সেরা নবজাতক বিশেষজ্ঞ - যশোর
ওজনের কাঁটা নড়ে না প্রায়
আমাদের ছেলেটা যশোরেই জন্মাল, সময়ের একটু আগেই, এত ছোট যে প্রথম জামাগুলো গায়ে ঢিলে হয়ে থাকত। খাওয়া নিয়ে ওর কোনোদিনই ঝামেলা হয়নি। বুকের দুধ টানে পেট ভরে, ঢেকুর তুলে ঘুমিয়ে পড়ে। শুধু খাওয়া দেখলে কেউ বলতেই পারবে না, কোথাও কোনো কমতি আছে।
ঝামেলাটা ধরা পড়ে সপ্তাহের ওজন নেওয়ার দিনে। ক্লিনিকে নার্স ওকে দাঁড়িপাল্লায় শুইয়ে দেন, সংখ্যাটা শুনে আমার বুকটা ধক করে ওঠে। সাত দিন আগের চেয়ে প্রায় একই। শাশুড়ি আমার দুশ্চিন্তা উড়িয়ে দেন। ওর গাল দুটো দেখ, গোলগাল। কিন্তু গাল তো হিসাব রাখে না। দাঁড়িপাল্লা রাখে, আর সেই হিসাব বাড়ছে না বললেই চলে। ওজন নেওয়ার আগের রাতটা আমার ঠিকমতো ঘুম হয় না।
এই কারণেই যশোরে একজন নবজাতক বিশেষজ্ঞের কাছে ওকে নিয়মিত দেখাতে চাই, যাঁর কাজই জন্মের প্রথম সপ্তাহগুলোর বাচ্চাদের নিয়ে। DoctorBD24-এর যশোরের ডাক্তারদের তালিকায় জেলার ডাক্তারদের চেম্বারের ঠিকানা আর রোগী দেখার সময় দেওয়া আছে। এই পাতার নিচেই নবজাতক বিশেষজ্ঞদের তালিকা দেওয়া আছে, ফলে ওজনের দিনের সঙ্গে মিলিয়ে দেখানোর সময়টা ঠিক করে নেওয়া যাবে।
0 available specialists found
No Specialists Found
We couldn't find any doctors matching your exact criteria. Try removing some filters or checking back later.
ওজনের কাঁটা নড়ে না প্রায়
সাত দিন পরপর আবার দাঁড়িপাল্লায়
বৃহস্পতিবার মানেই ওজনের দিন। প্রতিবার একইভাবে জড়িয়ে নিয়ে যাই, নার্স ঠান্ডা পাল্লাটায় শুইয়ে দিলে আমি দম আটকে দাঁড়িয়ে থাকি। তিনি আগের সংখ্যাগুলোর পাশে নতুনটা লিখে দেন। এক সপ্তাহের হিসাব দিয়ে কিছু বোঝা যায় না, তিনি বলেন। দেখতে হয় পুরো লাইনটা।
নবজাতক বিশেষজ্ঞ সেই লাইনটাই পড়েন ওর বাকি সবকিছুর সঙ্গে মিলিয়ে। কেমন খাচ্ছে। খাওয়ার ফাঁকে ঘুমটা কেমন। গায়ের রংটা ঠিক আছে কিনা। আমাদের দেখাগুলোতে শুধু পাল্লার সংখ্যা দেখে কিছু ঠিক হয় না, কারণ বিশেষজ্ঞ আগে ওকে পরীক্ষা করেন, তারপর পুরো সপ্তাহের কথা শোনেন। ধীরে বাড়াটা তিনি নজরে রাখেন।
আমরা নিজে থেকে ওর খাওয়ায় হাত দিই না
ছুটির সময় হাসপাতালের ডাক্তাররা যেভাবে ঠিক করে দিয়েছিলেন, ওর খাওয়া চলছে ঠিক সেভাবেই। কতটা খাবে, কতক্ষণ পরপর, সব লেখা আছে। চার্টের ওষুধটা ওর মাপ অনুযায়ী ঠিক করা মাত্রায়ই চলছে। কোনো কোনো দিন মন চায়, বাড়তি একবার খাইয়ে দিলে হয়তো সংখ্যাটা এগিয়ে যেত। দিই না। কোনোবার খাওয়া বাদ গেলে সেটা লিখে রাখি, পরের দেখায় জানাই। নিজে অনুমান করে পরের বার দ্বিগুণ খাওয়ানো হয় না। পরিকল্পনা বদলাতে হলে বদলাবেন ওর চিকিৎসায় থাকা ডাক্তাররাই।
ও যখন শিশু হয়ে উঠবে
