সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - নারায়ণগঞ্জ

সবকিছু দুটো করে দেখি

আমার বয়স তেতাল্লিশ। এ বছর পর্যন্ত চোখ নিয়ে কোনো ঝামেলাই ছিল না। এখন সপ্তাহে কয়েকবার সবকিছু হঠাৎ দুটো হয়ে যায়। টেবিলে একটা কাপ থাকলে দেখি দুটো কাপ। লেখার এক লাইন হয়ে যায় দুই লাইন, একটা আরেকটার ওপরে বসে থাকে। মিনিট কয়েক থাকে, তারপর দৃষ্টি আবার আগের মতো পরিষ্কার হয়ে যায়। এমন সময় পড়তে হলে এক চোখ হাত দিয়ে ঢেকে পড়ি, এভাবে কাজ চলে যায়। কিন্তু একটা পৃষ্ঠা পড়তে এমন কৌশল লাগবে কেন। নারায়ণগঞ্জে একজন নিউরোলজিস্টের কাছে এই ব্যাপারটা কেমন করে আসে-যায়, সেটা ঠিকমতো শোনাতে চাই।

দেখা হলে প্রথমে এই আসা-যাওয়ার ছকটাই বলব। প্রতিবার কতক্ষণ থাকে। দিনের কোন সময়টায় বেশি হয়। পড়ার সময়ই আসে, নাকি নিজে নিজেই। কবে থেকে শুরু, সপ্তাহে কয়বার হয়, এসব তিনি জিজ্ঞেস করবেন। আগের কোনো রিপোর্ট থাকলে মতামত দেওয়ার আগে সেগুলো তিনি পড়ে দেখবেন। আঙুলের দিকে তাকাতে বলতে পারেন, সহজ কিছু পরীক্ষাও করতে পারেন। সেদিনই সব সিদ্ধান্ত হয়ে যাবে, এমনটা আশা করি না। আর সমস্যাটা তাঁর বিষয়ের বাইরে মনে হলে সেটা তিনি গোপন না করে সরাসরি বলবেন, এটাই আমার চাওয়া।

নারায়ণগঞ্জে যেসব নিউরোলজিস্ট বসেন, তাঁদের তালিকা এই পাতার নিচে দেওয়া আছে, চেম্বার আর বসার সময়সহ। এলাকায় আর কারা বসেন পুরোটা দেখতে চাইলে এই সাইটে নারায়ণগঞ্জের ডাক্তারদের তালিকাটাও আছে।

7 available specialists found

সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মো. হাসিবুল হাসান

Qualifications এমবিবিএস (ঢাকা), এমডি (নিউরোলজি)।
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

ডা. রফিউল হাসান

Qualifications এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

ডাঃ নাফিজ খান রুশো

Qualifications এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরো মেডিসিন), এমএসিপি (যুক্তরাষ্ট্র)।
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

Dr. Tarun Kanti Sarker

Qualifications MBBS (DMC), BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

Dr. Mohiuddin Ahmed

Qualifications MBBS, FCPS (Medicine)
অবস্থান Dhaka, ঢাকা

Dr. Abu Nayeem

Qualifications MBBS (DMC), FCPS (Medicine), MD (Neurology)
অবস্থান ধানমন্ডি, ঢাকা

Dr. Kanol Saha

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ

সবকিছু দুটো করে দেখি

যেসব লক্ষণকে বসে থাকতে দেব না

আমার এই দুটো দেখাটা একসময় চলে যায়, আমি অপেক্ষা করি। কিন্তু কয়েকটা লক্ষণের বেলায় অপেক্ষা চলবে না। হঠাৎ শরীরের একদিক দুর্বল হয়ে পড়লে। মুখ একদিকে বেঁকে গেলে। কথা জড়িয়ে গেলে বা বলতেই না পারলে। হঠাৎ এমন মাথাব্যথা, যা আগের কোনো ব্যথার চেয়ে তীব্র। কাঁপুনি শুরু হয়ে থামতেই না চাইলে। হঠাৎ এক চোখের দৃষ্টি চলে গেলে, বা দুটোরই। হঠাৎ সবকিছু গুলিয়ে গেলে। এর যেকোনো একটা হলেই সেদিনই হাসপাতালে, না হলে আমার নিয়মিত ডাক্তারের কাছে। নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টের অপেক্ষা নয়।

