সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - কুমিল্লা
কোনো কোনো সকালে একপাশ ভারী লাগে
আমার বয়স একচল্লিশ। কোনো কোনো সকালে ঘুম থেকে উঠে মনে হয় শরীরটা যেন আমার চেয়ে ধীর কারো। একপাশের হাতটা গোছানো কাজে সায় দেয় না, আর সেই পাশের পা-টা অন্যটার পেছনে পেছনে টানে। ফ্ল্যাট থেকে নামার সিঁড়িটাই আসল পরীক্ষা। পা-টা ঠিকমতো উঠতে চায় না, রেলিং ধরে ধরে নামতে হয়। দুপুরের দিকে সাধারণত সেরে যায়, দিনের কাজে লেগে যাই। কিন্তু সকালগুলো ফিরে ফিরেই আসে। প্রতিবার হয় না বলেই ব্যাপারটা আরও বেশি ভাবায় আমাকে।
যে জিনিস কেউ দেখার আগেই চলে যায়, তা নিয়ে নিউরোলজিস্ট কী করবেন? শুনেছি, দেখাটা শুরু হয় গল্পটা ঠিকমতো শোনা দিয়ে। কোন কোন সকালে হয়। ভারী ভাবটা কতক্ষণ থাকে। তিনি আগের রিপোর্টগুলো সবার আগে দেখেন, হাত-পায়ের শক্তি পরখ করেন, হাঁটা আর মুঠোয় ধরা দেখেন। একটা ভারী সকাল দেখেই কোনো সিদ্ধান্ত হয় না। আর এটা যদি অন্য বিশেষজ্ঞের বিষয় হয়, আশা করি সরাসরি বলে দেবেন।
কুমিল্লার নিউরোলজিস্টদের তালিকা এই পাতার নিচেই আছে, পড়ে দেখতে পারেন। এখানে শহরের সব ডাক্তারের একটাই তালিকার পাতা নেই, তাই অন্য ধরনের ডাক্তারের জন্য দেখার তালিকা হলো কুমিল্লার জেনারেল সার্জনদের তালিকা।
12 available specialists found
Dr. ANM Ilias Naime
Dr. Md. Kamal Uddin
Dr. Soumitra Das
Prof. Dr. Md. Nazmul Hasan Chowdhury
Prof. Dr. Md. Rafiqul Islam
Prof. Dr. Md. Mizanur Rahman
Dr. Saiful Hoque
Asst. Prof. Dr. Ankur Datta
কোনো কোনো সকালে একপাশ ভারী লাগে
ওষুধ বদলের সিদ্ধান্ত লেখা ডাক্তারেরই
আমার নিজের ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ আমি রোজ খাই, এই সকালগুলোর সঙ্গে যার কোনো সম্পর্ক নেই। সেগুলো এই ধাঁধার বাইরেই থাকবে। এক সপ্তাহ ভালো গেলেই একটা বাদ দেওয়ার অধিকার আমার হয় না, খারাপ সকাল এলেই বাড়তি খাওয়ারও না।
ওষুধ চলবে প্রেসক্রিপশনে যেভাবে লেখা, যে সময়ে লেখা ঠিক সেভাবে। কিছু বদলাতে হলে সিদ্ধান্ত নেবেন যিনি লিখেছিলেন, আমাকে আর রিপোর্ট দেখে। নিউরোলজিস্টকেও আমি পুরো তালিকাটা জানিয়ে দেব, যাতে সব সিদ্ধান্ত পুরো ছবি দেখে হয়।
একই ডিরেক্টরিতে অন্য শহরের তালিকাও
তালিকা শুধু নিজের শহরের জন্যই মানুষ দেখে না। রাজধানীতে থাকা বোন দেখেন, দূরে কাজ করা স্বামী দেখেন। কুমিল্লার বাইরে যাঁরা তালিকা খুঁজছেন, তাঁদের জন্য একই ডিরেক্টরিতে ঢাকার নিউরোলজিস্টদের তালিকা আছে। এই পাতার তালিকার পাশাপাশি এটা শুধু আরেকটা তালিকা, পড়ে দেখার জন্য।