একদিন সাপ্তাহিক এই ওজন নেওয়া শেষ হবে। তখন ওর দরকার হবে বড় হতে থাকা শিশুদের সাধারণ অসুখ-বিসুখের একজন ডাক্তার। সময় হলে যশোরের শিশু বিশেষজ্ঞদের তালিকা থেকে খুঁজে নেওয়া যাবে। এখন সে তাড়া নেই। জন্মের প্রথম সপ্তাহ থেকে যিনি ওর চার্ট ধরে আছেন, তিনিই ওকে সবচেয়ে ভালো চেনেন।
দেরি করা চলবে না যেসব লক্ষণে
এত ছোট বাচ্চা হঠাৎ খারাপের দিকে যেতে পারে, তাই ওর ডাক্তাররা পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, কোন লক্ষণে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত বসে থাকা যাবে না। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে মনে হওয়া, কিংবা শ্বাস থেমে থেমে আসা। মুখ আর ঠোঁটের রং ফিকে হয়ে ধূসর ভাব ধরা। প্রতিটা খাওয়া মুখ ফিরিয়ে দেওয়া। বয়স এক মাস পেরোনোর আগেই জ্বর ওঠা। থামে না এমন কাঁপুনি। শরীর নিস্তেজ হয়ে যাওয়া, জাগানোই কঠিন। গায়ে হলদে ভাব ছড়িয়ে যাওয়া আর সেই সময়টায় খাওয়া ছেড়ে ঘুমিয়ে থাকা। এর যেকোনো একটা দেখলেই ঘড়ি না দেখে সোজা হাসপাতাল।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
প্রতিটা খাওয়াই শেষ করে, তারপরও কাঁটা নড়ে না কেন?
মন দিয়ে খাওয়া আর ধীরে ওজন বাড়া ছোট বাচ্চার ক্ষেত্রে পাশাপাশি থাকতে পারে। কয়েকটা দেখা জুড়ে ধরনটা না দেখে বিশেষজ্ঞ সিদ্ধান্তে যান না। এক সপ্তাহ থেমে থাকা মানে তথ্য, শেষ কথা নয়।
পাল্লার সংখ্যা ছাড়া বিশেষজ্ঞ আর কী কী দেখেন?
অনেক কিছুই। ওর একটা খাওয়া তিনি নিজে দেখেন। শ্বাসের ধরন শোনেন, ঘুমের খবর নেন। ভালো আলোয় গায়ের রং মিলিয়ে দেখেন। ওজনের লাইনটা পুরো ছবির একটা অংশ মাত্র।
ওজন বাড়াতে পরিকল্পনার বাইরে বাড়তি খাওয়ানো যাবে?
না। যাঁরা ওকে পরীক্ষা করেছেন, খাওয়ার পরিকল্পনা তাঁদেরই ঠিক করা। নিজেদের বুদ্ধিতে বাড়তি খাওয়ালে বিশেষজ্ঞ যে ধরনটা ধরতে চাইছেন, সেটাই ঢেকে যাবে। দুশ্চিন্তাটা দেখায় গিয়ে বলুন।
শাশুড়ি নিশ্চিত, ও একদম ঠিক আছে। তাঁকে কী বলব?
আলতো করেই বলুন। তিনি দেখেন গোলগাল গাল আর খিদে নিয়ে খাওয়া একটা বাচ্চা। বিশেষজ্ঞও তাই দেখেন, তার সঙ্গে চার্টটাও। দুটো মিলে গেলে বাড়ির সবাই নিশ্চিন্ত হতে পারবে।
এক ওজন থেকে পরের ওজন পর্যন্ত কী কী লিখে রাখব?
প্রতিদিনের খাওয়া আর কতক্ষণ ধরে খেল। লম্বা ঘুমগুলো। একটুক্ষণের জন্য হলেও অস্বাভাবিক লেগেছে এমন কিছু। রোজের ছোট নোট দেখায় অনেক বেশি কাজে আসে, মাথায় রেখে সপ্তাহ ফিরে ভাবার চেয়ে।
সন্ধ্যায় ও নিস্তেজ হয়ে পড়ল, জাগানো যাচ্ছে না। ওজনের দিন পর্যন্ত থাকব?
কখনোই না। ঠিক এই লক্ষণেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন ওর ডাক্তাররা। সেই সন্ধ্যাতেই সোজা হাসপাতালে যাব। ওজনের দিন ধীরগতির প্রশ্নগুলোর জন্য।
Sponsor Space Available
Place your banner here to reach thousands of patients daily.
Grow Your Practice
Premium placement for hospitals & doctors.