সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - চট্টগ্রাম
একই কথা দুইবার জিজ্ঞেস করে ফেলি
ব্যাপারটা টের পাই ছেলের মুখ দেখে। একই প্রশ্ন, এক ঘণ্টার ভেতরেই সে দ্বিতীয়বার উত্তর দিচ্ছে, ধীরে ধীরে, রাগ না করে। কথার মাঝখানেও থেমে যাই মাঝে মাঝে: যে শব্দটা এক্ষুনি মুখে ছিল, সেটাই আর খুঁজে পাই না। প্রথমে ঘরের লোকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছে। এখন রান্নাঘরের পাশে একটা খাতা রাখি। যা যা দুইবার জিজ্ঞেস করা যাবে না, লিখে রাখি তাতে।
এমন সমস্যা এক দেখার ছোটখাটো কথায় ধরা পড়ে না, নিউরোলজিস্টের কাছে যেতে হয় পুরো ধারাটা নিয়ে। কতদিন ধরে এমন হচ্ছে, দিনে কতবার হয়, ঘরের লোকে যা লক্ষ করেছে আমি নিজে করিনি, সবটা তাঁর জানা দরকার। ছেলের কথাও আমার কথার মতোই জরুরি। হাতে থাকা রিপোর্টগুলো তিনি দেখেন, কয়েকটা শব্দ মনে রেখে পরে বলতে বলেন, হাত-পায়ের জোর আর হাঁটাচলা দেখেন। সেদিনই তাড়াহুড়ো করে কোনো সিদ্ধান্তে যান না তিনি।
চট্টগ্রামের নিউরোলজিস্টদের তালিকা এই পাতার নিচেই সাজানো আছে। প্রোফাইলে চেম্বারের ঠিকানা আর দেখা করার সময় দেওয়া থাকে, ঘরের সুবিধা বুঝে ডাক্তার আর দিন বেছে নেওয়া যায়। সব বিষয়ের ডাক্তার একসঙ্গে দেখতে চাইলে সাধারণ চট্টগ্রামের ডাক্তারদের ডিরেক্টরি ঘুরে দেখুন।
3 available specialists found
Dr. Md. Mahabubul Alam Khandker
Prof. Dr. Syed Wahidur Rahman
Prof. Dr. Md. Hasanuzzaman
একই কথা দুইবার জিজ্ঞেস করে ফেলি
তাকে সাজানো ওষুধ চলবে যেমন চলছিল
আমার ওষুধগুলো তাকে সারি ধরে সাজানো, সকালেরগুলো আলাদা, রাতেরগুলো আলাদা। যা লেখা আছে, চলবে ঠিক সেভাবেই। যেদিন মাথাটা পরিষ্কার লাগে, সেদিন একটা বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। আর যেদিন ঘোলাটে লাগে, সেদিন বাড়তি খাওয়ারও কারণ নেই। ওই সারিতে কোনোদিন বদল এলে তা আসবে ওষুধ যিনি লিখেছিলেন তাঁর হাত দিয়ে, আমাকে ভালো করে দেখার পর। সারিটা নিজে হাতে সাজাতে যাই না।
হঠাৎ বদলে তারিখের অপেক্ষা চলবে না
হঠাৎ লক্ষণগুলো এখন ঘরের সবার মুখস্থ, আমি সবাইকে শিখিয়ে দিয়েছি বলে। মুখ বা শরীরের একপাশ কোনো সাবধান ছাড়াই হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া। কথা জড়িয়ে আসা, কিংবা মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসা অন্য কথা। মাথায় আঘাত পাওয়ার মতো ব্যথা, সারা জীবনে যা পাইনি। কাঁপুনি থামছেই না, এক চোখে হঠাৎ আঁধার নেমে আসা, মিনিটের মধ্যে সব গুলিয়ে যাওয়া। এর যেকোনো একটা হলেই সেদিনই হাসপাতাল। অ্যাপয়েন্টমেন্টের কার্ডের তারিখ পেরোনোর অপেক্ষায় বসে থাকা হবে না।
শেষে যদি অপারেশনের দরকার পড়ে
এমনও হতে পারে, রিপোর্ট দেখে বিশেষজ্ঞ বলবেন সমস্যাটা স্নায়ুর যত্নে সারবে না, অপারেশন লাগবে। সেদিন এলে পরের ধাপ একজন সার্জন। ছেলে তখন তাড়াতাড়ি কয়েকটা নাম জানতে চাইবে। ঠিক সেই মুহূর্তের জন্য DoctorBD24-তে চট্টগ্রামের জেনারেল সার্জনদের আলাদা তালিকা রাখা আছে। আমরা একবার শান্ত মাথায় তালিকাটা পড়ে রেখেছি, পরে তাড়াহুড়ো করে খুঁজতে হবে না।
ছেলে আর ছেলের বউ বারবার যা জানতে চায়
ছেলে কি আমার সঙ্গে দেখা করার ঘরে ঢুকতে পারবে?
