সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - বগুড়া

নিজের সইটাই চেনা যায় না আর

চাকরি থেকে অবসর নিয়েছি দুই বছর হলো। বগুড়ায় আমার দিন এখন ধীরে সুস্থে কাটে। পুরোনো সহকর্মীদের সঙ্গে চা, সন্ধ্যায় একটু হাঁটাহাঁটি। কিন্তু আমার ডান হাতটা যেন নিজের মতো চলতে শুরু করেছে। কাপ তুললেই হাত কাঁপে, পিরিচে শব্দ হয়। হাতের লেখাও ছোট হয়ে গেছে আগের চেয়ে, আর লিখতেও সময় লাগে বেশি। গত মাসে ব্যাংকে গিয়ে কর্মকর্তা আমার ফরমটা ঘুরিয়ে দুইবার সইটা মিলিয়ে দেখলেন। তাঁর পর্দায় থাকা সইয়ের সঙ্গে এটা মিলল না। সত্যি বলতে, আমার নিজের কাছেও এটা আর আমার সই মনে হয় না।

এত ধীরে ধীরে বদল এলে নিজের মনকেই অনেকদিন বোঝানো যায়। আমি প্রায় এক বছর তাই করেছি। এমন ধীরে আসা ধরন নিয়েই কাজ করেন নিউরোলজিস্ট। দেখা করতে গেলে আপনি পুরো ইতিহাসটা সামনে রাখবেন। কবে থেকে শুরু? এর মধ্যে কতটা এগিয়েছে? আগের রিপোর্ট যা আছে, নিয়ে যাবেন। তিনি হাত আর পায়ের শক্তি পরীক্ষা করবেন, ঘরের এ মাথা থেকে ও মাথা হাঁটিয়ে দেখবেন। আর সমস্যাটা যদি আসলে অন্য কোনো ধরনের ডাক্তারের কাজ হয়, সেটাও খোলাখুলি শুনতে পাওয়া উচিত।

বগুড়ায় নিউরোলজিস্ট হিসেবে যাঁরা চেম্বার করেন, তাঁদের তালিকা এই পাতার নিচেই আছে, চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময়সহ। জেলার অন্য ধরনের ডাক্তারদের জন্য বগুড়ার ডাক্তারদের বড় তালিকাটাও দেখে নিতে পারেন।

7 available specialists found

সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ আহমেদ আশাফুদ্দৌলা

Qualifications এমবিবিএস (ঢাকা), এমসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরো-মেডিসিন)।
অবস্থান বগুড়া সদর, বগুড়া

Dr. Md. Atiqul Islam (Atique)

Qualifications MBBS, BCS (Health), and MS (Neurosurgery) degrees, along with higher training in neurosurgery from Singapore. He is skilled in diagnosing and treating brain diseases, spine disorders, stroke, brain tumors, head injuries, slipped discs, nerve compressions, and other neurological conditions. Currently,
অবস্থান শেরপুর, বগুড়া

Dr. Md. Mahbubur Rahman

Qualifications MBBS, BCS (Health), MD (Neurology)
অবস্থান শেরপুর, বগুড়া

Prof. Dr. Sushanta Kumar Sarkar

Qualifications MBBS and MS in Neurosurgery from BSMMU and currently serves as Professor and
অবস্থান শেরপুর, বগুড়া

Dr. Tanjina Tarannum Dipu

Qualifications MBBS (SSMC), MSC (Cognitive & Clinical Neuroscience, UK)
অবস্থান Kotwali Sadar, বরিশাল

Dr. Manabendra Bhattacharjee

Qualifications MBBS, MD (Neurology)
অবস্থান বগুড়া সদর, বগুড়া

Prof. Dr. Md. Shafiul Alam

Qualifications MBBS, FCPS (Surgery), MS (Neurosurgery), FICS, FACS (America), MRCPS (Glasgow)
অবস্থান মিরপুর, ঢাকা

নিজের সইটাই চেনা যায় না আর

অক্ষর ছোট হলো, হাত হলো ধীর

ব্যাংকের সইটাই প্রথম লক্ষণ ছিল না। ওটা ছিল প্রথম ঘটনা, যেটা আমি আর এড়িয়ে যেতে পারলাম না। লেখার বদলটা আমার নাতি ধরেছিল আমার আগেই। ও জিজ্ঞেস করল, আমার অক্ষর এত ছোট হলো কেন। এখন এক পৃষ্ঠা লিখলেই হাতে ক্লান্তি আসে। বোতাম লাগাতে সময় লাগে। যেদিন কাঁপুনি বেশি, কাপ ধরতে দুই হাত লাগে। এসব একদিনে আসেনি। মাসের পর মাস একটু একটু করে এসেছে। এই কারণেই এটা এমন ডাক্তারের দেখা উচিত, যিনি ধীরে বদলানো ধরন পড়তে জানেন।