আমার নিয়মিত ওষুধ যেমন চলছে, তেমনই চলবে

অন্য কারণে আমার নিয়মিত ওষুধ চলছে, এই চোখের ব্যাপার তাতে কোনো বদল আনেনি। প্রেসক্রিপশনে যে মাত্রা আর যে সময় লেখা, আমি ঠিক সেভাবেই খাই। এক সপ্তাহ চোখ ভালো থাকলেই ওষুধ বাদ দেওয়ার কথা ভাবি না। খারাপ একটা সন্ধ্যায় বাড়তি ওষুধও খাই না। কোনো ওষুধ বদলাতে বা বন্ধ করতে হলে সেই সিদ্ধান্ত যিনি প্রেসক্রিপশন করেছেন তাঁর, আমাকে দেখার পর। ওষুধের তাকের সামনে দাঁড়িয়ে আমি একা এমন সিদ্ধান্ত নিই না।

আরেকটা তালিকা, জানা থাক ভালো

নিচের প্রোফাইলগুলো দেখার সময় আমি সাধারণ বিষয়গুলোই আগে দেখি। চেম্বার কত দূরে, ডাক্তার কোন সময় বসেন, সেই সময়টা আমার কাজের সঙ্গে মেলে কিনা। কোনো কোনো সমস্যা ভালো করে দেখার পর দেখা যায় অন্য ধরনের হাত লাগে। আমারটা কখনো সেদিকে গেলে এই সাইটে নারায়ণগঞ্জের জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকা আছে, সেটাও একই যত্নে দেখব। তবে আগে এই দুটো দেখার ব্যাপারটাই ঠিকমতো শোনানো হোক।

মনে মনে যেসব প্রশ্ন ঘোরে

দুটো দেখার মাঝে মাঝে চোখ একদম ঠিক থাকে। তাহলে এটা কি অপেক্ষা করা যায়?

প্রথম মাসটা আমিও তাই ভেবেছিলাম। কিন্তু এটা আমার সময় মেনে আসে না, আসে নিজের খেয়ালে, আর বেশিরভাগ সময় পড়ার মাঝখানে। নিজে নিজে ফিরে আসা একটা ব্যাপারকে ঠিকমতো শোনানো উচিত, মাঝের সময়টুকু ভালো থাকলেও।

এক চোখ ঢেকে পড়লে কাজ হয় কেন?

এক চোখ ঢাকলেই দুটো দেখাটা থেমে যায়, পৃষ্ঠাটা আবার একটাই দেখায়। দুই চোখ খুললেই ফিরে আসে। এটা একদিন সন্ধ্যায় ঘটনাক্রমে বুঝেছিলাম। এটা শুধু একটা কৌশল, উত্তর নয়। ডাক্তারকে ব্যাপারটা যেভাবে ঘটে ঠিক সেভাবেই বলব।

প্রথম দেখায় সঙ্গে কি নেব?

আগের রিপোর্ট যা আছে, সেগুলো। আর এই দুটো দেখার হিসাবটা পরিষ্কার করে বলতে পারা। কবে শুরু, প্রতিবার কতক্ষণ থাকে, সপ্তাহে কয়বার। তারিখগুলো ফোনে লিখে রাখতে শুরু করেছি, কারণ মনে রাখলে খুঁটিনাটি গুলিয়ে যায়।

প্রথম দিনেই কি ডাক্তার সব বলে দেবেন?

আশা করি না। তিনি প্রথমে পুরো ব্যাপারটা শুনবেন, আগের রিপোর্ট দেখবেন, পরীক্ষা করবেন, তারপর কিছু বলবেন। অন্য ধরনের ডাক্তারকে আগে দেখানো উচিত মনে হলে সেটা তিনি লুকাবেন না, এটাই ভালো।

পড়লে কি সমস্যাটা বাড়ে?

পড়ি আর না পড়ি, এটা আসে। তবে ছাপার লেখায় চোখে পড়ে সবচেয়ে বেশি, কারণ দুটো কাপ উপেক্ষা করা গেলেও দুই লাইন লেখা যায় না। স্ক্রিনে অনেকক্ষণ থাকলে চোখ ক্লান্ত হয়, তখন ব্যাপারটা আরও কঠিন লাগে। মাঝে মাঝে বিরতি নিই। এটা আরাম, চিকিৎসা নয়।

হঠাৎ কথা জড়িয়ে গেলে আর এক হাত দুর্বল লাগলে কী করব?

সেটা আমার এই দুটো দেখার মতো নয়, চলে যাওয়ার অপেক্ষা করারও নয়। একপাশ দুর্বল, মুখ বেঁকে যাওয়া, কথা গুলিয়ে যাওয়া, হঠাৎ দৃষ্টি চলে যাওয়া, এসব হলে সেদিনই হাসপাতাল, না হলে আমার নিয়মিত ডাক্তার। হাতের কাজ শেষ করে তারপর, এমন নয়।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.