সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - পাবনা
কাজের মাঝখানটা হারিয়ে ফেলি
আমার বয়স সাতষট্টি। ইদানীং আমার দিনগুলো মাঝখানে এসে ভেঙে যাচ্ছে। রান্না অর্ধেক এগিয়েছে, চুলায় কড়াই বসানো, হঠাৎ পরের ধাপটা আর মনে পড়ে না। চামচ হাতে দাঁড়িয়ে থাকি, কখন মনে ফিরবে সেই অপেক্ষায়। একটা ঘরে ঢুকে বলতে পারি না কেন এলাম। মেয়ে আজকাল টেবিলে বসে আমার অর্ধেক কথা শেষ করে দেয়। ছেলে দরজায় দাঁড়িয়ে চুপচাপ তাকিয়ে থাকে। কত ঘন ঘন এমন হচ্ছে, সেটা নিজের মুখে একজন নিউরোলজিস্টকে শোনাতে চাই, তাই পাবনায় নিউরোলজিস্ট খুঁজছি।
বিশেষজ্ঞের সামনে বসলে আগে এই ধরনটাই আসুক, এটাই চাই। একটা পুরো সপ্তাহের কথা সত্যি করে বলতে চাই। কতবার নিজের জায়গা হারালাম। প্রতিটা ফাঁক কতক্ষণ থাকল। আমি টের পাওয়ার আগেই পরিবার কী কী খেয়াল করেছে। আগের দেখানোর যেসব রিপোর্ট আছে, সেগুলো সঙ্গে যাবে। কোনো মন্তব্যের আগে সেগুলো পড়া হোক, এটা আমার চাওয়া। তারপর তিনি আমার সঙ্গে কথা বলবেন, প্রশ্নের উত্তর আমি কীভাবে দিই খেয়াল করবেন, দরকারমতো পরীক্ষা করবেন। ধরন আর রিপোর্ট দুটোই তাঁর সামনে না থাকা পর্যন্ত কিছুই চূড়ান্ত হওয়া উচিত নয়। আর অন্য বিশেষজ্ঞের কাছে যাওয়াই ঠিক মনে হলে তিনি যেন পরিষ্কার করে বলেন।
পাবনায় যেসব নিউরোলজিস্ট রোগী দেখেন, এই পাতার নিচে তাঁদের তালিকা আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর বসার সময়সহ। সব ধরনের ডাক্তার এক জায়গায় দেখতে চাইলে পাবনার ডাক্তারদের বড় তালিকাটাও এই সাইটে রয়েছে।
5 available specialists found
Dr. Md. Rashidul Hasan
Dr. Md. Bakhtiar Azam
Dr. Md. Emdadul Haque
কাজের মাঝখানটা হারিয়ে ফেলি
অন্য দিকে পাঠালে সেটা নিয়েও ভাবব না
মাথা বারবার সুতো ছেড়ে দিচ্ছে, এমন সমস্যার জন্য নিউরোলজিস্টই সৎ শুরু বলে মনে হয় আমার। তবু আমার কথা শুনে, পরীক্ষা করে তিনি যদি অন্য ধরনের ডাক্তারের কথা বলেন, সেটা শোনার মন আমার আছে। এই সাইটে পাবনার জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকাও দেওয়া আছে, ওই পরামর্শ কোনোদিন এলে ঘেঁটে দেখার মতো আরেকটা তালিকা হিসেবে। তাতে আমার আপত্তি নেই। আসল কথা হলো সত্যি জায়গা থেকে শুরু করা। শুরুটা ঠিক জায়গা থেকে হলেই বাকিটা সহজ হয়।
তাকে সাজানো ওষুধগুলো নিজের নিয়মেই থাকবে
বছরের পর বছর ধরে লিখে দেওয়া ওষুধ আমার তাকে সাজানো থাকে, আর আমি একটাও বাদ দিই না। প্রতিটা ওষুধ নিজের ঘণ্টায়, লেখা পরিমাণে খাই। যেদিন মাথা পরিষ্কার লাগে, সেদিনও বদল হয় না। যেদিন নিজেকে এলোমেলো লাগে, সেদিনও না। কোনো একটা বন্ধ করা বা সরানোর দরকার হলে যিনি লিখে দিয়েছিলেন, তিনিই আমাকে দেখে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি শুধু নিয়মটা স্থির রাখব, আর নিউরোলজিস্টকে পুরো তালিকাটা জানিয়ে দেব। এই স্থিরতাটুকুই আমার ভরসা।
