সেরা স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ - বাগেরহাট
হাত থেকে জিনিস পড়ে যায় বারবার
আমার বয়স বায়ান্ন, আর আমার হাত দুটো ছোট ছোট ব্যাপারে বিশ্বাসঘাতকতা শুরু করেছে। রাতে আঙুল ঝিনঝিন করে, তারপর অবশ হয়ে যায়, ঝাঁকিয়ে জাগাতে হয় যেন হাতটা অন্য কারো। দিনের বেলায় সমস্যা মুঠোয়। গত মাসে হাত থেকে কাপ পিছলে পড়ে ভেঙে গেছে। কাজের যন্ত্রপাতি আঙুল থেকে সরে যায় অপ্রত্যাশিত মুহূর্তে। ঠিক ব্যথা হয় না। এইটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি ভাবায়। চায়ের দোকানেও একই ঘটনা ঘটেছে।
নিউরোলজিস্ট এই ধরনের সমস্যারই ডাক্তার, আর প্রথম সাক্ষাৎটা মূলত গল্প শোনার। কবে থেকে শুরু। অবশ ভাবটা কত ঘন ঘন আসে। কোন কাজগুলো হাতে আর হচ্ছেনা। পুরনো রিপোর্ট থাকলে তিনি দেখতে চাইবেন, হাত আর বাহুর শক্তি পরখ করবেন, হাঁটা আর জিনিস ধরা খেয়াল করে দেখবেন। আমাকে বলা হয়েছে, তাড়াহুড়ো করে উত্তর নয়, আগে মন দিয়ে শোনাটাই আসল। কিছু সমস্যা অন্য বিশেষজ্ঞের বিষয় হলে তাও তিনি খোলাখুলি বলে দেবেন।
বাগেরহাটের নিউরোলজিস্টদের তালিকা এই পাতার নিচেই দেওয়া আছে, প্রোফাইলগুলো নিজের সময়মতো পড়ে দেখতে পারেন। কাছের অন্য সব ধরনের ডাক্তারের জন্য বাগেরহাটের ডাক্তারদের তালিকা আরও বড় জায়গা।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
হাত থেকে জিনিস পড়ে যায় বারবার
রাতে আঙুল ঝিনঝিন দিয়ে শুরু
শুরুটা প্রায় বছরখানেক আগে, এত নীরবে যে প্রথমে ক্লান্তিকে দোষ দিলাম, তারপর বয়সকে। রাতে আঙুল ঝিনঝিন করত, ঘুম ভাঙত, সকাল হতে ঠিক হয়ে যেত। স্ত্রীকে বলতাম, কিছু না। কিন্তু ধারাটা নিজের হিসাব নিজেই রেখেছে। এখন ঝিনঝিন প্রায় প্রতি রাতেই আসে, অবশ ভাব থাকে বেশি সময়, আর জিনিস পড়ে যাওয়াটা কাজের জায়গায় সত্যিকারের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সারাদিন হাত দিয়েই আমার কাজ, তাই সেখানে দুর্বলতা ছোট ব্যাপার নয়। হাতের তালু থেকে স্ক্রু গড়িয়ে পড়ে। রেঞ্চ পিছলেছে দুইবার। গত সপ্তাহে টেরই পাইনি, ছোট্ট বোল্ট ধরে আছি নাকি কিছুই না। মানুষ পা টেনে হাঁটা লুকাতে পারে। সবার সামনে জিনিস ফেলে দেওয়া হাত লুকানো যায় না।
প্রেসক্রিপশনের বাইরে আমি যাই না
অন্য সমস্যার জন্য আমি প্রতিদিনই ওষুধ খাই, যাঁরা আমাকে চেনেন তাঁদের দেওয়া। এই সাক্ষাতে যাই হোক, সেগুলো একদম যেমন আছে তেমনই থাকবে। হাতটা অদ্ভুত লাগছে বলে সেগুলো এদিক সেদিক করা বোকামি হবে। প্রতিবেশী নিজের ট্যাবলেটে এমন সমস্যা সেরেছে বলে শপথ করলেও না।