সকালের ওষুধ চলবে পুরোনো প্রেসক্রিপশনেই

আমি প্রতিদিন সকালে কিছু ওষুধ খাই, অনেকদিন আগে আমার নিয়মিত ডাক্তারের লেখা। ওষুধগুলো চলবে ওই প্রেসক্রিপশন ধরেই। এক সপ্তাহ ভালো গেলেই নিজে থেকে ছুটি নেওয়া যাবে না। খারাপ গেলেও বাড়তি খাওয়া যাবে না। আমার ছেলে একবার বলেছিল, একটা ট্যাবলেট অর্ধেক করে দেখুন। আমি বলেছি, যে মানুষটা মাত্রা লিখেছেন, মাত্রা বদলানোর কাজটাও তাঁরই। রিপোর্ট দেখে নিউরোলজিস্ট হয়তো কিছু বদলাবেন। সেটা হবে ডাক্তারের সিদ্ধান্ত, সবার সামনে। নাশতার টেবিলে পরিবারের পরীক্ষা না।

অপারেশনই যদি আসল দরকার হয়ে দাঁড়ায়

হাত কাঁপলেই যে অপারেশন লাগবে, এমন কথা কেউ বলতে পারে না। পরীক্ষার আগে কোন পথে যাবেন, সেই আশ্বাসও কেউ দিতে পারে না। তবে কিছু সমস্যা দেখতে স্নায়ুর মতো লাগলেও শেষ পর্যন্ত অপারেশনের টেবিলেই তার জায়গা হয়। বিশেষজ্ঞ যদি দেখেন আপনারটা তেমনই, তিনি সোজাসুজি বলেই দেবেন। সেই পথের জন্য বগুড়ার জেনারেল সার্জনদের নিজস্ব তালিকা আছে। দুটো দরজার খবর জানা থাকলে প্রথম দেখাটা সহজ লাগে।

যে বদল সাপ্তাহিক দেখা পর্যন্ত অপেক্ষা করবে না

আমার নিজের সমস্যা ধীরে ধীরে এগোচ্ছে। কিন্তু কিছু বদল ধীরে আসে না, সেই তালিকাটা আমি মুখস্থ রেখেছি। শরীরের বা মুখের এক পাশে হঠাৎ দুর্বলতা নেমে এলে সেদিনই হাসপাতাল। কথা হঠাৎ জড়িয়ে গেলে বা অর্থহীন হয়ে গেলেও তাই। আগের সব ব্যথার চেয়ে তীব্র মাথাব্যথা হঠাৎ এলেও তাই। শরীরের কাঁপুনি শুরু হয়ে থামতে না চাইলে অপেক্ষা করা যাবে না। এক চোখে বা দুই চোখে হঠাৎ দেখা বন্ধ হয়ে গেলেও না। মাথা হঠাৎ গুলিয়ে গেলেও না। ধীরে আসা সমস্যা সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। এগুলো পারে না।

আমার স্ত্রী যা যা জিজ্ঞেস করেন

কিছু ধরলেই শুধু হাত কাঁপে কেন?

এটা উনি আমার আগে লক্ষ করেছেন। হাঁটুর ওপর হাত রাখলে হাত চুপচাপ। কাপ তুললেই কাঁপুনি শুরু। কারণ যাই হোক, খুঁটিনাটিটা বিশেষজ্ঞকে ঠিক যেভাবে ঘটে সেভাবেই বলা দরকার।

লেখা ছোট হয়ে যাওয়া কি সত্যিই ডাক্তার দেখানোর মতো ব্যাপার?

একা হলে হয়তো না। কিন্তু কাঁপুনি আর বোতামে দেরির পাশে রাখলে একটা ধরন দাঁড়ায়। বিশেষজ্ঞরা ধরনই পড়েন। তিনটা ছোট ব্যাপার একসঙ্গে হলেই তা যথেষ্ট কারণ।

পরিবারের কেউ সঙ্গে গেলে ভালো হয়?

হয়। আমার স্ত্রী তারিখ মনে রাখেন, যেগুলো আমি ভুলে যাই। আমি যেসব বদলে অভ্যস্ত হয়ে গেছি, সেগুলো ওঁর চোখে পড়ে।

বিশেষজ্ঞ কি প্রথম দিনেই সব ঠিক করে ফেলবেন?

মনে হয় না, আর তাতে আমার আপত্তি নেই। আগে ইতিহাস, তারপর পরীক্ষা, তারপর আগের রিপোর্ট পড়া। কোনো প্রশ্নের জন্য তিনি কিছু পরীক্ষার ব্যবস্থা করতে পারেন। শক্ত সিদ্ধান্ত তার পরেই।

তিনি যদি বলেন এটা তাঁর বিভাগের কাজ না?

তাহলে তিনি বলে দেবেন এটা কার কাজ। এমন সোজা উত্তর মাসের পর মাস বাঁচিয়ে দেয়। কিছু সমস্যা বড় কেন্দ্রের দিকে যায়। আগেভাগে শোনা অনেক ভালো।

কোন হঠাৎ বদল দেখলে সেদিনই হাসপাতালে যেতে হবে?

শরীরের বা মুখের এক পাশে দুর্বলতা নেমে এলে। কথা হঠাৎ জড়িয়ে গেলে বা গুলিয়ে গেলে। জীবনে জানা সব মাথাব্যথার চেয়ে তীব্র ব্যথা হলে। থামতে না চাওয়া কাঁপুনি, হঠাৎ হারিয়ে যাওয়া দৃষ্টি, হঠাৎ গুলিয়ে যাওয়া মাথা। এগুলো দেখে বসে থাকার লক্ষণ না।

Ad

Sponsor Space Available

Place your banner here to reach thousands of patients daily.

Sponsored

Grow Your Practice

Premium placement for hospitals & doctors.