সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - নোয়াখালী

ঘাড় ঘোরালেই হাতে ঝিলিক নামে

আমার বয়স ঊনত্রিশ। ইদানীং শরীরটা একটা অদ্ভুত সংকেত দিচ্ছে। ঘাড়টা বাঁ দিকে ঘোরালেই ডান হাত বেয়ে একটা ঝিলিক নেমে যায়। আঙুলের ডগা পর্যন্ত গিয়ে থেমে যায়, যেন হালকা একটা ঝাঁকুনি। অফিসে পাশের স্ক্রিনে তাকালেই হয়। গাড়ি চালানোর সময় লেন বদলানোর আগে পেছনে তাকালেও হয়। ঘাড় সোজা করলেই হাতটা আবার একদম স্বাভাবিক। স্থির থাকলে কোনো অস্বস্তিই নেই। এই ধরনটা হুবহু যেভাবে ঘটে, একজন নিউরোলজিস্টকে সেভাবেই শোনাতে চাই, তাই নোয়াখালীতে নিউরোলজিস্ট খুঁজছি।

প্রথম দেখাটা আমি শোনা দিয়েই শুরু করতে চাই, তাড়াহুড়োর উত্তর দিয়ে নয়। পুরো ঘটনাটা তাঁকে ধারাবাহিকভাবে বলতে চাই। ঝিলিকটা প্রথম কবে টের পেলাম। দিনে কতবার আসে। প্রতিবার কোন অবস্থায় ছিলাম। আমার কাছে যেসব রিপোর্ট আছে, সেগুলো নিয়ে যাব। কোনো মত দেওয়ার আগে তিনি সেসব পড়ে দেখবেন, এটাই প্রত্যাশা। তারপর তিনি নিজে আমার ঘাড়, হাত আর মুঠোর জোর পরীক্ষা করবেন। ধরন আর রিপোর্ট দুটো পাশাপাশি না রেখে কোনো সিদ্ধান্ত আসা উচিত নয়। আর সমস্যাটা অন্য বিশেষজ্ঞের হাতে যাওয়া উচিত মনে হলে তিনি যেন খোলাখুলি বলে দেন।

নোয়াখালীতে যেসব নিউরোলজিস্ট রোগী দেখেন, এই পাতার নিচের অংশে তাঁদের তালিকা দেওয়া আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর বসার সময়সহ। সব ধরনের ডাক্তার একসঙ্গে দেখতে চাইলে নোয়াখালীর ডাক্তারদের বড় তালিকাটাও এই সাইটে আছে।

1 available specialists found

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মোহাম্মদ উল্লাহ

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি), এফসিপিএস (মেডিসিন)।
অবস্থান নোয়াখালী সদর, নোয়াখালী

ঘাড় ঘোরালেই হাতে ঝিলিক নামে

যেসব বদল দেখলে সেদিন আর বসে থাকব না

আমার ঝিলিকটা ঘাড়ের নড়াচড়ার সঙ্গে আসে যায়, সেই ছন্দটা আমি চিনে ফেলেছি। কিন্তু আরেক ধরনের বদল আছে, যেগুলো আমাকে অনেক বেশি ভাবায়। হঠাৎ একদিকের হাত-পায়ে শক্তি না পাওয়া। মুখের একদিক ঝুলে পড়া। কথা হঠাৎ জড়িয়ে যাওয়া বা এলোমেলো শোনানো। আগের সব মাথাব্যথার চেয়ে তীব্র একটা ব্যথা হঠাৎ আসা। শরীর কাঁপতে থাকা, থামতেই না চাওয়া। হঠাৎ চোখে দেখতে না পাওয়া। হঠাৎ সবকিছু গুলিয়ে যাওয়া। এর যেকোনো একটা ঘটলেই নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা না করে সেদিনই হাসপাতালে যাব, নয়তো আমার নিয়মিত ডাক্তারের কাছে।