যেসব বদল কোনো নির্ধারিত দিনের জন্য পড়ে থাকবে না
কাজের মাঝখান হারিয়ে ফেলাটা ধীরে ধীরে ঘটে, মনকে ধাঁধায় ফেলে। কিন্তু কিছু বদল হঠাৎ আসে, আর সেগুলো ভয় পাওয়ার মতোই। শরীরের একপাশ কোনো সতর্কতা ছাড়াই দুর্বল হয়ে যাওয়া। মুখ একদিকে নেমে যাওয়া। কথা ভাঙা ভাঙা বা অদ্ভুত শোনানো। আগের সবকিছুর চেয়ে তীব্র মাথাব্যথা হঠাৎ ফেটে আসা। শরীরে কাঁপুনি ওঠা, থামার কোনো লক্ষণ নেই। চোখ হঠাৎ দেখতে না পাওয়া। সবকিছু একসঙ্গে গুলিয়ে যাওয়া। এর যেকোনো একটা ঘটলেই আমি সেদিনই হাসপাতালে যাব, নয়তো আমার নিয়মিত ডাক্তারের কাছে।
রাতে শুয়ে যেসব কথা ভাবি
কাজের শুরুটা মনে থাকে, মাঝখানটা থাকে না কেন?
আমার জানা থাকলে তো কথাই ছিল না। শুরুটা থাকে, শেষটাও মাঝে মাঝে থাকে, মাঝের জোড়াটুকুই পিছলে যায়। এই ধাঁধাটাই আমি তাঁর কাছে নিয়ে যাচ্ছি। আমার কাজ শুধু নিজের ঘটনাটা সাজিয়ে গুছিয়ে না বলে, যেমন ঘটে তেমন বলা।
পরিবার আমার চেয়ে বেশি খেয়াল করে। ওরা কি দেখানোর সময় কথা বলবে?
হ্যাঁ, আর আমি মেয়েকে সঙ্গে আসতে বলেছি। আমি যেসব থেমে যাওয়া টের পাই না, সে সেগুলো দেখে। আমার বলার পাশাপাশি ওর চোখে দেখাটাও তিনি শুনুন, দুটো মিলেই পুরো ছবিটা দাঁড়ায়। ওর গলা লাগবে বলে ছোট মনে করার কিছু নেই।
ব্যাগে কী কী গুছিয়ে নেব যাওয়ার আগে?
খুঁজে পাওয়া আগের সব রিপোর্ট এক ফোল্ডারে। আর রান্নাঘর আর ঘর থেকে সত্যি উদাহরণ: কী করছিলাম, কী হারিয়ে গেল, ফিরে আসতে কতক্ষণ লাগল। আমার দুশ্চিন্তার চেয়ে উদাহরণগুলো জোরে কথা বলে।
কিছু দিন মাথাটা একদম ঝরঝরে থাকে। তবু যাওয়া উচিত?
পরিষ্কার দিনগুলো আমাকে স্বস্তি দেয়, কিন্তু বাকি দিনগুলো মুছে দেয় না। ফাঁকগুলো ফিরে ফিরে আসছে, পরিবারও খেয়াল করছে। বারবার ফেরা ধরনের একটা শোনানি পাওয়া উচিত, পরিষ্কার দিনের কথাসহই।
একবারের দেখায় কি তিনি বুঝে ফেলবেন?
হয়তো না, আর সেটা আমি মেনে নিয়েছি। তিনি ধরনটা শুনতে, রিপোর্ট পড়তে, কিছুদিন ধরে দেখতে চাইতে পারেন। তাড়াহুড়ো করে নাম বসিয়ে দেওয়ার চেয়ে ধীরে ঠিকভাবে বোঝাটাই আমার কাছে ভালো। এতে আমার কোনো আপত্তি নেই।
হঠাৎ কোন লক্ষণ দেখলে সব ফেলে সেদিনই যেতে হবে?
একপাশ হঠাৎ দুর্বল, মুখ ঝুলে যাওয়া, কথা অদ্ভুত হয়ে যাওয়া। সঙ্গে আগের চেয়ে তীব্র হঠাৎ মাথাব্যথা, থামতে না চাওয়া কাঁপুনি, হঠাৎ দৃষ্টি হারানো, কিংবা একসঙ্গে সব গুলিয়ে যাওয়া। তখন সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.