পারলে ভালো, যদি সে একই ঘরে থাকে। প্রতিদিন দুইবার করা প্রশ্ন যারা শোনে, ধারাটার অর্ধেক তাদের মাথায় থাকে। বিশেষজ্ঞ তার কথাটা আপনার কথার পাশাপাশি শুনতে চাইবেন।
যেসব কথা দুইবার বলা যাবে না, খাতায় লিখে রাখি। খাতাটা কি নিয়ে যাব?
নিয়ে যান। দিন ধরে লেখা নোট থাকলে বোঝা যায়, কত ঘন ঘন হচ্ছে আর নতুন নতুন কথায় ছড়াচ্ছে কিনা। শুধু "অনেক হয়" বলার চেয়ে এটা অনেক বেশি কাজের।
কোনো কোনো দিন মাথা একদম পরিষ্কার থাকে। তাহলে কি এটা সেরে গেছে?
ঘরে বসে সেই সিদ্ধান্ত নেবেন না। ভালো দিন আর ঘোলাটে দিন পাশাপাশি থাকাটাই সেই ধারার অংশ, যেটার ছবি বিশেষজ্ঞ আঁকতে চান। ভালো সপ্তাহটাও বলার মতো খবর, খারাপটার মতোই।
বিশেষজ্ঞ কি দেখা করার সময় মনে রাখার কাজ দেবেন?
দিতেই পারেন। কয়েকটা শব্দ মনে রেখে পরে বলা, সহজ নির্দেশ মেনে চলা। এই ছোট ছোট কাজে বোঝা যায়, কী পিছিয়ে যাচ্ছে আর কী টিকে আছে। এটা পাস-ফেলের পরীক্ষা নয় মোটেও।
ঘরের লোকে বলে, এটা শুধু বয়সের দোষ। তবু কি যাব?
সেই রায়টা খাওয়ার টেবিলের আলোচনায় দেওয়ার নয়। বয়সকে দোষ দেওয়া সহজ, কিন্তু মাপা কঠিন। পুরো ধারাটা শুনে বিশেষজ্ঞই বলুন, কোনটা কার ভাগে পড়ে। বিষয়টা তাঁর না হলেও তিনি সেটা বলে দেবেন।
আজ সকালে ছেলে বলছে, আমার কথা জড়িয়ে যাচ্ছে আর মুখের একপাশ দুর্বল দেখাচ্ছে। দেখা করার দিন বৃহস্পতিবার। অপেক্ষা করব?
অপেক্ষা একদমই নয়। আজই হাসপাতাল ধরুন, অথবা নিজের নিয়মিত ডাক্তারের শরণ নিন। মুখ হঠাৎ দুর্বল হয়ে যাওয়া আর কথা বদলে যাওয়া, সেদিনের লক্ষণের মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট দুটো। বৃহস্পতিবারের দেখায় পরে শোনানো যাবে, দরকার হলে হাসপাতালের ছাড়পত্রের কাগজ থেকেই।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.