কোনো ওষুধ বদলাতে হলে সিদ্ধান্তটা যিনি ওটা দিয়েছিলেন তাঁর, আমাকে আর আমার রিপোর্ট দেখার পর। মাঝরাতে আমার নয়, দোকানদারেরও নয়। নিউরোলজিস্টকেও আমি একই তালিকা দেব, লিখে নিয়ে যাব, নতুন কোনো কথা শুরুর আগেই।
সার্জনের মতামত লাগলে যেখানে খুঁজবেন
হাতের এই অবস্থা অন্য প্রশ্নও তোলে। লোকে জিজ্ঞেস করে, এটা কি সার্জনের বিষয়। আমি জানি না, বিশেষজ্ঞরাই নিজেদের মধ্যে ঠিক করে নিন। সার্জনের মতামত সত্যিই দরকার হলে বাগেরহাটের জেনারেল সার্জনদের তালিকা আলাদা তালিকা হিসেবে আছে। ওটা আমার এই নিউরোলজি সাক্ষাত থেকে আলাদা।
যেসব বদল দেখলে সেদিনই হাসপাতাল
কোন বদল পুরো পরিকল্পনা বদলে দেবে, তাও আমার কাছে পরিষ্কার। ধীরে ধীরে আসা ঝিনঝিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারে। হঠাৎ বদল পারে না। শরীরের একদিকে হঠাৎ দুর্বলতা নামলে, কিংবা মুখের একপাশ ঝুলে গেলে, আমি দিন শেষ করে তারপর যাব না। সেদিনই হাসপাতাল, যে সময়ই হোক।
কথা হঠাৎ অদ্ভুত হয়ে যাওয়া, কিংবা আগের যেকোনো বারের চেয়ে তীব্র মাথাব্যথাও তাই। থামছে না কিংবা ফিরে ফিরে আসছে এমন কাঁপুনি, হঠাৎ দৃষ্টি চলে যাওয়া, কিংবা হঠাৎ বিভ্রান্তিও একই কথা। যেকোনো মানুষের জন্যই এগুলো দেখে বসে থাকার লক্ষণ নয়। আমার পরিবারও এই তালিকাটা জানে, কারণ যার সঙ্গে ঘটে সে সবসময় নিজে পদক্ষেপ নিতে পারে না।
অ্যাপয়েন্টমেন্টের আগে আমার প্রশ্নগুলো
প্রথম সাক্ষাতে পুরনো রিপোর্ট সঙ্গে নেবেন?
হ্যাঁ। সব রিপোর্ট আর ওষুধের লিখিত তালিকা সঙ্গে নিন।
বিশেষজ্ঞ কি প্রথম দিনেই সব সিদ্ধান্ত দেবেন?
না। আগে ধারাটা শোনা হয়, পরীক্ষার পরেই সিদ্ধান্ত।
সকাল হতেই অবশ ভাব চলে যায়। তবু যাওয়া দরকার?
বারবার ফিরে আসা ধারা ঠিকমতো পরীক্ষা করানোই ভালো।
হাত ভালো লাগলে অন্য ওষুধ বন্ধ করে দেবেন?
নিজে থেকে কখনো নয়। বদল যিনি দিয়েছিলেন তাঁর মাধ্যমেই।
বিশেষজ্ঞ আমার হাত দিয়ে আসলে কী করবেন?
হাতের শক্তি পরখ করবেন, মুঠো ধরা আর হাঁটা খেয়াল করে দেখবেন।
কোন বদল দেখলে সেদিনই হাসপাতালে যাবেন?
একদিকের হঠাৎ দুর্বলতা, অদ্ভুত কথা, সবচেয়ে তীব্র মাথাব্যথা, থামছে না এমন কাঁপুনি, হঠাৎ দৃষ্টি হারানো, কিংবা হঠাৎ বিভ্রান্তি।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.