সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - রংপুর

অন্ধকারে হাঁটতে গেলেই টলে যাই

আমার বয়স বাহান্ন। দিনের বেলায় আমি উঠান-ঘর সব স্বাভাবিকভাবে হেঁটে বেড়াই। কিন্তু রাতে কলপাড়ে যাওয়ার ছোট্ট পথটুকুতেই পা যেন নিজের কথা শোনে না, বেড়া ধরে এগোতে হয়। মুখ ধোয়ার সময় চোখ বন্ধ করলেও একই অবস্থা, মেঝেটা হালকা কেঁপে ওঠে মনে হয়, তখন বেসিনের কিনারা আঁকড়ে ধরি। দুই পায়ে এখন সারাক্ষণ ঝিঁঝিঁ ধরে থাকে, দিনেও যায় না, রাতেও না। এই অবস্থাটা নিজের ভাষায় একজন নিউরোলজিস্টকে শোনাতে চাই, তারপর তিনি যা বোঝার বুঝবেন।

প্রথম দেখায় আমি আগে প্রশ্ন আশা করি, সিদ্ধান্ত নয়। কতদিন ধরে টলছি? শুধু অন্ধকারে, নাকি কম আলোতেও? দুই পায়ের ঝিঁঝিঁ কি দুই দিকেই সমান? আগের যেসব রিপোর্ট আছে, সেগুলো সঙ্গে নেব। তিনি যেন আগে রিপোর্টগুলো পড়েন, তারপর আমাকে পরীক্ষা করেন। আমি কীভাবে দাঁড়াই, কীভাবে হাঁটি, সেটা নিজের চোখে দেখাটাও দরকার। সেদিনই তিনি কিছু ঠিক না করলেও আমার আপত্তি নেই। আর এই সমস্যা অন্য বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়া উচিত মনে হলে তিনি যেন সেটা খোলাখুলি বলে দেন।

রংপুরে যেসব নিউরোলজিস্ট চেম্বার করেন, এই পাতার নিচেই তাঁদের তালিকা দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর বসার সময়সহ। আরও বিস্তৃতভাবে খুঁজতে চাইলে রংপুরের ডাক্তারদের পুরো তালিকায় সব ধরনের ডাক্তার একসঙ্গে পাবেন।

14 available specialists found

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ রাইহান আহমদ

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজি)।
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আশফাক আহমেদ

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজি)।
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ আবু হানিফ

Qualifications এমবিবিএস, এমডি (নিউরো-মেডিসিন), আরপিএমসিএইচ।
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ প্রশান্ত কুমার পণ্ডিত

Qualifications এমবিবিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোমেডিসিন)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

ডাঃ গোলাম সরওয়ার আহমেদ

Qualifications এমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরো মেডিসিন)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Prashant Roy

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Md. Shariful Islam

Qualifications
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Mohammad Arbab Sarker

Qualifications
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Prof. Dr. Md. Rezaul Alam

Qualifications
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Prof. Dr. Md. Tofael Hossain Bhuiyan

Qualifications MBBS, MS (Neurosurgery)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

Dr. Md. Emdadul Haque

Qualifications MBBS, BCS (Health), and MD in Neuromedicine.
অবস্থান রাজশাহী সিটি, রাজশাহী

Dr. Shamima Sultana Shuborna

Qualifications MBBS, BCS (Health), MS (Neurosurgery)
অবস্থান রংপুর সিটি, রংপুর

অন্ধকারে হাঁটতে গেলেই টলে যাই

রাতে কলপাড়ে যাওয়াটাই এখন ভয়ের

সমস্যাটার একটা সময়সূচি আছে। দিনের বেলায় রান্না, উঠান, বাজারের রাস্তা, সবই সামলে নিই। সন্ধ্যার পর সেই পা-দুটোই ভরসা কম দেয়। দরজার পাশে টর্চ রেখে দিই, স্বামীও কিছু না বলতেই এক পা পেছনে হাঁটেন। আরেকটা পরীক্ষা হলো মুখ ধোয়া। চোখ বন্ধ করে বেসিনে ঝুঁকলেই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে টলতে শুরু করি। চোখ খুলে নিজেকে সামলে নিলে ঠিক হয়ে যায়। ঝিঁঝিঁটা অবশ্য কোনো সময় মানে না। দুই পায়ে সকাল-সন্ধ্যা লেগেই আছে, যেন সুচ ফোটানো মোজা পরে আছি।

ওষুধ বদলানোর সিদ্ধান্ত আমার নয়

পুরনো একটা সমস্যার জন্য প্রতিদিন সকালে আমি দুটো করে ওষুধ খাই। এই টলে যাওয়ার সঙ্গে সেগুলোর সম্পর্ক আমি নিজে থেকে টানি না। ওষুধগুলো যেভাবে লেখা আছে, ঠিক সেভাবেই চলছে। খারাপ রাত গেলে নিজে থেকে একটা বাড়িয়ে খাই না, ভালো সপ্তাহ গেলেও একটা বাদ দিই না। কোনোদিন ডোজ কমানো, বাড়ানো বা বন্ধ করার দরকার হলে সেই সিদ্ধান্ত যিনি ওষুধটা লিখেছেন, তিনিই আমাকে দেখে নেবেন। আমার কাজ শুধু নিয়মটা ধরে রাখা, আর নিউরোলজিস্টকে সত্যি করে বলা আমি কী কী খাচ্ছি।