আমার রোজকার ওষুধ লেখা নিয়মেই চলবে

অন্য কারণে আমি প্রতিদিন সকালে ওষুধ খাই। সেসব ওষুধের সঙ্গে এই হাতের ঝিলিকের কোনো সম্পর্ক নেই, আর এজন্য আমি সেগুলো বদলাবও না। প্রতিটা ওষুধ ঠিক সময়ে, লেখা পরিমাণেই খাই। শান্ত একটা সপ্তাহ গেলেই একটা বাদ দেওয়ার কথা ভাবি না। অস্থির একটা রাত গেলেই একটা বাড়িয়ে খাওয়ার কথাও ভাবি না। কোনোটা বদলানো বা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত যিনি লিখে দিয়েছেন, তিনিই নেবেন, আমাকে আবার দেখার পর। আমার কাজ শুধু লেখা নিয়মটা ধরে রাখা, আর নিউরোলজিস্টকে সত্যি করে বলা আমি কী কী খাই।

অন্য কারও হাতে গেলে সেটাও মেনে নেব

ঝিলিকটা ঘাড় ঘোরানোর পিছু পিছু আসে বলেই আমি নিউরোলজিস্ট দিয়ে শুরু করছি। পরীক্ষা করে তিনি যদি বলেন অন্য ধরনের ডাক্তার এই সমস্যার জন্য বেশি মানানসই, সেই পরামর্শ আমি শুনব। এই সাইটে নোয়াখালীর জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকাও আছে, তেমন কথা উঠলে ঘেঁটে দেখার মতো আরেকটা তালিকা হিসেবেই। সেই তালিকাটাও এই সাইটেরই অংশ, প্রয়োজনে ঘুরে দেখার জন্য রাখা আছে। আপাতত আমার পুরো মনোযোগ এই ধরনটা ঠিকমতো শোনানোতেই।

মনে মনে যেসব প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে

ঝিলিকটা শুধু ঘাড় ঘোরালেই আসে কেন?

নড়াচড়ার সঙ্গে এই অনুভূতির যোগটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় সূত্র বলে আমার ধারণা। এর কারণ আমার নিজের পক্ষে বলা সম্ভব নয়। আমি শুধু ঠিকঠাক বলতে পারব কোন দিকে ঘোরালে হয়, অনুভূতিটা কতদূর নামে, আর কত তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যায়।

কাজে আর গাড়ি চালানোর সময় ঘাড় ঘোরানো কি একদম বন্ধ করে দেব?

গাড়ি চালানো বন্ধ করিনি, তবে এখন ধীরে ঘাড় ঘোরাই আর প্রতিবার ঘটনাটা মনে রাখি। এর বাইরে কিছু বদলাতে হবে কিনা, সেটা বিশেষজ্ঞের কাছেই শুনব। ডেস্কে বসে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেওয়ার মানুষ আমি নই।

যাওয়ার আগে ফোল্ডারে কী কী গুছিয়ে নেব?

আগের সব রিপোর্ট একটা ফোল্ডারে গুছিয়ে নেব। আর নিজের হিসাবটাও পরিষ্কার রাখব: ঝিলিক কবে শুরু, কোন নড়াচড়ায় আসে, হাতের কোন পর্যন্ত নামে। গোছানো কথা সবার সময় বাঁচায়।

মাঝখানে হাত একদম স্বাভাবিক থাকে। তাহলে কি মাসের পর মাস অপেক্ষা করা যায়?

মাঝের স্বাভাবিক সময়টুকু আমার প্রশ্নের উত্তর দেয় না। ধরনটা বারবার ফিরে আসছে, কাজে আর গাড়ি চালানোয় বাধা দিচ্ছে। সেটাই যথেষ্ট কারণ, ফেলে না রেখে তাড়াতাড়ি শোনানোর।

প্রথম দিনেই কি তিনি সব সিদ্ধান্ত দিয়ে দেবেন?

আমি তা আশাও করি না, তাড়াহুড়োর উত্তর পেলে বরং অস্বস্তি লাগবে। আগে তিনি আমার কথা শুনবেন, রিপোর্ট দেখবেন, আমাকে পরীক্ষা করবেন। সিদ্ধান্তের আগে একটু থেমে ভাবাটাকেই আমার কাছে যত্নের লক্ষণ মনে হয়।

হঠাৎ কোন বদল দেখলে সেদিনই হাসপাতালে ছুটতে হবে?

শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া, মুখ ঝুলে পড়া, কথা জড়িয়ে যাওয়া। সঙ্গে হঠাৎ প্রচণ্ড মাথাব্যথা, না থামা কাঁপুনি, হঠাৎ দেখতে না পাওয়া, কিংবা সব গুলিয়ে যাওয়া। এর যেকোনো একটা মানেই সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.