চোখে অন্ধকার নেমে আসে। ঠিক অজ্ঞান হওয়া নয়। শুধু তিন-চার সেকেন্ড কিছু দেখতে পাই না, চেয়ারের পিঠ ধরে দাঁড়িয়ে থাকি। গত সপ্তাহে বাজারে অচেনা লোকের সামনে খুঁটি ধরে ফেলেছিলাম। স্ত্রী বলেন, ওঠার আগে আরও কিছুক্ষণ বসে থাকতে। তিনি ভুল বলেন না। আমার বয়স তেষট্টি, এখনো নিজের বাজার নিজেই করি, ব্যাগ বহন করি। এই ঘটনা দিনে দুই-তিনবার ঘটে। আবার বসে পড়লেই পরিষ্কার হয়ে যায়। শুয়ে থাকলে কখনো হয় না। কোন কোন মুহূর্তে এটা ঘটে, ঠিক সেভাবেই টাঙ্গাইলে একজন নিউরোলজিস্টকে শোনাতে চাই।
তাঁর সামনে বসলে কথাগুলো আমি পরপর সাজিয়ে বলতে চাই। কোন ভঙ্গিতে উঠলে অন্ধকার নামে। দিনে কয়বার হয়। প্রতিবার কতক্ষণে চোখ পরিষ্কার হয়। আগের রিপোর্টগুলো একটা ফোল্ডারে নিয়ে যাব, মতামত দেওয়ার আগে তিনি যেন সেগুলো পড়ে নেন। তারপর তিনি নিজে পরীক্ষা করবেন, চাইলে আমাকে দাঁড় করিয়েও দেখতে পারেন। আমার বলা আর রিপোর্ট, দুটোই তাঁর সামনে না থাকলে কোনো মতামত আসা উচিত নয়। আর সমস্যাটা অন্য বিশেষজ্ঞের হলে সেটা বললেই আমি সেখানে যাব।
টাঙ্গাইলে যেসব নিউরোলজিস্ট চেম্বার করেন, তাঁদের তালিকা এই পাতার নিচেই দেওয়া আছে, চেম্বারের বিবরণ আর বসার সময়সহ। সেখান থেকে নিজের সুবিধামতো একজনকে বেছে নিতে পারবেন। জেলার সব ধরনের ডাক্তার একসঙ্গে দেখতে হলে টাঙ্গাইলের ডাক্তারদের বড় তালিকাটাও এই সাইটে রয়েছে।
5 available specialists found
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আলী হোসেন
সহকারী অধ্যাপক ডাঃ ফারহানা মোসলে উদ্দিন
ডাঃ মো. মনসুর আহমেদ কায়সার
Dr. Sanjida Ahmed
বসা থেকে উঠলেই চোখে অন্ধকার নেমে আসে
দিনে কয়েকবার, প্রতিবার মাত্র কয়েক সেকেন্ড
সবচেয়ে বেশি হয় ভোরে। বিছানা থেকে পা নামিয়ে দাঁড়ালে দরজা আগেই চোখ অন্ধকার। খাওয়ার পর বসা থেকে উঠলেও ধরে ফেলে। চাচাতো ভাইয়ের চায়ের দোকানের টুল থেকে উঠতে গিয়ে দুইবার হয়েছে। হাঁটার সময় হয় না। শুয়ে থাকলে হয় না। তাই একটা কায়দা বানিয়ে নিয়েছি। আগে বসা, একটু থামা, তারপর কিছু ধরে দাঁড়ানো। একবার ভিড়ের মধ্যে অচেনা এক লোকের কাঁধ ধরে ফেলেছিলাম, বাড়ি ফিরেও খারাপ লেগেছে। প্রতিদিন মনে মনে হিসাব রাখি, আজ কয়বার হলো।
সকালের ওষুধটা আমার পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিষয় নয়
প্রতিদিন সকালে একটা লেখা ওষুধ অপেক্ষা করে, নাশতার আগে যেভাবে লেখা আছে সেভাবেই খাই। চোখে অন্ধকার নামা দিয়ে নিয়মের কিছু বদলায় না। ভালো সকাল পেলেই ওষুধ বাদ যায় না। খারাপ সকাল গেলেও দ্বিগুণ হয় না। একদিন ছেড়ে দিয়ে দেখি কী হয়, সেটা নিজের ওপর পরীক্ষা চালানো। এই বয়সে সেই ইচ্ছা আমার নেই। যিনি ওষুধটা লিখে দিয়েছেন, পরেরবার তিনিই বাকি সবকিছুর সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন। ততদিন নিয়মটা থাকবে, আমি শুধু ঘটনাগুলো সত্যি করে জানাব।