তালিকা পড়ার সময় আমি তাড়াহুড়ো করি না। কে কোন বিষয়ে দেখেন, কোথায় বসেন, এসব ধীরে ধীরে মিলিয়ে দেখি। আমার সকালের সমস্যাটা যাঁর বিষয়ের মধ্যে পড়ে, তাঁর প্রোফাইলটাই আগে খুঁটিয়ে পড়ি।
ধীরে আসা ভারী ভাব এক রকম, হঠাৎ আসা আরেক রকম
আমার ভারী সকালগুলো ধীরে আসে, ধীরে যায়। হঠাৎ আসা সংস্করণটা হলে সেটা অন্য জিনিস। শরীরের বা মুখের একদিক হঠাৎ একবারে দুর্বল হয়ে যাওয়া চায়ের কাপ হাতে বসে দেখার বিষয় নয়। সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো আমার নিয়মিত ডাক্তার। অপেক্ষা করে দেখি কী হয়, এই মনোভাব সেদিনের জন্য নয়।
কথা হঠাৎ জড়িয়ে বা অদ্ভুত হয়ে গেলে, কিংবা জীবনে কখনো হয়নি এমন মাথাব্যথা এলেও একই কথা। কাঁপুনি থামছে না, বারবার ফিরে আসছে, সেটাও তালিকায়। কোনো এক চোখের, কিংবা দুই চোখেরই দেখা হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া, হঠাৎ বিভ্রান্তিও তাই। আমার স্বামীকেও লক্ষণগুলো আলাদা করে বলে রেখেছি, যাতে আমি ব্যবস্থা নিতে না পারলে তিনিও অনুমান না করেন।
সিঁড়ি নামতে নামতে মাথায় ঘোরে যা
দুপুরেই সেরে যায়। তবু কি দেখানো দরকার?
হ্যাঁ। নিজের সময়মতো বারবার ফিরে আসা একটা ছাঁচ ঠিকমতো শোনানো দরকার, সেটা সবসময় চলেই গেলেও। আসল কথা হলো, এটা ফিরে আসে।
কোন কোন সকালে হয়, লিখে রাখব?
রাখলে ভালো হয়। সাধারণ একটা নোটই যথেষ্ট: তারিখ, কোন পাশ, কতক্ষণ ছিল। লিখে রাখলে ছাঁচটা বলাও সহজ হয়।
প্রথম দেখায় সিঁড়ির সমস্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞ কী করবেন?
মূলত শুনবেন, তারপর পরীক্ষা করবেন। হাত-পায়ের শক্তি, হাঁটা, মুঠো। কোনো সিদ্ধান্তের আগে আগের রিপোর্টগুলো পড়া হবে।
সারাদিন ঘরের ভারী কাজ করি। এটা কি শুধু সেটাই নয় তো?
ক্লান্তি হতেও পারে, তার বেশি কিছুও হতে পারে। নিজের রান্নাঘর থেকে সেই সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারি না। বিশেষজ্ঞ আগে পুরো ছাঁচটা শুনবেন।
বিশেষজ্ঞ যদি বলেন এটা অন্য ডাক্তারের বিষয়, তখন?
তখন সেই পথেই যাব। সরাসরি বলে দিলে মাসের পর মাস অনুমানের কষ্ট বাঁচে, আর প্রথম দরজার চেয়ে ঠিক দরজাটাই আসল।
ভারী ভাবটা যদি একদিন হঠাৎ একবারে আসে?
তখন আর অ্যাপয়েন্টমেন্টের বিষয় থাকে না। একদিকের হঠাৎ দুর্বলতা, অদ্ভুত কথা, দেখা চলে যাওয়া, না থামা কাঁপুনি: সেদিনই হাসপাতাল, নয়তো আপনার নিয়মিত ডাক্তার।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.