এসব দেখলে সেদিনই বেরিয়ে পড়তে হয়

আমার টলে যাওয়াটা ধীরে ধীরে এসেছে, চেনা জিনিস। কিন্তু কিছু বদল আছে যেগুলোকে আমি এর সঙ্গে মেলাই না। শরীরের একপাশ হঠাৎ দুর্বল হয়ে গেলে, কিংবা মুখের একদিক নেমে গেলে আমি অপেক্ষা করব না। কথা হঠাৎ জড়িয়ে গেলেও একই কথা, কিংবা আগের সব মাথাব্যথার চেয়ে তীব্র ব্যথা হঠাৎ উঠলেও। খিঁচুনি থামতেই না চাওয়া, হঠাৎ চোখে দেখতে না পাওয়া, হঠাৎ সব গুলিয়ে যাওয়া, এর যেকোনো একটা মানেই সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার। পরের দিন সকাল পর্যন্ত ফেলে রাখা নয়।

অপারেশনের কথা উঠলে যেখানে দেখব

আমি নিউরোলজিস্ট দিয়েই শুরু করছি, কারণ এখন পর্যন্ত সমস্যাটা আমাকে অন্য কোথাও ঠেলছে না। তবে তিনি শুনে, পরীক্ষা করে মনে করতে পারেন অপারেশনের মতামত নেওয়াটাই ঠিক হবে। তেমন দিন এলে এই ওয়েবসাইটেই রংপুরের জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকা আছে, তাহলে খোঁজটা আবার শূন্য থেকে শুরু করতে হবে না। আপাতত এটা শুধু জেনে রাখা একটা তালিকা, এর বেশি কিছু নয়।

যেসব কথা জিজ্ঞেস করতে চাই

চোখ বন্ধ করলেই টলাটা বেড়ে যায় কেন?

এই প্রশ্নটাই আমার মাথায় সবচেয়ে বেশি ঘোরে। বেসিনের সামনে দাঁড়িয়ে চোখ বন্ধ করলেই ভারসাম্য হারাই। কারণটা আমি জানি না। আমি শুধু ঠিকঠাক বর্ণনা দিতে পারব, বাকিটা তিনি ভেবে বের করবেন।

দুই পায়ের ঝিঁঝিঁর কথাটাও কি বলতে হবে, নাকি শুধু টলার কথা?

দুটোই বলব বলে ঠিক করেছি। যেটা কখনো ছাড়ে না, সেটা মাঝে মাঝে আসা লক্ষণের চেয়েও বেশি গুরুত্ব পেতে পারে। কবে শুরু হলো, দুই পায়ে সমান কিনা, সেগুলোও জানাব।

রাতে এখন স্বামী আমার পেছনে হাঁটেন। এটাও কি তাঁকে বলব?

অবশ্যই। এতে বোঝা যায় সমস্যাটা শুধু আমার শরীরে নয়, আমাদের সন্ধ্যাগুলোও বদলে দিয়েছে। ঘরের ছোট বদলও এই অবস্থার অংশ।

বাসায় সোজা লাইনে হাঁটার অনুশীলন করব?

বারান্দায় একবার করতে গিয়ে থাম ধরে ফেলেছিলাম। তিনি না দেখা পর্যন্ত নিজের কষ্টকে নিজে পরীক্ষা করতে চাই না। বাসায় কিছু করা লাগলে তিনিই ঠিক করে দেবেন।

আমার রিপোর্টগুলো দুই বছর আগের। তাও সঙ্গে নেব?

নেব। পুরনো রিপোর্টে অন্তত বোঝা যায় আগে কী কী দেখা হয়েছিল আর কী পাওয়া গিয়েছিল। নতুন রিপোর্ট লাগলে সেগুলো পড়ার পর তিনিই বলবেন।

কোন লক্ষণ দেখলে রাতটা বাসায় কাটানো যাবে না?

একপাশের হাত-পা হঠাৎ শক্তিহীন হয়ে পড়া। মুখের একদিক ঝুলে পড়া। কথা এলোমেলো বা জড়ানো বের হওয়া। আগের সব মাথাব্যথার চেয়ে তীব্র হঠাৎ ব্যথা। থামতে না চাওয়া খিঁচুনি, হঠাৎ দৃষ্টি হারানো, কিংবা হঠাৎ সব গুলিয়ে যাওয়া। এসবের যেকোনো একটা এলে রাত কাটানোর অপেক্ষা নয়, সেদিনই হাসপাতাল অথবা নিয়মিত ডাক্তার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.