অন্য কোথাও যেতে বললে খোঁজার জায়গাটা জানা আছে
আমি এখান থেকেই শুরু করছি, কারণ দাঁড়ানোর মুহূর্তেই আমার চোখ ছেড়ে যায়, বিষয়টা তাঁর এলাকার বলেই মনে হয়। তবু তিনি বলতেই পারেন অন্য ধরনের ডাক্তারের কাছে এগিয়ে নেওয়া ভালো। তাতেও আপত্তি নেই। এই ওয়েবসাইটে টাঙ্গাইলের জেনারেল সার্জনদের আলাদা পাতায় নিজস্ব তালিকা আছে। জেনে রেখে পাশে সরিয়ে রেখেছি। আগে আমার ধরনটা যাঁর কাছে যাচ্ছি, তিনি শুনুন।
কয়েক সেকেন্ডের অন্ধকার এই তালিকায় পড়ে না
আমার ঘটনাটা ক্ষণিকের, চলেও যায়। কিন্তু নিচের লক্ষণগুলো ক্ষণিকের নয়, বাসায় বসে পেরিয়ে যাওয়ার অপেক্ষা চলে না। হঠাৎ একপাশে জোর কমে যাওয়া। মুখ একদিকে ঝুলে পড়া। কথা হঠাৎ জড়িয়ে যাওয়া, বোঝা কঠিন। সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা হঠাৎ আসা। কাঁপুনি থামতেই চায় না। চোখে দেখা হঠাৎ বন্ধ, ফিরছেও না। মাথা হঠাৎ পুরোপুরি গুলিয়ে যাওয়া। যেকোনো একটা মানেই সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার। পরের সকালের অপেক্ষা নয়।
বাজারের ভিড়ে দাঁড়িয়ে যেসব প্রশ্ন মাথায় আসে
কয়েক সেকেন্ডেই তো ঠিক হয়ে যায়। এটা নিয়েই চলা যায় না?
কারণ এটা শুধু চেয়ারের পাশে ধরে না, সিঁড়িতে আর ভিড়ের মধ্যেও ধরে। একদিন ধরার মতো কিছুই হাতের কাছে থাকবে না। এত নিয়মিত ঘটনার একটা শোনানি হওয়া উচিত আগেই।
ধাপে ধাপে উঠলে অনেকটা সামলানো যায়। তবু কি যাওয়া দরকার?
আমার কায়দাটা শুধু মুহূর্তটা পার করে দেয়, কোনো ব্যাখ্যা দেয় না। মাসের পর মাস সাবধানে চলেও ব্যাপারটা অজানাই থেকে যায়। একবার ঠিকমতো শোনানোই ভালো।
প্রতিটা ঘটনার সময় লিখে রাখলে কি কাজ হবে?
হিসাবটা এমনিতেই মাথায় রাখি। সময় আর জায়গা লিখে রাখলে তাঁর সামনে গল্পটা আরও গোছানো হবে। ভোরে, খাওয়ার পর, দোকানে। পরিষ্কার হিসাবই ভালো।
স্ত্রী বলেন, একা বাজারে যাওয়া বন্ধ করতে। তিনি কি বাড়াবাড়ি করছেন?
তিনি আমাকে অচেনা লোকের কাঁধ ধরতে দেখেছেন। ভয় পাওয়া আর ভুল করা এক কথা নয়। শোনানি না হওয়া পর্যন্ত রাস্তায় সঙ্গে কেউ থাকা ভালো।
দেখা করার সময়টায় যদি কোনো ঘটনাই না ঘটে?
তাহলে আমার বলা আর রিপোর্টই সেদিনের ভরসা, তিনি সেভাবেই পরীক্ষা করবেন। আধঘণ্টা শান্ত কাটলেও মাসের পর মাস ভোরে অন্ধকার নেমে আসার হিসাব মুছে যায় না।
আমার এই অন্ধকারের চেয়ে বড় সতর্ক সংকেত কোনগুলো?
একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া, মুখ ঝুলে পড়া, কথা অদ্ভুত হয়ে যাওয়া। সঙ্গে সবচেয়ে তীব্র হঠাৎ মাথাব্যথা, থামতে না চাওয়া কাঁপুনি, হঠাৎ দৃষ্টি হারানো, কিংবা হঠাৎ সব গুলিয়ে যাওয়া। মানেই সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.