সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - ফেনী
এখন মুখের একপাশ দিয়ে খাই
আমার বয়স পঞ্চাশ। কয়েক সপ্তাহ ধরে খাওয়াটা আমার কাছে সাবধানী কাজ হয়ে গেছে। চিবাতে গেলেই মুখের একপাশ দিয়ে ধারালো একটা ঝটকা ব্যথা ছুটে যায়, যেন হঠাৎ বিদ্যুতের ঝিলিক। দাঁত মাজতে গেলেও শুরু হয়ে যায়। গালে ঠান্ডা বাতাস লাগলেও হয়। ঝটকাটা থাকে মাত্র কয়েক সেকেন্ড, কিন্তু সারাদিন পরেরটার ভয়ে থাকি। কাউকে না বলে আমি এখন মুখের অন্য পাশ দিয়ে খেতে শুরু করেছি, নরম খাবার, ছোট ছোট লোকমা। এই ব্যথাটা কেমন আচরণ করে, সেটা স্নায়ুর বিশেষজ্ঞকে শোনাতে চাই। তাই ফেনীতে নিউরোলজিস্ট খুঁজছি।
দেখা হলে আমি ঝটকাগুলোর কথা ঠিকঠাক বলব। কোন কাজের সময় আসে, দিনে কয়টা আসে, প্রতিটা কতক্ষণ থাকে। আগের চিকিৎসার কথা তিনি জিজ্ঞেস করবেন, হাতে যেসব রিপোর্ট আছে সেগুলো পড়ে তারপর তিনি মত দেবেন। মুখের দুই পাশের অনুভূতি আর হাতের জোর পরীক্ষা করতে পারেন। এই সমস্যাটা অন্য ধরনের ডাক্তারের কাজ মনে হলে তিনি সরাসরি বলবেন, আর সেটা আগেভাগে জেনে যাওয়াই আমার জন্য ভালো।
ফেনীতে যেসব নিউরোলজিস্ট বসেন, তাঁদের তালিকা এই পাতার নিচে আছে, চেম্বার আর বসার সময়সহ। আরও বিস্তারিত খুঁজতে চাইলে ফেনীর ডাক্তারদের সাধারণ তালিকাটাও পাশে আছে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
এখন মুখের একপাশ দিয়ে খাই
আমার ঝটকা অপেক্ষা করতে পারে, এই লক্ষণগুলো নয়
নিজের ব্যথাটাকে আমি এখন আরেকটা ছোট তালিকা থেকে আলাদা করতে শিখেছি। আমার ঝটকা ভয় পাওয়ার মতো, কিন্তু কেটে যায়। এই লক্ষণগুলোর বেলায় সেই ধৈর্য চলে না। শরীরের একপাশ বা মুখের একদিক হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া। কথা হঠাৎ জড়িয়ে যাওয়া কিংবা অর্থহীন হয়ে পড়া। আগের সবকিছুর চেয়ে ভয়ানক মাথাব্যথা হঠাৎ একবারে আসা। কাঁপুনি শুরু হয়ে থামতে না চাওয়া, কিংবা বারবার ফিরে আসা। এক চোখে বা দুই চোখে হঠাৎ দেখা হারিয়ে যাওয়া। হঠাৎ সবকিছু গুলিয়ে যাওয়া। এর যেকোনো একটা ঘটলে সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো আমার নিয়মিত ডাক্তার। বুক করা তারিখ নয়।
চলতি ওষুধে আমি নিজে হাত দিই না
অন্য কারণে আমার নিয়মিত কিছু ওষুধ চলে। মুখের ব্যথা আমাকে সেগুলো ওলটপালট করার অনুমতি দেয় না। প্রেসক্রিপশনে লেখা পরিমাণে, নিজের সময়ে, প্রতিটা ওষুধ খাই, ভালো দিনেও খারাপ দিনেও। কিছুদিন ভালো লাগলেই বাদ দেওয়ার কারণ হয় না, খারাপ লাগলেও বাড়িয়ে দেওয়ার কারণ হয় না। বদল লাগলে যিনি ওষুধটা লিখেছেন তিনিই আমাকে দেখে বদলাবেন। রান্নাঘরে একা দাঁড়িয়ে আন্দাজে আমি নয়।
মাথায় রাখা আরেকটা তালিকা
প্রথম পছন্দটা ঠিক করতে নিচের প্রোফাইলগুলোতেই যা দরকার আছে, চেম্বার, সময়, কে কোন ধরনের সমস্যা দেখেন। তবে এটাও জানি, কিছু সমস্যা পরীক্ষার পর অন্য হাতে চলে যায়। আমারটা কোনোদিন অপারেশনের দিকে গেলে এই সাইটেই ফেনীর জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকা আছে, একই ধীরে ধীরে দেখে নেওয়ার মতো। একবারে একটা কাজই থাক। আগে নিউরোলজিস্ট ঝটকার কথা শুনুক।
খাওয়ার সময় মাথায় ঘোরে যেসব প্রশ্ন
ব্যথাটা মাত্র কয়েক সেকেন্ড থাকে। এত ছোট বিষয়ে বিশেষজ্ঞকে বিরক্ত করা কি ঠিক?
আমি নিজেই কয়েক সপ্তাহ এই প্রশ্নে আটকে ছিলাম। যে ঝটকা আপনার খাওয়া বদলে দেয়, দাঁত মাজা বদলে দেয়, বাতাসের দিকে মুখ ঘোরানো বদলে দেয়, সেটা দৈনন্দিন জীবনে ছোট নয়। এর ছবিটা ঠিকমতো শোনা দরকার।
কী করলে ঝটকাটা আসে, সেটা কি বলব?
বলুন, বিস্তারিত বলুন। চিবানো, দাঁত মাজা, গালে ঠান্ডা বাতাস। কখন আসে আর কখন চুপ থাকে, এই ছবিটা ধরেই বিশেষজ্ঞ কাজ করেন। তাই কোনোটাই বলতে ছোট মনে করবেন না।
আমি শক্ত খাবার খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি। এটা কি বলা দরকার?
পরিষ্কার করে বলুন। আপনি চুপচাপ কী কী ছেড়ে দিয়েছেন, সেটা থেকে তিনি বুঝবেন ব্যথাটা আপনার দিনের কতটা জায়গা দখল করে আছে। ঝটকার মতোই এটাও গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম দেখায় কী হবে?
বেশিরভাগটা শোনা, তারপর মন দিয়ে দেখা। ঝটকা কবে থেকে শুরু, আপনি সঙ্গে নিয়ে যাওয়া আগের রিপোর্টগুলো তিনি পড়বেন, সব দেখেশুনে তারপর মতের দিকে যাবেন।
তিনি কি আমাকে অন্য ধরনের ডাক্তারের কাছে পাঠাতে পারেন?
পারেন, আর সেটা বৃথা যাওয়া হবে না। যে বিশেষজ্ঞ খোলামেলা বলেন সমস্যাটা অন্য জায়গার, তিনি আপনার ভুল দরজায় কয়েক সপ্তাহ যাওয়া বাঁচিয়ে দেন।
মুখের অর্ধেক হঠাৎ ঝুলে পড়লে আর কথা এলোমেলো হলে কী করব?
সেটাকে আরেকটা ঝটকা ভেবে বসে থাকবেন না। মুখের একদিক ঝুলে পড়া কিংবা কথা এলোমেলো হয়ে যাওয়া মানে সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো নিয়মিত ডাক্তার। আগে যান, ব্যাখ্যা পরে।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.